| ৮ এপ্রিল ২০২৬

মোবাইল দিয়েই প্রফেশনাল ছবি তুলবেন যেভাবে

মোবাইল দিয়েই প্রফেশনাল ছবি তুলবেন যেভাবে

 

মোবাইল ক্যামেরার ক্ষমতা এখন আর শুধু সেলফি বা সাধারণ মুহূর্তে সীমাবদ্ধ নয়। সঠিক কৌশল জানলে মোবাইল দিয়েই পাওয়া যায় ডিএসএলআর মানের ছবি। ভালো আলো ব্যবহার করা এবং সামান্য কৌশল জানলেই খুব সাধারণ ক্যামেরা দিয়েও দুর্দান্ত ছবি তোলা যায়।

আসুন দেখে নেওয়া যাক মোবাইল দিয়ে প্রফেশনাল ছবি তোলার কিছু টিপস-

১. ক্যামেরা লেন্স পরিষ্কার রাখুন
মোবাইল সারাদিন হাতে থাকে ঘাম, ধুলা, ফিঙ্গারপ্রিন্ট লেন্সে লেগে থাকতে পারে। ফলে ছবি হবে ঝাপসা বা ফেড-আউট। নরম কাপড়, টিস্যু বা মাইক্রোফাইবার দিয়ে লেন্স মুছে নিন। ছবি তোলার আগে একবার চেক করাই ভালো।

২. প্রাকৃতিক আলো ব্যবহার করুন
ভালো আলো মানে ভালো ছবি। প্রাকৃতিক আলো সবসময় মোবাইল ফটোগ্রাফির জন্য সেরা। জানালার আলো, বিকেলের নরম সূর্যের আলো সবচেয়ে সুন্দর। কড়া রোদ মুখে পড়লে হার্ড শ্যাডো পড়ে পারে অস্বস্তিকর দেখাতে। ব্যাকলাইটে থাকলে এক্সপোজার অ্যাডজাস্ট করুন বা এইচডিআর চালু রাখুন।

৩. শট কম্পোজিশনের নিয়ম মানুন
প্রফশনাল ছবির মূল রহস্য কম্পোজিশন। রুলস অব থার্ডস চালু করে ছবির বিষয়বস্তুকে গ্রিডের ক্রসিং পয়েন্টে রাখুন। সিমেন্ট্রি, লিডিং লাইনস, ফ্রেমিং-এসব কৌশলে ছবি আরও আকর্ষণীয় হয়। ব্যাকগ্রাউন্ড পরিষ্কার রাখুন, অপ্রয়োজনীয় জিনিস চোখে যেন না পড়ে।

৪. ফোকাস ঠিকমতো সেট করুন
বেশিরভাগ মানুষ ক্যামেরা খুলেই শাটার চাপেন ফলে বিষয়বস্তু ঝাপসা হয়। স্ক্রিনে যেখানে ফোকাস চান সেখানেই ট্যাপ করুন। ইনফিনিটি বা ম্যাক্রো ডিটেইল শটে ভালো রেজাল্ট আসে। ভিডিও করলে এই/এএফ লক ব্যবহার করুন, ফোকাস লাফাবে না।

৫. ম্যানুয়াল বা প্রো মোড ব্যবহার করুন
অটো মোড সবসময় সেরা ফল দেবে না। আইএসও কম রাখলে ছবি হবে কম নোইজি। শাটার স্পিড কমালে আলো বেশি, বাড়ালে ফাস্ট মোশন ধরবে। হোয়াট ব্যালেন্স ঠিক রাখলে রং প্রাকৃতিক দেখায়। স্মার্টফোনে প্রো মোড থাকলে তা ব্যবহার করলে লাইটিং ও এক্সপোজার আরও নিয়ন্ত্রণে আসে।

