| ২৫ মে ২০২৬

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

পেকুয়া পৌরসভা ঘোষণায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

পেকুয়া পৌরসভা ঘোষণায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ
পেকুয়া পৌরসভা ঘোষণায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

এম আবদুল্লাহ আনসারী পেকুয়া(কক্সবাজার)প্রতিনিধি:
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়ন থেকে পৌরসভা সৃজন করায় এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রবিবার বিকেলে পেকুয়া শহিদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ মাঠ থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি পেকুয়া বাজারের পশ্চিম প্রান্তে গিয়ে শেষ হয়। দুপুর থেকে নারী পুরুষ আবাল বৃদ্ধ বনিতা শোভাযাত্রায় আসতে শুরু করে বিকেলে শোভা যাত্রা শুরু হলে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে ছিলো মানুষের উপস্থিতি।

কারো হাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পেস্টুন আবার কারো হাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্লেকার্ড। মিছিলে রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ ছফওয়ানুল করিম।

এসময় ছফওয়ানুল করিম বলেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে তার প্রমাণ পেকুয়াকে পৌরসভা ঘোষণা। মাতামুহুরীকে উপজেলা ঘোষণা।
তিনি আরো বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ কথা দিলে কথা রাখেন সেটা সবসময় প্রমাণিত। এই পৌরসভা গঠনের মধ্য দিয়ে পেকুয়ার মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন হবে। তিনি পেকুয়াকে পৌরসভায় উন্নীত করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা ইউসুফ রুবেলসহ আরো অনেকে।

জানা যায়, গত ১৭ মে পেকুয়া সদর ইউনিয়নকে পেকুয়া পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
এই পৌরসভা ঘোষণায় পেকুয়াবাসীর মাঝে আনন্দের শেষ নেই।।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ

পেকুয়া পৌরসভা ঘোষণায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

পেকুয়া পৌরসভা ঘোষণায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার পেকুয়া সদর ইউনিয়ন থেকে পৌরসভা সৃজন করায় এক বর্ণাঢ্য আনন্দ শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রবিবার বিকেলে পেকুয়া শহিদ জিয়াউর রহমান উপকূলীয় কলেজ মাঠ থেকে শুরু হয়ে শোভাযাত্রাটি পেকুয়া বাজারের পশ্চিম প্রান্তে গিয়ে শেষ হয়। দুপুর থেকে নারী পুরুষ আবাল বৃদ্ধ বনিতা শোভাযাত্রায় আসতে শুরু করে বিকেলে শোভা যাত্রা শুরু হলে কয়েক কিলোমিটার জুড়ে ছিলো মানুষের উপস্থিতি।

কারো হাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে পেস্টুন আবার কারো হাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্লেকার্ড। মিছিলে রাজনৈতিক সামাজিক সাংস্কৃতিক শ্রেণি পেশার মানুষ অংশ নেন। শোভাযাত্রা শেষে সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন পেকুয়া প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মোঃ ছফওয়ানুল করিম।

এসময় ছফওয়ানুল করিম বলেন, মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে তার প্রমাণ পেকুয়াকে পৌরসভা ঘোষণা। মাতামুহুরীকে উপজেলা ঘোষণা।
তিনি আরো বলেন, সালাহউদ্দিন আহমদ কথা দিলে কথা রাখেন সেটা সবসময় প্রমাণিত। এই পৌরসভা গঠনের মধ্য দিয়ে পেকুয়ার মানুষের জীবনমানের পরিবর্তন হবে। তিনি পেকুয়াকে পৌরসভায় উন্নীত করায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

আলোচনা সভায় আরো বক্তব্য রাখেন, বিএনপি নেতা ইউসুফ রুবেলসহ আরো অনেকে।

জানা যায়, গত ১৭ মে পেকুয়া সদর ইউনিয়নকে পেকুয়া পৌরসভা হিসেবে ঘোষণা করে প্রজ্ঞাপন জারি করে স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।
এই পৌরসভা ঘোষণায় পেকুয়াবাসীর মাঝে আনন্দের শেষ নেই।।

