| ৪ মে ২০২৬

লবণ আমদানীর খবরে মহেশখালীর হাজার হাজার চাষীদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ

লবণ আমদানীর খবরে মহেশখালীর হাজার হাজার চাষীদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

লবণ আমদানীর খবরে মহেশখালীর হাজার হাজার চাষীদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
লবণ মিল মালিক ও সংশ্লিষ্ট আমলাদের কারসাজিতে বিদেশ থেকে ১ লক্ষ মেঃ টন লবণ আমদানীর সিদ্ধান্তে হাজার হাজার লবণ চাষী ও শ্রমিকদের মাঝে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা ও ক্ষোভ। লবণ আমদানীর বিরুদ্ধে মহেশখালী কুতুবদিয়া, চকরিয়া, ইদগাহ এবং কক্সবাজার জেলা শহরে সংগঠিত হয়েছে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভা। এই লবণ আমদানী বন্ধ করে দেশীয় লবণ শিল্প বাচানোর জন্য শিল্প মন্ত্রণালয়ে মরিয়ম আক্তার গং আবেদন করিলেও সরজমীনে মজুদ লবণের তথ্য না নিয়ে একতরফ ভাবে লবণ আমদানীর সিদ্ধান্ত বহাল রেখেছে বলে আবেদনকারী জানান।

গত বছর শিল্প লবণের নামে বন্ড সুবিধায় বিভিন্ন সংস্থা লবণ আমদানী করতঃ কৌশলে বিভিন্ন লবণ মিলে বিক্রি করাতে সারা বছর লবণের মূল্য কমে যাওয়ায় দেশীয় লবণ শিল্প মারাত্বক হুমকিতে পড়েছে। পানির দরে উৎপাদিত বিক্রিতে বাধ্য হওয়ায় চাষীদের মাঝে নেমে এসেছে চরম হতাশা। বাণিজ্য ও শিল্প মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রনের বাহিরে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) ও এনবিআর কর্তৃক অনুমোদন ক্রমে শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ সালফেট জাতীয় লবণ বডেট তথা ওয়ার হাউজ সুবিধায় এবং শিল্প আইআরসির মাধ্যমে আমদানী করে আসছে। এর মধ্যে ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৫.৭০ লক্ষ মেঃ টন ডাইসোডিয়াম সালফেট এবং ০.১৫ লক্ষ মেঃ টন সোডিয়াম সালফেট আমদানীর হয়েছে সূত্রে জানায় ক।

অন্যদিকে, বিডা এর সুপারিশ অনুযায়ী ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ৫.১৫ লক্ষ মেঃ টন সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ আমদানী করেছে বলে জানা গেছে। ওয়াশিং প্লান্টের কাচামাল হিসাবে কস্টিক সোডা ও ক্লোরিন উৎপাদনে ব্যবহারের জন্য তাসনিম ক্যামিকেল কমপ্লেক্স লিঃ ২০২৩-২৪ অর্থ বছরে ১,১৭,৪৪০ লক্ষ মেঃ টন লবণ অতিরিক্ত আমদানী করার তথ্য এনবিআর এর সূত্রে জানা যায়। অন্যান্য প্রতিষ্ঠান সমূহ শিল্প মন্ত্রনালয় হতে প্রাপ্যতার সীমা এবং সুপারিশ গ্রহণ না করেই লবণ আমদানী করেছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

উল্লেখ্য যে, দেশে উৎপাদিত লবণের তুলনায় ডাইসোডিয়াম সালফেট ও সোডিয়াম সালফেট এর আমদানী মূল্য কম থাকায় এবং অন্যদিকে সাধারণ লবণ আমদানীতে বিধি নিষেধ থাকায় অধিক পরিমাণ ডাইসোডিয়াম সালফেট ও সোডিয়াম সালফেট আমদানী হচ্ছে। এছাড়া ডাইসোডিয়াম সালফেট, সোডিয়াম সালফেট দেখতে একই রকম হওয়ায় মিথ্যা ঘোষনার নামে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ আমাদানীর সুযোগ রয়েছে। পোষক প্রতিষ্ঠান বিভা এর নিকট চাহিদার থেকে বেশি আমদানী সুপারিশ নিয়ে কস্টিক সোভা উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ প্রয়োজনের অতিরিক্ত পরিমাণে কাচামাল হিসাবে বোল্ডার লবণ আমদানী করে মুনাফা অর্জন করিতেছে।