৬. এইচডিআর ও নাইট মোড ঠিকভাবে ব্যবহার করুন
এইচডিআর ব্যাকলাইট বা উজ্জ্বল-অন্ধকার মিশ্র আলোর পরিস্থিতিতে দারুণ কাজ করে। নাইট মোড দীর্ঘ এক্সপোজার ব্যবহার করে তাই ছবি তোলার সময় ফোন স্থির রাখুন। ট্রাইপড, দেয়ালে বা টেবিলে রেখে শট নিলে ছবি শার্প হবে।

৭. জুম কমান, বরং কাছে যান
ডিজিটাল জুম করলে ছবি পিক্সেল ভেঙে যায়। অপটিকাল জুম থাকলে সমস্যা নেই। না থাকলে যতটা সম্ভব কাছে গিয়ে শট নিন।
পরে ক্রপ করলেও ভালো রেজাল্ট পাবেন।

৮. স্ট্যাবলাইজেশন জরুরি
ছবি পর্যন্ত ঠিকঠাক, কিন্তু সামান্য কাঁপলে পুরো শট নষ্ট। দুই হাতে ফোন ধরুন। কনুই শরীরের সঙ্গে লক রাখুন। প্রয়োজন হলে ট্রাইপড/গিম্বল ব্যবহার করুন।

৯. রো বা হাই-রেজোলিউশন মোডে শুট করুন
রো ফাইল পোস্ট-এডিটিংয়ে বেশি ডিটেইল ধরে কনট্রাস্ট, এক্সপোজার, শার্পনেস ঠিকঠাক করা যায়। হাই রেজোলিউশনে ছবি নিলে ছাপা বা ক্রপ দুই ক্ষেত্রেই কোয়ালিটি বজায় থাকে।

১০. এডিটিং করুন, কিন্তু অল্প
লাইটরুম, স্ন্যাপসিট, ভিএসসিও বা মোবাইলের বিল্ট-ইন এডিটর দিয়েই রং, শার্পনেস ও কনট্রাস্ট ঠিক করা যায়। ন্যাচারাল লুক বজায় রাখুন। অতিরিক্ত স্যাচুরেশন বা স্কিন স্মুথ করলে কৃত্রিম লাগে

১১. লো-লাইটে ফ্ল্যাশ এড়িয়ে চলুন
মোবাইল ফ্ল্যাশ আলো হঠাৎ করে তীব্র হয় ফলে মুখে অস্বস্তিকর শাইন পড়ে, ব্যাকগ্রাউন্ড কালো হয়ে যায়। বরং পাশের লাইট সোর্স ব্যবহার করুন। ল্যাম্প, গাড়ির আলো, বা স্ক্রিন লাইট-সবই কাজে দেয়

১২. এক্সপেরিমেন্ট করুন
এক শটে কেউ প্রফেশনাল হয় না। ভিন্ন এঙ্গেল, নিচ থেকে বা উপর থেকে। রিফ্লেকশন, শিলুয়েট, ম্যাক্রো,ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স ব্যবহার করুন।

 

নিউজ- জাগো নিউজ

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গণস্বাস্থ্যে কেন্দ্রে চিকিৎসা না পেয়ে রোহিঙ্গা তরুণীর মৃত্যূ অভিযোগ

মোবাইল দিয়েই প্রফেশনাল ছবি তুলবেন যেভাবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

উখিয়ার রোহিঙ্গা ক্যাম্প ৪ এক্সটেনশনে মানবিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী সংস্থা গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র (জিকে)-এর বিরুদ্ধে চিকিৎসার অবহেলায় এক রোহিঙ্গা নারীর মৃত্যুর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। উপকারভোগীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার ও সময়মতো চিকিৎসা না দেওয়ার অভিযোগের মধ্যে এবার এক রোহিঙ্গা তরুণীর মৃত্যুর ঘটনা সামনে এসেছে, যা ক্যাম্পজুড়ে শোক ও ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৪ এপ্রিল (শনিবার) অসুস্থ্য সুমাইয়া আক্তারকে নিয়ে তার বাবা মোহাম্মদ সেলিম গণস্বাস্থ্য পরিচালিত হাসপাতালে যান। সেখানে প্রথমেই গেটের নিরাপত্তাকর্মী তাদের প্রবেশে বাধা দেন বলে অভিযোগ রয়েছে। পরে অনেক অনুরোধের পর হাসপাতালে ঢুকতে পারলেও তাদের দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে বলা হয়।