মাতারবাড়ী বন্দর সংযোগ সড়ক নির্মাণে জনসম্পৃক্ততা বাড়াতে সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সঙ্গে চকরিয়ায় মতবিনিময় সভা

পেকুয়া পৌরসভা ঘোষণায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

মনিরুল আমিন.চকরিয়া
কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর সংযোগ সড়ক প্রকল্পকে ঘিরে স্থানীয় উন্নয়ন,জনসম্পৃক্ততা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক,সুশীল সমাজের প্রতিনিধি এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অংশ নেন।

বৃহস্পতিবার (২১ মে) সকাল ১১টায় ফাঁসিয়াখালী মহাসড়ক সংলগ্ন ম্যাক্স প্রকল্প কার্যালয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ম্যাক্স অ্যান্ড টোকিও কনস্ট্রাকশনের উদ্যোগে এ সভার আয়োজন করা হয়। একই সঙ্গে জাইকার অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর সংযোগ সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের কার্যক্রমও আনুষ্ঠানিকভাবে তুলে ধরা হয়।

চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহীন দেলোয়ারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় সঞ্চালনা করেন সাবেক উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম ভুট্টো। অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ম্যাক্স প্রকল্পের ম্যানেজার আহমেদ সুফি। তিনি প্রকল্পের অগ্রগতি, বাস্তবায়ন পরিকল্পনা এবং স্থানীয় জনগণের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন উদ্যোগের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

সভায় বক্তব্য দেন চকরিয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) রূপায়ন দেব,চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন,চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হক,সাধারণ সম্পাদক এম. মোবারক আলী, মাতামুহুরী উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী,চকরিয়া পৌরসভা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম. আব্দুর রহিম,চকরিয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট ওমর আলী, হেফাজতুর রহমান চৌধুরী টিপুসহ স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

এছাড়াও সাংবাদিক এম.আর. মাহমুদসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী,জনপ্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য এবং শতাধিক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন,মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করবে। এই বন্দরের সঙ্গে দেশের প্রধান সড়ক নেটওয়ার্কের কার্যকর সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্যে নির্মিতব্য পোর্ট এক্সেস রোড দেশের বাণিজ্য ও পরিবহন খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে। তারা প্রকল্পের সফল বাস্তবায়নে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা, প্রশাসনের সমন্বয় এবং গণমাধ্যমের ইতিবাচক ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় জানানো হয়,প্রায় ২৭ দশমিক ২ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনবিশিষ্ট চকরিয়া-মাতারবাড়ী বন্দর সংযোগ সড়কটি মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দরকে সরাসরি ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক (এন-১)-এর সঙ্গে যুক্ত করবে। জাইকার সহায়তায় বাস্তবায়িত এই মেগা প্রকল্প সম্পন্ন হলে পণ্য পরিবহন আরও দ্রুত, নিরাপদ ও ব্যয়-সাশ্রয়ী হবে। পাশাপাশি চকরিয়া, মহেশখালী ও আশপাশের এলাকার শিল্প, বাণিজ্য,পর্যটন এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সাংবাদিক ও স্থানীয় নেতৃবৃন্দ প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে মতামত ও পরামর্শ তুলে ধরেন। তারা উন্নয়ন কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় জনগণের স্বার্থ সংরক্ষণ, পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা এবং জনদুর্ভোগ কমানোর বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেন।

অনুষ্ঠানের শেষে প্রকল্প সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ সম্পন্ন করতে স্থানীয় জনগণ,সাংবাদিক ও প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ ও প্রাণবন্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভা মাতারবাড়ী বন্দর সংযোগ সড়ক প্রকল্প বাস্তবায়নে স্থানীয় অংশীজনদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও আস্থার নতুন বার্তা পৌঁছে দেয়।

