মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্যসেবা নিতে সরকারি হাসপাতালে আসুন - ডা. মুজিব
পেকুয়ায় স্বাস্থ্যসেবা খাতে নাগরিক পরিবীক্ষণের তথ্য নিয়ে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত
বেলাভুমি প্রতিবেদক:
ভয়েস ফর চেইঞ্জ: এমপাওয়ারিং সিটিজেনস ফর ইনক্লুসিভ গভর্নেন্স, সোশ্যাল জাস্টিস এন্ড ইকুয়ালিটি প্রকল্পের উদ্যোগে কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার পূর্ব মেহেরনামা লকিয়াতুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে স্বাস্থ্যসেবা খাতে নাগরিক পরিবীক্ষণ ও সেবা খাতের প্রাপ্ত তথ্য নিয়ে নাগরিকদের মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১২ নভেম্বর সকাল ১১ টায় পূর্ব মেহেরনামা লকিয়াতুল উলুম হাফেজিয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে উক্ত প্রোগ্রামটি সম্পন্ন হয়েছে। এতে এলাকার বিভিন্ন শ্রেণীপেশার শতাধিক নারী পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
নাগরিক ফোরামের সভাপতি ও স্থানীয় ইউপি সদস্য সাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এ.এস.এম নুরুল আখতার নিলয়,
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. মুজিবুর রহমান, প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ বাবুল আখতার, খান ফাউন্ডেশনের জেলা প্রকল্প কর্মকর্তা আবু ছালাম, হেল্প কক্সবাজার এনজিওর চিফ কো-অর্ডিনেটর আব্দু রহিম বাবু, স্থানীয় সমাজ সেবক ও রাজনীতিবিদ মাওলানা মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন, আহছান উল্লাহ, পেকুয়া প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম. আবদুল্লাহ আনছারী, উন্নয়নকর্মী রহিমা জন্নাত, সিএইচসিপি রেজাউল করিমসহ প্রমূখ।
নাগরিক ফোরামের সদস্য মাস্টার শাহাদাত হোছাইনের সঞ্চালনায় এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন খান ফাউন্ডেশনের প্রকল্ল কর্মকর্তা বেদেনা খাতুন, শামীমা ইয়াসমীন, নাগরিক ফোরামের সদস্য মাওলানা আবু ইউসুফ, মাওলানা মুহিবুল্লাহ, রহিমা জন্নাত, আরফাতুল ইসলাম, সাজ্জাদুর রশিদ, আব্দুল্লাহ আল আমিন (তোহা), এম. আমজাদ হোছাইন, মো. আরকান।
প্রোগ্রামের মাধ্যমে নাগরিকরা স্বাস্থ্য সেবাখাতের গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রতিষ্ঠান কমিউনিটি ক্লিনিকের (সিসি) সেবা কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা করেন। যাতে করে সিসির সেবাদানকারী ও সেবাগ্রহণকারী মধ্যে আন্তঃসম্পর্ক তৈরি হয়, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বৃদ্ধি পায় এবং সেবার মান উন্নত করা হয়।
উক্ত মতবিনিময় সভায় নাগরিকদের পক্ষ থেকে গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে দৃশ্যমান স্থানে সিটিজেন চার্টার টানানো, নরমাল ডেলিভারির জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া, ইউনিয়ন ভিত্তিক মিনি অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা, গর্ভবতী সেবার (এএনসি, পিএনসি) ব্যবস্থা করা, সিসিতে সপ্তাহে কমপক্ষে ২ দিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সেবা নিশ্চিত করা। এছাড়া মতামত প্রকাশ করেন কোন রোগের ওষুধ সরবরাহ করা হয় তা লোকজন জানেনা বলে তারা ক্লিনিকে যায়না। বিশেষ করে গ্যাস্ট্রিকের রোগীদের ওষুধের মান বৃদ্ধি করতে মতমত প্রদান করা হয়।