পরিবারের অভিযোগ, দায়িত্বপ্রাপ্ত চিকিৎসক রোগীকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে বলেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় পার হয়ে গেলেও চিকিৎসা না পাওয়ায় সুমাইয়ার শারীরিক অবস্থা অবনতি হতে থাকে। একপর্যায়ে তিনি হাসপাতাল প্রাঙ্গণেই অচেতন হয়ে পড়েন।

পরিস্থিতি গুরুতর দেখে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে নিকটবর্তী এমএসএফ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রোগীর অবস্থা আশঙ্কাজনক উল্লেখ করে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করেন। কিন্তু হাসপাতালে নেওয়ার পথেই সুমাইয়ার মৃত্যু হয়—একটি মৃত্যু, যা এখন প্রশ্ন তুলছে মানবিক স্বাস্থ্যসেবার কার্যকারিতা নিয়ে।

অভিযোগের বিষয়ে গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, রোগীকে ৩০ মিনিট অপেক্ষা করতে বলা হয়েছিল, তবে তারা চিকিৎসককে না জানিয়েই হাসপাতাল ত্যাগ করেন। ফলে তাদের পক্ষে আর কিছু করার ছিল না।

তবে ভুক্তভোগী পরিবার ও অন্যান্য উপকারভোগীরা এই বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করে জানিয়েছেন, দীর্ঘ সময় অবহেলার কারণেই রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে ওঠে এবং বাধ্য হয়েই তারা অন্য হাসপাতালে নিয়ে যান।

উল্লেখ্য, এর আগেও একই হাসপাতালে আলিশা নামের ১০ মাস বয়সী এক শিশুর জরুরি চিকিৎসার জন্য গেলে তাদের অপেক্ষা করিয়ে রাখে এবং অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে।পরে অন্য হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নেয় তারাও।এছাড়া ডিউটি চিকিৎসক শিমুলের বিরুদ্ধে উপকারভোগীদের সঙ্গে ধারাবাহিক দুর্ব্যবহারের অভিযোগ রয়েছে। এমনকি তিনি রোগীদের হুমকি দেন বলেও অভিযোগ করেছেন অনেকে।

ভুক্তভোগীরা জানান, এসব বিষয়ে তারা ক্যাম্প ৪ এক্সটেনশনের সিআইসি অফিসারের কাছে লিখিত অভিযোগ জমা দিলেও এখনো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ বা প্রতিক্রিয়া পাননি।

এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ ভুক্তভোগী পরিবার এবং ক্যাম্পবাসীদের দাবি, এমন অমানবিক আচরণকারী চিকিৎসকদের দ্রুত অপসারণ করে মানবিক ও দায়িত্বশীল সেবা নিশ্চিত করতে হবে। তারা চান, ভবিষ্যতে যেন কোনো মা-বাবাকে চিকিৎসার অভাবে সন্তানের প্রাণ হারানোর বেদনা সহ্য করতে না হয়।

মানবিক সংকটে থাকা রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা শুধু একটি সেবা নয়, বরং বেঁচে থাকার শেষ ভরসা। সেই ভরসা যদি বারবার প্রশ্নবিদ্ধ হয়, তবে তা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যর্থতা নয়—বরং একটি বড় মানবিক সংকটের প্রতিচ্ছবি।