এইভাবে বন্ড ওয়ার হাউজ সুবিধায় এবং শিল্প আইআরসি এর মাধ্যমে পোষক এর সুপারিশ নিয়ে কাচামাল হিসাবে এইচএস

কোড নং ২৫০১.০০.২০ মূলে সোডিয়াম ক্লোরাইড আমাদানী করে বিভিন্ন লবণ মিলে বিক্রয়ের মাধ্যমে দেশীয় লবণ শিল্পের সর্বনাশ
করতেছে।
অন্যদিকে, যেসকল শিল্পে কাচামাল হিসাবে দেশীয় লবণ ব্যবহার হত তুলনামূলক কম দামের কারণে সেসকল শিল্পে আমাদানীকৃত সালফেট জাতীয় লবণ ব্যবহার হওয়ায় শিল্প খাতে দেশীয় লবণ ব্যবহার কমে যাচ্ছে। ফলে লবণ চাষীরা উপযুক্ত মূল্য পাচ্ছে না।
সুতরাং সালফেট জাতীয় লবণের আমদানী শুল্ক হার পুনঃনির্ধারণ এবং সোডিয়াম সালফেটের নামে সোডিয়াম ক্লোরাইড লবণ আমাদানী বন্ধ করা, খালাসের পূর্বে যথাযথ পরিক্ষা নিশ্চিত করা সহ আমদানী নীতি ২০২১-২৪ এর পাশাপাশি জাতীয় লবণ নীতি-২০২২ এর লবণ আমদানী সংক্রান্ত নির্দেশনা প্রতিপালন এর মাধ্যমে দেশীয় লবণ শিল্পকে প্রটেকশন দেয়া প্রয়োজন।

সুতরাং লবণ উৎপাদনে জড়িত বাশখালীসহ কক্সবাজার জেলার ০৫ লক্ষ লোকের স্বার্থে এবং তাদের উপর নির্ভরশীল ২৫ লক্ষ লোকের জীবন জীবিকা কথা সুবিবেচনা করতঃ মাঠ পর্যায়ে কোনো প্রকার যাচাই বাচাই ছাড়া গৃহিত ০১ লক্ষ মেঃ টন লবণ আমদানীর সিদ্ধান্ত পুনঃবিবেচনা করার জন্য সরকারের নিকট সংশ্লিষ্টরা আবেদন জানিয়েছেন। কক্সবাজারের লবণের সাথে সংশ্লিষ্ট লাখ লাখ মানুষ।

