| ৪ মে ২০২৬

শারদীয় দুর্গোৎসবের চুড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে, প্রতিমা তৈরীর শেষ মূহুর্তে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

শারদীয় দুর্গোৎসবের চুড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে, প্রতিমা তৈরীর শেষ মূহুর্তে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপূজার প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ করেছেন শিল্পীরা। এখন চলছে রং-তুলির আঁচড়ে প্রতিমা রাঙিয়ে তোলার কাজ। পাশাপাশি চলছে সাজ-সজ্জা ও আলোকসজ্জার কাজ। কাল থেকে চণ্ডীপাঠ, ঢাকের বোল,শঙ্খের শব্দ আর উলুধ্বনিতে আমন্ত্রিত হবেন দেবী দুর্গা।

রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হতে যাচ্ছে বাঙালি সনাতনীদের পাঁচদিনের প্রাণের উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। প্রতিমার গায়ে রংতুলির আঁচড় শেষ করতে শেষমুহুর্তে বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা।

চকরিয়া এবং আশপাশের কয়েকটি উপজেলার শতাধিক মণ্ডপের জন্য অন্তত ৬ শতাধিক বিভিন্ন দেব-দেবীর প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে চকরিয়া পৌর শহরের চিরিঙ্গা হিন্দু পাড়াস্থ প্রয়াত সারদা মহাজনের বাড়ির সামনে।

চকরিয়া উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদ সাধারণ সম্পাদক বাবু বাবলা দেবনাথ বেলাভূমিকে বলেন,আগামী রবিবার ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে এবারের শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হবে। প্রতি বছরের ন্যায় এবারও পৌরসভা এবং উপজেলার ৯টি ইউনিয়নে দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এবার প্রতিমা পূজা অনুষ্ঠিত হবে ৪৭টি মণ্ডপে। আর ঘটপূজা অনুষ্ঠিত হবে ৪৪টি মণ্ডপে।

তিনি আরও বলেন,চলতি বছর পৌরসভা এবং উপজেলার ৯টি ইউনিয়নের ৪৭টি মণ্ডপে প্রতিমা পূজা এবং ৪৪টি মন্ডপে ঘটপূজা অনুষ্ঠিত হবে। তন্মধ্যে চকরিয়া পৌরসভায় ৭টি এবং ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ৮টি, কাকারা ইউনিয়নে ৩টি, বরইতলী ইউনিয়নে ৬টি,হারবাং ইউনিয়নে ৮টি,ডুলাহাজারা ইউনিয়নে ৮টি,খুটাখালী ইউনিয়নে ১টি,চিরিংগা ইউনিয়নে ১টি,কৈয়ারবিল ইউনিয়নে ৩টি ও পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে ২টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রতিমা পূজা। আর উপজেলাজুড়েই ৪৪টি ব্যক্তিগত মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে ঘটপূজা।

সরজমিন দেখা যায,চকরিয়া পৌরসভার চিরিঙ্গা হিন্দুপাড়ার প্রয়াত মহাজন সারদা কিশোর দাশের বাড়ির উঠানে এবং পাশ্ববর্তী সৎসঙ্গ কেন্দ্রের নিচতলায় গত একমাস আগে থেকে প্রতিমা তৈরির কাজে নেমে পড়েন শিল্পীরা। প্রতিদিন অসংখ্য কারিগর ও সহকারি বেশ যত্ন সহকারে প্রায় শতাধিক মণ্ডপের প্রতিমা তৈরির কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। ফরিদপুর জেলার মৃৎশিল্পী সুশান্ত পালের ‘মা শিল্পালয়’ এবং সুমন পালের ‘শিল্পালয়’ নামের প্রতিমা তৈরির দুটি কারিগরি প্রতিষ্ঠান এসব প্রতিমা তৈরির কাজ করছেন।

দুই শিল্পালয়ের কারিগররা প্রতিমা তৈরিতে ব্যবহার করেছেন খড়,কাঠ,সুতা ও মাটি। এসব উপকরণ দিয়ে মা দুর্গা এবং তাঁর চার সন্তান গণেশ, কার্তিক,লক্ষ্মী,স্বরস্বতিসহ বিভিন্ন প্রতিমার কাঠামো তৈরি করে ফেলেছেন ইতোমধ্যে। একেবারে শেষমুহুূর্তে এসে প্রধান কারিগর তাঁর নিপুন হাতের কারিশমায় নানান রঙের তুলির আঁচড়ে এসব প্রতিমা ফুটিয়ে তুলছেন।

চকরিয়ায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করা ফরিদপুরে মৃৎশিল্পী সুশান্ত পাল ও সুমন পাল বেলাভূমিকে বলেন,প্রায় সাত বছর ধরে তারা চকরিয়ায় এসে জায়গা ভাড়া নিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ করে যাচ্ছেন। এই বছরও এই দুই কারখানা থেকে চকরিয়া উপজেলা ছাড়াও পাশের পেকুয়া,ঈদগাঁও,রামু, মহেশখালী উপজেলার প্রায় শতাধিক মণ্ডপের কার্যাদেশ (অর্ডার) পেয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ শেষ করতে চলেছেন।