মহেশখালীতে বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনায় জরিমানা

মোবাইল দিয়েই প্রফেশনাল ছবি তুলবেন যেভাবে

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে মহেশখালী উপজেলার গোরাকঘাটা বাজার ও বড় মহেশখালী নতুন বাজারে বাজার মনিটরিং এবং মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) দুপুর থেকে পরিচালিত এ অভিযানে নেতৃত্ব দেন মহেশখালী উপজেলার সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও বিজ্ঞ এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু জাফর মজুমদার। এসময় বাজারের বিভিন্ন দোকানে অবৈধভাবে তেল মজুদ রয়েছে কিনা তা তদারকি করা হয়।
অভিযানকালে ফুটপাত দখল, দোকানে মূল্য তালিকা প্রদর্শন না করা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ পণ্য বিক্রয়ের অভিযোগে ১ (এক) ব্যবসায়ীকে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন, ২০০৯ এর ৫১ ধারায় ১৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করা হয়। এ অভিযানে বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড, পুলিশ ও আনসার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
উপজেলা প্রশাসন জানায়, জনস্বার্থে নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

চকরিয়ায় ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে প্রবাসীর জমি জবরদখলের অভিযোগ

মোবাইল দিয়েই প্রফেশনাল ছবি তুলবেন যেভাবে

 

মনিরুল আমিন চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়া পৌরসভায় এক প্রবাসীর ক্রয়সুত্রে মালিকানাধীন জমি জবরদখল ও ভাড়াটে সন্ত্রাসী নিয়ে সীমানা প্রাচীর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে একদল প্রভাবশালী ব্যক্তির বিরুদ্ধে।
গত ৪ এপ্রিল (শনিবার) সকালে চকরিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ড বিনামারা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী আলা উদ্দিন বাদী হয়ে চকরিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া পৌরসভার ৬নং ওয়ার্ডের কাহারিয়া ঘোনার বাসিন্দা আলা উদ্দিন ও তার অংশীদাররা ভরামুহুরী মৌজার বিএস ২৫৭নং খতিয়ানের ৭৫৮ দাগের ৬ শতক জমি খরিদা সূত্রে মালিক হয়ে দীর্ঘ দিন ধরে ভোগদখল করে আসছেন। কিন্তু গত শনিবার সকাল আনুমানিক ৭টার দিকে একই এলাকার মো. আনাছ (৩৫), মিজানুর রহমান (৪০), তৌহিদ (৩০) ও শহিদুল ইসলামসহ (২২) অজ্ঞাতনামা আরও ৫০-৬০ জন ব্যক্তি দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র ও বহিরাগত সন্ত্রাসী নিয়ে উক্ত জমিতে অতর্কিত প্রবেশ করে। তারা গায়ের জোরে জমিতে পাকা বাউন্ডারি দেয়াল নির্মাণ শুরু করে।
জমির মালিক পক্ষ বাধা দিলে বিবাদী ও তাদের ভাড়াটে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে মালিক পক্ষকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং দেশীয় অস্ত্র উঁচিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। এমনকি বাধা দিলে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও খুনেরও হুমকি দেয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা বিষয়টি সমাধানের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন, কারণ বিবাদী পক্ষ তাদের জবরদখল কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
এ ঘটনায় জমি মালিক পক্ষ রবিবার রাতে সংবাদ সম্মেলন করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে প্রবাসী আবদুল আজিজ, বলেন, ‘স্থানীয় আলা উদ্দিন, রিদুয়ান, হুমায়ুন, রাজু, কাজল, মুছা, আবুল কালাম, সাইফুল, সেলিম, জহির, বাপ্পি, সুমন, আমান, রেজাউল, ফরিদ, আবদুল করিমসহ ১২ জনের মালিকানাধীন ৬ শতক জমি আমি ক্রয় করে ২০২৪ সাল থেকে ভোগদখলে আছি। আমার মালিকানাধীন জমিতে অবৈধভাবে অবস্থান করে বাউন্ডারি নির্মাণ কাজ চালিয়ে যাচ্ছে।’, যার ফলে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। পুনরায় বাধা দিতে গেলে বড় ধরনের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ ও আইন-শৃঙ্খলার অবনতি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন জানান,বিনামারা এলাকায় জবরদখল সংক্রান্ত একটি অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।