| ২ জুন ২০২৬

পেকুয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে দিনমজুরের বসতঘর পুড়ে ছাই

পেকুয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে দিনমজুরের বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে এক দিনমজুরের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। রবিবার (৩১ মে) দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে পেকুয়া সদর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব বিলহাসুরা এলাকায় এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পূর্ব বিলহাসুরা এলাকার মৃত ফজর আলীর ছেলে কাদের হোসেনের বাড়িতে গভীর রাতে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে পুরো বসতঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কাদের হোসেন জানান, রাতে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে ছিলেন। হঠাৎ ঘরে আগুন দেখতে পেয়ে দ্রুত বাইরে বের হয়ে প্রাণে রক্ষা পান। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, বিদ্যুতের শর্ট সার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে।

তিনি বলেন, আগুনে নগদ টাকা, আসবাবপত্র, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং হাঁস-মুরগিসহ সবকিছু পুড়ে গেছে। এক সপ্তাহ আগে ব্র্যাক ব্যাংক থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়েছিলাম। সেই টাকাও আগুনে পুড়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে খোলা আকাশের নিচে মানবেতর জীবনযাপন করছি।

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে সকালে স্থানীয় ইউপি সদস্য মুহাম্মদ মানিক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।

তিনি বলেন, আগুনে পরিবারটির ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। তারা খুবই অসহায় অবস্থায় রয়েছে। ব্যক্তিগতভাবে কিছু সহযোগিতা করেছি। চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকেও সহায়তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

স্থানীয়দের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারটির পুনর্বাসনে সরকারি ও বেসরকারি সহায়তা জরুরি হয়ে পড়েছে।

পেকুয়ায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে হামলায় আহত ৮

পেকুয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে দিনমজুরের বসতঘর পুড়ে ছাই

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের মুন্সি মোড়া এলাকায় জমি বিরোধকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের হামলায় নারীসহ অন্তত ৮ জন আহত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সোমবার ১ (জুন) সকাল ৭ টার দিকে উপজেলার শিলখালী ইউনিয়নের মুন্সি মোড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় মৃত ফকির মিয়ার ছেলে নেজাম উদ্দিন বাদি হয়ে একই এলাকার মৃত আব্দু জব্বারের পুত্র ছমি উদ্দিন, শামসুল আলমের পুত্র আলী, মোক্তার আহমদের পুত্র সেলিম, ছমি উদ্দিনের পুত্র আব্দু রজ্জাক, সেলিমের পুত্র নাহিদুল ইসলাম, লাকী আক্তার ও সুমি আক্তারকে বিবাদী করে পেকুয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ সুত্রে জানা, পূর্ব বিরোধের জের ধরে প্রতিপক্ষের লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে তাদের ভোগদখলীয় জমিতে প্রবেশ করে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় প্রতিপক্ষের সদস্যরা দেশীয় অস্ত্র ও লোহার রড নিয়ে নেছার উদ্দিন, তার পরিবারের সদস্য এবং স্বজনদের ওপর আক্রমণ চালায়। এতে নেছার উদ্দিনসহ নারী ও শিশুসহ মোট ৮ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় আহতদের মধ্যে কয়েকজনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে গুরুতর জখম হয়েছে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পাশাপাশি হামলাকারীরা বাড়িঘরে ভাঙচুর ও নগদ অর্থসহ মূল্যবান মালামালের ক্ষতিসাধন করেছে বলেও দাবি করেছেন অভিযোগকারী।

নেজাম উদ্দিন অভিযোগে আরও উল্লেখ করেন, জমিটি নিয়ে পূর্বে স্থানীয়ভাবে সালিশ বৈঠক হলেও প্রতিপক্ষ তা অমান্য করে পুনরায় জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চালায়। ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
তবে অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্তদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

দেশবাসীকে পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শুভেচ্ছা জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

পেকুয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে দিনমজুরের বসতঘর পুড়ে ছাই

 

ঢাকা (২৭ মে, ২০২৬ খ্রি.):

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ পবিত্র ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষ্যে নিজ নির্বাচনী এলাকা কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসন সহ সমগ্র দেশবাসীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন।

