| ১৩ জুন ২০২৬

পেকুয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও উন্নয়নে আলোচনা সভা

পেকুয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও উন্নয়নে আলোচনা সভা

 

তাওহিদুল ইসলাম

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার, উন্নয়ন ও সমাজে তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১১ জুন) দুপুরের পেকুয়া মৌলভী পাড়া রাস্তার মাথা এলাকায় প্রতিবন্ধী ডিভাইস ফাউন্ডেশন (পিডিএফ) এবং সেন্টার ফর ডিজঅ্যাবলস কনসার্ন (সিডিসি) যৌথ উদ্যোগ আয়োজিত সভায় স্থানীয় মান্যগণ্য ব্যক্তি, সমাজসেবক, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ও তাদের অভিভাবকরা অংশগ্রহণ করেন।

আলোচনা সভায় মেডিকেল অফিসার ডা. মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিনের সঞ্চালনায় এবং পেকুয়া (পি ডি এফ) প্রতিবন্ধী ডিভাইস ফাউন্ডেশনের পরিচালক মোঃ আব্দুল আজিজ সভাপতিত্বে
সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর ডিজএবলস কনসার্ন” (CDC) নির্বাহী পরিচালক লুৎফুল নেছা (রূপসা), বিশেষ অতিথি বক্তব্য রাখেন সেন্টার ফর ডিজএ্যাবলস কনসার্ন এর
পরিচালক আশরাফুল ইসলাম,
প্রধান বক্তা
প্রভাষক ডা.মোহাম্মদ লোকমান, থেরাপিশিয়ান এবং ডা. এম আবুল কাশেম, পেকুয়া উপজেলার সমাজ সেবা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ এর সহকারী রেজাউল করিম,ডা. ইদ্রিস নোমানী, মোঃ শহিদুল্লাহ কাইছার, মৌলভী পাড়া সমাজ কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ শিবির, সমাজ কমিটির সেক্রেটারি জাহেদুল আলম প্রতিবন্ধী রোগী ও অভিভাবক বৃন্দ সহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

সভায় বক্তারা বলেন, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমাজের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতা আরও সম্প্রসারণ করা প্রয়োজন। পাশাপাশি সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের সমন্বয়ের মাধ্যমে তাদের জীবনমান উন্নয়নে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীরা প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের বিভিন্ন সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয় সহায়তার বিষয় তুলে ধরেন। এ সময় তাদের অধিকার বাস্তবায়ন ও কল্যাণে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়।
সভাটি যৌথভাবে আয়োজন করে প্রতিবন্ধী ডিভাইস ফাউন্ডেশন (পিডিএফ) এবং সেন্টার ফর ডিজএ্যাবলস কনসার্ন (সিডিসি)।

কউকের চেয়ারম্যান প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন

পেকুয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও উন্নয়নে আলোচনা সভা

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়ার ইন্জিনিয়ার মো. জসিম উদ্দিন গতকাল বৃহস্পতিবার (১১জুন) কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কউক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০১৬-এর ধারা ৮(২) অনুযায়ী ইঞ্জিনিয়ার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিনকে অন্য কোনো পেশা, ব্যবসা কিংবা সরকারি, আধা-সরকারি বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান/সংগঠনের সঙ্গে কর্ম-সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে যোগদানের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য কক্সবাজার উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (গ্রেড-২) পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে।

এ নিয়োগের অন্যান্য শর্ত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে বলেও প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত এ প্রজ্ঞাপন জনস্বার্থে জারি করা হয়েছে।
তিনি ২০২০ সালে যমুনা ওয়েল কোম্পানি লিমিটেড থেকে দীর্ঘ চাকুরী শেষে
জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) হিসেবে অবসর গ্রহণ করেন।
তিনি পেকুয়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের উত্তর মেহেরনামা আধাখালী হাজীর বাড়ীর মরহুম মাষ্টার কামাল হোছাইনের দ্বিতীয় সন্তান।

তাঁর স্ত্রী ডা. আসমা চৌধুরী চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের লালখান বাজার মমতা মাতৃসদন হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) হিসেবে কর্মরত আছেন। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে। মেয়ে জয়িতা চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজে অধ্যয়নরত। ছেলে আসমাত জোবায়ের ২০২৪ সালে এইচএসসি পাস করে একটি বিশ্বিবদ্যালয়ে পড়ছে।