প্রধান দুই মৃৎশিল্পী আরও জানান,সারদা মহাজনের উঠান এবং সৎসঙ্গ কেন্দ্রের পাদদেশে একসঙ্গে শতাধিক মণ্ডপের জন্য প্রতিমা তৈরির কাজ চলছে। সেই হিসেবে বিভিন্ন দেব-দেবী ও সংশ্লিষ্ট দেবতার সঙ্গীয় প্রাণীসহ অন্তত ৬ শতাধিক প্রতিমা তৈরি হচ্ছে এখানে। এখন চলছে এসব প্রতিমায় নানান রঙের তুলির আঁচড় দেওয়া। যেসব প্রতিমা পুরোপুরি সম্পন্ন হয়েছে সেসব প্রতিমা একে একে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে স্ব স্ব মণ্ডপে।

চকরিয়া পৌরসভা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক এম আব্দুর রহিম বেলাভূমিকে বলেন,২৪ সেপ্টেম্বর পৌরসভা বিএনপি কার্যালয়ে আমরা মতবিনিময় সভা করেছি। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় চকরিয়া পৌরসভায় ৭ টি পূজা মন্ডপ রয়েছে। প্রতিটি পূজা মন্ডপে ওয়ার্ড বিএনপির নেতৃবৃন্দ শারদীয় দুর্গোৎসব কে সফল এবং সুন্দর ভাবে করতে সর্বোচ্চ সহযোগীতা করে যাবে।

চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তৌহিদুল আনোয়ার বেলাভূমিকে বলেন,শান্তিপূর্ণ ভাবে দুর্গাপূজা উদযাপনের সকল নিরাপত্তা প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। প্রতিটা মন্দিরে অফিসার সহ ফোর্স মোতায়েন করা হয়েছে। এছাড়া সাদা পোষাকে গোয়েন্দারা দায়িত্ব পালন করবেন।

 

অপহরণ চক্রের নারী সদস্য আটক

চকরিয়ার অপহৃত ছাত্রী কক্সবাজার থেকে উদ্ধার

শারদীয় দুর্গোৎসবের চুড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে, প্রতিমা তৈরীর শেষ মূহুর্তে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়ায় অপহৃত শিক্ষার্থী উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসময় অপহরণ চক্রের নারী সদস্যকে আটক করা হয়।
চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মনির হোসেনের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে অপহৃত এক অপ্রাপ্তবয়স্কা মাদ্রাসা ছাত্রীকে উদ্ধার ও জড়িত এক মহিলাকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, চকরিয়া সাহারবিল এলাকার প্রবাসী শাহা আলমের মাদ্রাসা পড়ুয়া কন্যা জন্নাতুল নাঈম (১৩), গত ২৮/০৪/২০২৬ খ্রিঃ তারিখ মাদ্রাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা হতে বের হয়ে নিখোঁজ হয়। ওই ছাত্রীর পরিবার তাকে খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে তার ভাই শিহাব চকরিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরী নং-১৫২৯, তারিখ-২৯/০৪/২০২৬ খ্রিঃ দায়ের করে। উক্ত ডায়েরীর আলোকে সন্দেহভাজন লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের ফরেস্টর জামাল উদ্দিনের কন্যা তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমাকে কক্সবাজার পর্যটন এলাকায় হতে আটক করে। তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা প্রথমে ভিকটিম তার হেফাজতে থাকার কথা অস্বীকার করলেও জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ের পুলিশের অভিযান টিমের সন্দেহ হওয়ায় কক্সবাজার কলাতলী লাইট হাউস এলাকায় শিমার ভাড়া বাসায় অভিযান পরিচালনা করে ভিকটিম জন্নাতুল নাঈম (১৩)কে উদ্ধার করে। এসময় উক্ত ঘরে থাকা দুজন রাখাইন মেয়ে পালিয়ে যায়।

প্রাথমিকভাবে জানা যায়, চকরিয়ার লক্ষ্যারচরের মোহাম্মদ জালাল উদ্দিনের তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমা (২৫) পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। পরবর্তীতে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়ানো এবং স্বর্ণের চেইন দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ঘটনার দিন ভিকটিমকে অন্যান্য আসামীদের সহযোগিতায় চকরিয়া থানাধীন সাহারবিল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ডের মিজবাউল উলুম মাদ্রাসার গেইটের সামন থেকে কৌশলে মানব পাচারের উদ্দেশ্যে অপহরণ করে এবং কক্সবাজার সদর থানাধীন লাইট হাউজ পাড়া এলাকায় নিয়ে তানজিমা তাবাচ্ছুম শিমার ভাড়া বাসায় আটক করে রাখে।
প্রাথমিক তদন্তে জানা যায়, আসামীরা একটি সংঘবদ্ধ নারী পাচার চক্রের সাথে জড়িত, যারা অপ্রাপ্তবয়স্কা ছাত্রীদের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে যৌন শোষণ ও পতিতাবৃত্তির উদ্দেশ্যে ব্যবহার বা বিক্রয় করে থাকে।
উদ্ধার অভিযানে ১নং আসামীকে আটক করা হয়েছে।