শুভেচ্ছা বার্তায় মন্ত্রী বলেন, পবিত্র ঈদ-উল-আযহা আমাদের ত্যাগ, সংযম, আত্মশুদ্ধি, সহমর্মিতা, ভ্রাতৃত্ববোধ ও মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের সুমহান শিক্ষা দেয়। একইসঙ্গে ব্যক্তিজীবন, সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনায় নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং মানবকল্যাণে আত্মনিয়োগের প্রেরণা জোগায়। তিনি বলেন, ঈদের আনন্দ তখনই পরিপূর্ণতা লাভ করে যখন সমাজের সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ সেই আনন্দে সমভাবে অংশ নিতে পারে। পবিত্র ঈদ উল আযহা উপলক্ষ্যে তিনি বিত্তশালী ও সামর্থ্যবানদের প্রতি সমাজের অসহায়, দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, নিরাপদ, আনন্দঘন ও উৎসবমুখর পরিবেশে ঈদ উদযাপনে প্রশাসন, পুলিশ সহ সরকারের বিভিন্ন সংস্থা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি পরিচ্ছন্নতা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিবেশবান্ধব উপায়ে কোরবানি সম্পন্ন করার জন্য দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানান।

মন্ত্রী আরো বলেন, শান্তি, সৌহার্দ্য ও সম্প্রীতির বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে একটি বৈষম্যহীন ও নিরাপদ বাংলাদেশ গঠনে আমাদের সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। পবিত্র ঈদ-উল-আযহার শিক্ষা আমাদের সবার জীবনে বয়ে আনুক অনাবিল সুখ, শান্তি, সমৃদ্ধি ও কল্যাণ। তিনি দেশবাসীর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মঙ্গল কামনা করেন এবং সবাই যেন নিরাপদ ও আনন্দঘন পরিবেশে ঈদ উদযাপন করতে পারে- সে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

চলছিল টার্গেট ডাকাতি

চকরিয়ায় পুলিশের অভিযানে অস্ত্রসহ ৫ ডাকাত গ্রেপ্তার

পেকুয়ায় বিদ্যুতের শর্ট সার্কিটে দিনমজুরের বসতঘর পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিবেদক চকরিয়া
কক্সবাজারের চকরিয়ায় ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দেশীয় অস্ত্র ও একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশাসহ সংঘবদ্ধ স্বশস্ত্র পাঁচ ডাকাতকে গ্রেফতার করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ।

সোমবার (২৫ মে) রাত সাড়ে ৭টার দিকে চকরিয়া পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের হালকাকারা এলাকার চকরিয়া-বেতুয়া বাজার সড়কের আমান্যার চর ব্রিজ সংলগ্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন- আইয়ুব আলী (৪২), ইব্রাহিম সোহেল (২৭), আবু হানিফ (২৯), সাইফুল ইসলাম (২০) ও নাজিম উদ্দিন (৪৮)।

মঙ্গলবার বিকেলে এসব তথ্য নিশ্চিত করে চকরিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মনির হোসেন বলেন, ডাকাতির প্রস্তুতির খবর পেয়ে পুলিশি অভিযানে ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশা, একটি কোড়াবাড়ি, একটি লোহার খন্তি, একটি ধারালো ছোরা ও একটি ধারালো দা উদ্ধার করা হয়।

তিনি গোপন তথ্য ও প্রযুক্তিগত সহায়তায় পুলিশ জানতে পারে- আমান্যার চর ব্রিজ এলাকায় একদল ডাকাত সংঘবদ্ধ হয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নিচ্ছে। পরে সেখানে অভিযান চালানো হলে ডাকাত দলের সদস্যরা পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এসময় ধাওয়া দিয়ে একটি সিএনজিসহ পাঁচজনকে আটক করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে ওই সড়কে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীদের টার্গেট করে ডাকাতি করে আসছিল বলে স্বীকার করেছে বলে দাবি পুলিশের।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩৯৯/৪০২ ধারায় চকরিয়া থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন ওসি মো. মনির হোসেন।

তিনি অবগত করেন, “চকরিয়া থানা এলাকায় ডাকাতি ও বিভিন্ন অপরাধ দমনে পুলিশের বিশেষ অভিযান অব্যাহত থাকবে। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কক্সবাজার জেলা পুলিশ পেশাদারিত্বের সঙ্গে কাজ করছে।”