প্রকৌশলী জসিম উদ্দিন ছাড়াও তাঁর আরও দুজন ভাই রয়েছেন। একজন ডা. নাসির উদ্দিন। তিনি কবি ও সাহিত্যিক। দীর্ঘ সময় ইস্টার্ন রিফাইনারীর চাকরিতে কাটিয়ে অবসর নিয়েছেন। আরেক ভাই এ্যাডভোকেট বেলাল উদ্দিন ১৯৯৩ সালে ৪ ডিসেম্বর তরুন বয়সে  চকরিয়া থানা এলাকায় পুলিশের গুলিতে মারা গেছেন। জসিম উদ্দিনের দুই বোন রোকেয়া বেগম ও আরিফা বেগম পেশায় গৃহিণী।

এছাড়া গ্রামীণ ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য পরিচালক থাকা অবস্থায় ১৯৮৭ সালে মারা যান তাঁর শ্বশুর মাহবুবুল আলম।

জসিম উদ্দিন শিলখালী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে ১৯৭৭ সালে এসএসসি পাস করেছিলেন বোর্ড স্ট্যান্ড কৃতিত্বের সাথে। পরে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে কৃতিত্বের সঙ্গে পাস করে বের হন। যমুনা অয়েলের জিএম হিসেবে তাঁর সুনাম ছিল ঈর্ষানীয়।

২০ হাজার মামলা চকরিয়া আদালতে বিচারাধীন

চকরিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালত ও পেকুয়ায় পৃথক আদালত স্থাপনই হতে পারে ভোগান্তির অবসান

পেকুয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও উন্নয়নে আলোচনা সভা

চকরিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালত ও পেকুয়ায় পৃথক আদালত স্থাপনই হতে পারে ভোগান্তির অবসান

পেকুয়া উপজেলার বয়স ২৪ বছর শেষ হলেও আদালত স্থাপন করা হয়নি।

সিভিল আদালতে ৯হাজার. জুড়িশিয়াল আদালতে ১১ হাজার মামলা. উপজেলা ভিত্তিক বিচারক থাকলেও চকরিয়া আদালতে ৩ উপজেলার জন্য ১ জন.

বাঁশখালী সাতকানিয়া পটিয়ায় যুগ্ম জেলা জজ আদালতের কার্যক্রম থাকলেও চকরিয়ায় এখনো নেই
বিশেষ প্রতিবেদক
কক্সবাজারের চকরিয়া পেকুয়া ও মাতামুহুরির ৯ লক্ষ নাগরিকের বিচারক সুবিধার জন্য চকরিয়া চৌকি আদালত ও সিভিল আদালত এখন ২০ হাজার বিচারাধীন মামলার জটে আবদ্ধ। নিয়মিত ধার্য্য তালিকার মামলার সংখ্যা অধিক হওয়ায় দৈনিক তালিকার মামলা গুলো পরিচালিত করা সম্ভব হচ্ছে না। দেশের অন্যান্য উপজেলা ভিত্তিক জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে এক উপজেলার একজন জুডিশিয়ারি ম্যাজিস্ট্রেট অনুবলে চকরিয়া আদালতে দু জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট থাকার কথা সেখানে কখনো একজনও নিয়মিত না থাকায় বিচার প্রার্থীদের ভোগান্তির শেষ নেই।
পেকুয়া উপজেলা প্রতিষ্ঠার দু যোগ অতিবাহিত হলেও এখনো পেকুয়ায় আদালত স্থাপন করা হয়নি। পেকুয়া উপজেলার দূর্গম এলাকা থেকে চকরিয়ায় গিয়ে অনেক সময় কার্যতালিকার দীর্ঘ লাইনের কারণে মামলার কাজ সমাপ্ত করা সম্ভব না হলে ফেরত আসতে হচ্ছে।
একটি মামলা দায়ের করতে ২/৩ দিন যাওয়া আসা করতে গিয়ে সময় ব্যায় টাকা বাড়তি গুনতে হচ্ছে বলেও ভোক্তভোগীরা জানান। একটি মামলার হাজিরা দিতে দিন অবদি অপেক্ষার পর দৈনিক সময় শেষ হয়ে গেলে বিফলে ফেরত হচ্ছে সেবাপ্রাপ্তিরা।
খোঁজ নিয়ে জানাযায়, ২০০৬ সালে জেলা আদালতের সাথে দূরত্ব সমীকরণ বিধিতে চকরিয়া চৌকি আদালত কক্সবাজার জেলা আদালতের সাথে সমন্বয় করার ঘোষণা দিলেও তদানিন্তন যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী ও বর্তমান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পেকুয়ার প্রত্যন্ত এলাকার বিবেচনায় চকরিয়া আদালত বহাল রাখেন। পরে চকরিয়া সিভিল জজ আদালত স্থাপন করা হয়। বর্তমানে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে প্রায় ১১ হাজার মামলা বিচারাধীন রয়েছে। সিভিল আদালতে মামলা রয়েছে প্রায় ৯ হাজারের মতো।
পেকুয়া উপজেলার মামলার সঠিক পরিসংখ্যান না থাকলেও টইটং রাজাখালী মগনামা উজানটিয়ার মানুষ প্রায় ৬০/৬৫ কিলোমিটারের পথ অতিক্রম করে চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার কার্যক্রমে অংশ নেন।
পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি ছাফওয়ানুল করিম বলেন, পেকুয়া উপজেলার লোকজনের ভোগান্তি দূর করতে পেকুয়ায় আদালত স্থাপন করা হোক।
চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সাধারণ সম্পাদক ও আইনজীবী সমিতির সাবেক সম্পাদক এড মিফতাহ উদ্দিন আহমদ বলেন চকোরিয়া সিভিল জজ আদালত ও জুড়িশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যে পরিমাণ মামলা রয়েছে, পার্বত্য চট্টগ্রামের বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, রাঙ্গামাটি ৩ জেলা মিলিয়ে এত মামলা নেই। এছাড়াও পটিয়া, সাতকানিয়া ও বাঁশখালীতে যুগ্ম জেলা জজ আদালত থাকলেও চকরিয়ায় এ সুবিধা এখনো দেয়া হয়নি। সচেতন মানুষের বিশ্বাস স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ প্রদক্ষেপ নিলে তিন চার উপজেলার মানুষের বিচারিক সুবিধা রক্ষা হবে।

