| ২৪ জুন ২০২৬

স্থানীয় রায় অমান্য করে বাধা দেয়ার অভিযোগ

পেকুয়ায় জায়গা দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুপক্ষের আহত-৪ দোকান নির্মাণে বাঁধার অভিযোগ

পেকুয়ায় জায়গা দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুপক্ষের আহত-৪ দোকান নির্মাণে বাঁধার অভিযোগ

পেকুয়া সদর ইউনিয়নের মেহেরনামা চৈরভাঙ্গা এলাকায় ভোরবেলায় জায়গা দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে ৪জন আহত হয়েছে। অভিযোগ ওঠেছে সাহাব উদ্দিন গং ওই জায়গায় দোকান নির্মাণ করতে গেলে বাঁধা দেওয়া হলে স্থানীয় নুরুল আলম, মাহমুদুল হক ও আবু তাহের গং সাহাব উদ্দিন গং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় সাহাব উদ্দিন গং এর মোরশিদা ও খাদিজা মোস্তফা আহত হয়। নুরুল আলমের স্ত্রী ও ছেলে আহত হয়।
আহত মোরশিদা ও খাদিজাকে আশংকা জনক অবস্থায় চমেক হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

আহত পরিবার ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সাহাব উদ্দিন গং জমি ক্রয় করে দখলে করে দীর্ঘ ৮ বছর ধরে ভোগদখলে ছিলেন। স্থানীয় কুচক্রী মহলের ইন্দনে নুরুল আলম, মাহমুদুল হক গং এর নেতৃত্বে একটি চক্র আমার কাছে বিভিন্নভাবে চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা না দেওয়ায় তারা লোকজন নিয়ে গতমাসে বেশকয়েক বার আমাদের বাড়িতে হামলা করে ঘরবাড়ি ভাংচুর করে।তাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে আমি আদালতে ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইনে একটি মামলা দায়ের করলে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন নুরুল আলমের বিপক্ষে গেলে সন্ত্রাসীরা তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে মামলা তুলে নেওয়ার হুমকি দেয় এবং আজ সকালে আমরা আমাদের জায়গায় দোকান নির্মাণ করতে গেলে আমাদের পরিবারের সদস্যদের মারধর করে। পরে পুলিশকে অবিহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থ পরিদর্শন করেন।
উল্লেখ্য এজমির বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য পেকুয়া ইউনিয়ন পরিষদে বিচার দায়ের করা হলে সার্ভেয়ার পরিমাপে নুরুল আলম গং এর দখলে তাদের ক্রয় করা ৭৩০ নং কবলার চেয়ে অতিরিক্ত ৫০ কড়া জমি দখল চিহ্নিত হলেও সাহাব উদ্দিন গং এর দখলে থাকা মাত্র ১০ কড়া জমিতে দোকান ঘর নির্মাণ করতে গেলে বাধা দিয়ে মারধর করে। সাহাব উদ্দিন গং আরো বলেন মেহেরনামা মৌজার বিএস ২৬০৮ নং দাগের ২৬ শতক জমি থেকে তারা দুই দলিলে ১৭.৬৭ শতক জমি ক্রয় করেন। আতিক ক্রয় করেন ৬.৩৩ শতক, আবদুল মালেক ক্রয় করেন ২ শতক। সম্পূর্ণ অংশ বিক্রিত হলেও ৫ম কবলায় নুরুল আলম গং ৮.৩৩ শতক জমি ক্রয় করে ১১ জনে ২৫ শতক জমি জবর দখল করে রাখেন। অতিরিক্ত ৫০ কড়া জমি জবর দখলে রাখায় পরিষদ স্থানীয় সালিশি বৈঠকে ১০ কড়া জমিতে জবর দখল না করতে ও সাহাব উদ্দিন গংকে দখলে ব্যাঘাত না করতে নির্দেশ দিয়েছেন।
পেকুয়া থানার পুলিশ উপ পরিদর্শক সাঈদুর রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এব্যাপারে উপ পরিদর্শক সাঈদুর রহমান বলেন, উভয় পক্ষকে বিকেলে ডেকেছি। কাগজ পত্র তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

৬ মাস যাবত ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই নারী!

পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়দানকারী নারী আটক

পেকুয়ায় জায়গা দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুপক্ষের আহত-৪ দোকান নির্মাণে বাঁধার অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই নারীকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশ। আটককৃত নারীর নাম হাছিনা আক্তার। তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আবুল হাসেম ও বুলু আরার মেয়ে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাছিনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে মগনামা এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। এ পরিচয় ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব খাটিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী ও পরিষদের সকল সদস্য সচিবকে ডিজিএফআইয়ের সদস্য পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করে আসছিল। দুজন ইউপি সদস্যকে ৫ মিনিটের ভিতর তার বাসায় গিয়ে দেখা করা চাল বিতরণের সময় বিভিন্ন অযুহাত দাড় করিয়ে চাল হাতিয়ে নেয়া বিভিন্ন অনিয়ম ও ব্যক্তিগত দূর্বলতা খুঁজে হয়রানি করা অভিযোগ রয়েছে ওই নারীর বিরুদ্ধে।
ওই নারী চন্দনাইশ থেকে পেকুয়ার মগনামা লঞ্চ ঘাটের পাশে রিদুয়ান নামক এক ব্যক্তির ভাড়া বাসায় ৬ মাস পূর্ব থেকে দুটি বাচ্চা সহ বসবাস করে আসছেন। তার স্বামী সেনা কর্মকর্তা দুবাই মিশনে আছেন তিনি এখানে ডিজিএফআইয়ের দায়িত্বে আছেন এমন পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, ওই নারীর চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক মনে হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের একপর্যায়ে ওই নারী ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন বলে নিশ্চিত হন তিনি। পরে মঙ্গলবার রাতে তাকে ইউনিয়ন পরিষদে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অধিকাংশ ইউপি সদস্যদের এই নারী কোনো এক দূরভী মিশন বাস্তবায়নের হীন প্রচেষ্টারত ছিলেন কিনা খতিয়ে দেখা দরকার। তাকে দিয়ে এখানে কোন দূষ্ঠ চক্র খেলছে কিনা তাও তদন্ত করার প্রয়োজন আছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “নিজেকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়দানকারী এক নারীকে মগনামা থেকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পোকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি

পেকুয়ায় জায়গা দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুপক্ষের আহত-৪ দোকান নির্মাণে বাঁধার অভিযোগ

মনিরুল আমিন.চকরিয়া

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের পোকখালী রেড ক্রিসেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ২ টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের তালা ভেঙে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে মূল্যবান শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়।

প্রধান শিক্ষক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন জানান,চোরেরা শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ল্যাপটপ,প্রজেক্টর, সিসিটিভি ক্যামেরা,ইন্টারনেট রাউটার,ছাত্র-ছাত্রীদের খেলার সরঞ্জামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে। আজ সকালে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে এসে তিনি দেখতে পান চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এ চুরির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান শিক্ষক বলেন,এ বিষয়ে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান,একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের চুরির ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এতে শুধু সরকারি সম্পদের ক্ষতি হয়নি,বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন,লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পেকুয়ায় জায়গা দখল বেদখলকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে দুপক্ষের আহত-৪ দোকান নির্মাণে বাঁধার অভিযোগ

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।