এ ঘটনার বিষয়ে চকরিয়া থানার এফআইআর নং-৪৪, তারিখ- ৩০ এপ্রিল, ২০২৬; জি আর নং-১৬৬, ধারা-মানব পাচার প্রতিরোধ ও দমন আইন-২০১২ এর ৭/৮/১০/১১ মামলা রুজু করা হয়।

পেকুয়ার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক

শারদীয় দুর্গোৎসবের চুড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে, প্রতিমা তৈরীর শেষ মূহুর্তে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের পেকুয়ার আলোচিত সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার আসামী সোহেল চট্টগ্রামে আটক হয়েছে।
৩০ এপ্রিল দুপুর দেড়টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সামনে থেকে পেকুয়া থানার একদল পুলিশ মেট্রোপলিটন পুলিশের সহায়তায় তাকে গ্রেফতার করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পেকুয়া সদর ইউনিয়নের গোয়াখালীর নুরুল কাইয়ুমের ছেলে সোহেল ও তার সহযোগীদের হামলায় ৫জন গুরুতর আহত হয়। আহত পক্ষের মুজাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে পেকুয়া থানায় সোহেল ও তার সহযোগী ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মামলা নং জিআর ৬৫/২৬ তাং ২৯/০৪/২৬। এমামলার ২ নং আসামী সোহেলকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হন।
মামলার বাদী মুজাহিদ বলেন, দীর্ঘদিন ধরে ওই চক্রটি এলাকায় দখলবাজি ও চাঁদাবাজি করে আসছে। কেউ চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তাদের ওপর হামলা ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের ঘটনা ঘটিয়ে ভীতিকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।
আহতদের প্রথমে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অভিযুক্ত সোহেলের বিরুদ্ধে একাধিক চাঁদাবাজি ও ডাকাতির অভিযোগ রয়েছে। পেকুয়া থানা ও আদালতে বিভিন্ন অপরাধে মামলা রয়েছে। উল্লেখযোগ্য মামলা গুলো হল এদিকে আটক সোহেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু মামলার তথ্য পাওয়া গেছে যার নং সি আর-৪৫১/১৯, জি আর- ৭৯/২০২৪,জি আর-২০২/২৪, জি আর- ২২২/১৮,সি আর-২০৪/২৩, সি আর-১৪৯০/২১।
তিনি পূর্বেও কয়েকবার গ্রেপ্তার হলেও অল্প সময়ের মধ্যেই প্রভাবশালী আত্মীয়স্বজনের সহযোগিতায় তিনি দ্রুত আইনের আওতা থেকে বেরিয়ে এসে পূণরায় অপরাধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যায়।

এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খায়রুল আলম বলেন, এঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনকে আটকও করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে। স্থানীয়রা ফের সংঘর্ষেরও আশংকা করে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড়ে নিহতের স্মরণে ‎স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত ‎

শারদীয় দুর্গোৎসবের চুড়ান্ত প্রস্তুতি চলছে, প্রতিমা তৈরীর শেষ মূহুর্তে ব্যস্ত মৃৎশিল্পীরা


‎ডেস্ক রিপোর্ট

‎১৯৯১ সালে প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে চট্টগ্রাম কক্সবাজার উপকূল অঞ্চলে নিহতের স্মরণে স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎বুধবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৭টায় পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে পেকুয়া উপজেলা লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির আয়োজনে এ স্মরণ সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎এ সময় নিহতদের স্মরণে স্মৃতিচারণ করেন, লবণ মৎস্য ও কৃষি কল্যাণ সমিতির যুগ্ন আহবায়ক এম আজম উদ্দিন, সদস্য সচিব দেলওয়ার হোসাইন, গ্লোবাল ইসলামি ব্যাংক বারবাকিয়া উপশাখার ক্যাশ ইনচার্জ জিল্লুল করিম।

‎নিহতদের আত্নার মাগফেরাত কামনা করে দোয়া করে মোনাজাত পরিচালনা করেন ভোলাইয়াঘোনা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের খতিব মাওলানা শাহাদাত হোসাইন।

‎এসময় স্থানীয় মুসল্লী ও নানান শ্রেণী পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।

‎উল্লেখ্য, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ‘ম্যারি এন’ লণ্ডভণ্ড করে দেয় দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় এলাকায় পুরো উপকূল। স্মরণকালের ভয়াবহ এ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮৬৬ জন। তবে বেসরকারি হিসাবে পাঁচ লাখের বেশি মানুষ প্রাণ হারায়। মারা যায় ২০ লাখ গবাদি পশু। প্রায় এক কোটি মানুষ তাদের সর্বস্ব হারায়। ক্ষতি হয়েছিল ১০ হাজার কোটি টাকারও বেশি সম্পদ।