অপহরণ চক্রের নারী সদস্য আটক

চকরিয়ার অপহৃত ছাত্রী কক্সবাজার থেকে উদ্ধার

লবণ আমদানীর খবরে মহেশখালীর হাজার হাজার চাষীদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহৃত শিক্ষার্থী উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণ চক্রের নারী সদস্যকে আটক করা হয়।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত এক অপ্রাপ্তবয়স্কা মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার ও জড়িত এক মহিলাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া সাহারবিল এলাকার প্রবাসী শাহা আলমের মাদ্রাসা পড়ুয়া কন্যা জন্নাতুল নাঈম (১৩), গত ২৮/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা হতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। ওই ছাত্রীর পরিবার তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার ভাই শিহাব চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী নং-১৫২৯, তারিখ-২৯/০৪/২০২৬ খ্রিঃ দায়ের করে। উক্ত ডায়েরীর আলোকে সন্দেহভাজন লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ফরেস্টর জামাল উদ্দিনের কন্যা তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় হতে আটক করে। তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা প্রথমে ভিকটিম তার হেফাজতে থাকার কথা অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ের পুলিশের অভিযান টিমের সন্দেহ হওয়ায় কক্সবাজার কলাতলী লাইট হাউস এলাকায় শিমার ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম জন্নাতুল নাঈম (১৩)কে উদ্ধার করে। এসময় উক্ত ঘরে থাকা দুজন রাখাইন মেয়ে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, চকরিয়ার লক্ষ্যারচরের মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা (২৫) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। পরবর্তীতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়ানো এবং স্বর্ণের চেইন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘটনার দিন ভিকটিমকে অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় চকরিয়া থানাধীন সাহারবিল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মিজবাউল উলুম মাদ্রাসার গেইটের সামন থেকে কৌশলে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে এবং কক্সবাজার সদর থানাধীন লাইট হাউজ পাড়া এলাকায় নিয়ে তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমার ভাড়া বাসায় আটক করে রাখে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আসামীরা একটি সংঘবদ্ধ নারী পাচার চক্রের সাথে জড়িত, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কা ছাত্রীদের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে যৌন শোষণ ও পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা বিক্রয় করে থাকে।
উদ্ধার অভিযানে ১নং আসামীকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে চকরিয়া থানার এফআইআর নং-৪৪, তারিখ- ৩০ এপ্রিল, ২০২৬; জি আর নং-১৬৬, ধারা-মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২ এর ৭/৮/১০/১১ মামলা রুজু করা হয়।

পেকুয়ার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক

লবণ আমদানীর খবরে মহেশখালীর হাজার হাজার চাষীদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের পেকুয়ার আলোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক হয়েছে।
৩০ এপ্রিল দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে পেকুয়া থানার একদল পুলিশ মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের গোয়াখালীর নুরুল কাইয়ুমের ছেলে সোহেল ও তার সহযোগীদের হামলায় ৫জন গুরুতর আহত হয়। আহত পক্ষের মুজাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় সোহেল ও তার সহযোগী ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মামলা নং জিআর ৬৫/২৬ তাং ২৯/০৪/২৬। এমামলার ২ নং আসামী সোহেলকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
মামলার বাদী মুজাহিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই চক্রটি এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজি করে আসছে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
আহতদের প্রথমে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজি ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। পেকুয়া থানা ও আদালতে বিভিন্ন অপরাধে মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য মামলা গুলো হল এদিকে আটক সোহেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলার তথ্য পাওয়া গেছে যার নং সি আর-৪৫১/১৯, জি আর- ৭৯/২০২৪,জি আর-২০২/২৪, জি আর- ২২২/১৮,সি আর-২০৪/২৩, সি আর-১৪৯০/২১।
তিনি পূর্বেও কয়েকবার গ্রেপ্তার হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতায় তিনি দ্রুত আইনের আওতা থেকে বেরিয়ে এসে পূণরায় অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আলম বলেন, এঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনকে আটকও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ফের সংঘর্ষেরও আশংকা করে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে নিহতের স্মরণে ‎স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎

লবণ আমদানীর খবরে মহেশখালীর হাজার হাজার চাষীদের মাঝে চরম হতাশা ও ক্ষোভ


‎ডেস্ক রিপোর্ট

‎১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে চট্টগ্রাম কক্সবাজার উপকূল অঞ্চলে নিহতের স্মরণে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পেকুয়া উপজেলা লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এ স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎এ সময় নিহতদের স্মরণে স্মৃতিচারণ করেন, লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির যুগ্ন আহবায়ক এম আজম উদ্দিন, সদস্য সচিব দেলওয়ার হোসাইন, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক বারবাকিয়া উপশাখার ক্যাশ ইনচার্জ জিল্লুল করিম।

‎নিহতদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করে মোনাজাত পরিচালনা করেন ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শাহাদাত হোসাইন।

‎এসময় স্থানীয় মুসল্লী ও নানান শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

‎উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যারি এন’ লণ্ডভণ্ড করে দেয় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় পুরো উপকূল। স্মরণকালের ভয়াবহ এ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৬ জন। তবে বেসরকারি হিসাবে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। মারা যায় ২০ লাখ গবাদি পশু। প্রায় এক কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়। ক্ষতি হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।