পেকুয়ায় তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে বিএনপির স্বাগত মিছিল অনুষ্ঠিত

পেকুয়ায় প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার ও উন্নয়নে আলোচনা সভা

বাহার উদ্দিন

আগামীকাল শনিবার কক্সবাজারের পেকুয়ায় আসছেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে পেকুয়া উপজেলা বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের যৌথ উদ্যোগে এক বর্ণাঢ্য স্বাগত মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বিকাল ৪ টার দিকে উপজেলা বিএনপি সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইনের নেতৃত্বে , যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, ছাত্রদল, কৃষক দল, শ্রমিক দলসহ বিভিন্ন অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশগ্রহণ করেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক জেড এম মুসলেম উদ্দিন, উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট, তাঁতীদলের আহবায়ক জয়নাল আবেদীন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আহসান উল্লাহ, সদস্য সচিব আহসান উল্লাহ খোকন, শ্রমিকদলের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হারুনুর রশিদ, কৃষকদলের আহবায়ক আবু ছিদ্দিক রনি, ছাত্রদলের সাবেক আহবায়ক এম ফরহাদ হোছাইন,সদর পশ্চিম জোন বিএনপির আহবায়ক এম শাহনেওয়াজ আজাদ, মগনামা ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক ফয়সাল চৌধুরী, উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক সাকিল সিকদার, স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন আহবায়ক এডভোকেট জাহেদ হোসেন প্রমুখ।

মিছিলটি উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে উপজেলা বিএনপির স্থায়ী কার্যালয়ে এসে শেষ। মিছিল শেষ বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন।
এ সময় তিনি বলেন, তারেক রহমানের আগমনকে কেন্দ্র করে পেকুয়াবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। তাঁর আগমনকে স্মরণীয় করে রাখতে সর্বস্তরের নেতাকর্মী ও সাধারণ জনগণকে নিয়ে নানা কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

নেতারা আশা প্রকাশ করেন, এ সফরের মাধ্যমে এলাকার উন্নয়ন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলন আরও বেগবান হবে।
স্বাগত মিছিলে অংশগ্রহণকারী নেতাকর্মীরা বিভিন্ন স্লোগানের মাধ্যমে তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। একই সঙ্গে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং দেশের কল্যাণে অব্যাহত নেতৃত্ব কামনা করেন।
মিছিল শেষে আগামীকাল ১৩ জুনের কর্মসূচি সফল করতে সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়।