কোনাখালীতে ব্রিজ নির্মাণে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ

পেকুয়া পৌরসভা ঘোষণায় আনন্দ শোভাযাত্রায় মানুষের ঢল

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজার জেলার মাতামুহুরী উপজেলার কোণাখালী ইউনিয়নের লতাবুনিয়া পাড়া কিল্লা সংযোগ ব্রীজ নির্মাণ কাজে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে অনিয়ম ও শ্রমিকে মজুরী না দেয়ার অভিযোগ পাওয়াগেছে।
শ্রমিকের পাওনা টাকা না দিয়ে উল্টো পাওনাদার সহ বিএনপি নেতাকর্মীদের কুৎসা রটনা করার গুরুতর অভিযোগও ওঠেছে ঠিকাদরের বিরুদ্ধে।
চকরিয়া পিআইও অধিদপ্তরের ৪২ লক্ষ টাকার বাজেটের এই ব্রীজ নির্মানের দায়িত্ব প্রাপ্ত ঠিকাদার চকরিয়ার জাকের আহমদ বাবুলে বিরুদ্ধে গতকাল ২২ মে অতি নিম্নমানের মনগড়া কাজ করার অভিযোগে স্থানীয় শত শত লোক বিক্ষোভ করেছেন।

কোনাখালীর লতাবুনিয়ার সাইফুল আলমের ছেলে বদিউল আলম বলেন, ৩ মাস পাহারাদারের চাকুরী করলে ২০ দিনের বেতন ১২৬০০/ টাকা, পাম্প মেশিনের বকেয়া ৭৫০০/টাকা
ডেলি লেবার (নাইট) ২ জনের ২ হাজার টাকা।
মেশিন মেরামত বাবদ ২২৫০/ না দিয়ে মালামাল নিয়ে চলে যেতে চাইলে পাওনাদাররা টাকা খুজতে গেলে ঠিকাদার ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইউনুসের কাছে গিয়ে লেবার বেতন নিয়ে লহিসাব করবে বলেন সবাইকে সেখানে যেতে বলেন। পরে ঠিকাদার ইউনুসের কাছে না গিয়ে সাইটের মালামাল নিয়ে ভিন্ন পথে চলে যাচ্ছে শুনে সবাই গিয়ে আটকায়। তখন ঠিকাদার ও তার ছেলে শরীপ আমাদের সাথে দস্তাদস্তি শুরু করলে স্থানীয় লোকজন জড়ো হতে দেখে মটর সাইকেল ও একটি মোবাইল ফেলে চলে যায়। পরে আমারা মটর সাইকেল ও মোবাইল ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুলকালাম, সদস্য সচিব ইউনুচের কাছে হস্তান্তর করি। কোনাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুল কালাম বলেন, সদস্য সচিব ইউনুস স্থানীয় বিএনপি
ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মাতামুহুরি পুলিশ ফাঁড়ির এস আই হাঙ্গেরি ঠিকাদারের বেয়াই কালু মেম্বারকে ওই মটর সাইকেল মোবাইল হস্তান্তর করি।
এসময় টাকা নেয়া চাদা দাবী করার কোন কথা উল্লেখ করেনি। ওই ঠিকাদার
টিটএন এ মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে থানায় অভিযোগ দায়েরের কথা বলে বিএনপির নেতা কর্মীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করেছে।
মটর সাইকেল ও মোবাইল গ্রহণকারী কালু মেম্বারের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঠিকাদার তার ছেলের শ্বাশুড় হিসেবে উপস্থিত হয়ে মটর সাইকেল ও মোবাইল গ্রহণ করে ফেরত দিয়েছি। সে সময় আরেকটি মোবাইলের কথা বলেছে কোন টাকার কথাও বলেনি, চাঁদাবাজির কথাও বলেনি। এটা ভূল বুঝাবুঝি বলে দূঃখ প্রকাশ করেন।
স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেন বিনা কারণে লেবারের টাকা না দিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার করে বিএনপির নেতা কর্মীদের বিতর্কিত করা এ ঠিকাদারের শাস্তি দাবী করেন।
কয়েকশ স্থানীয় লোকজন জানান ব্রীজটি খুবই নিম্নমানের নির্মাণ কাজ করেছে। মানুষের চলাচলের রাস্তা কেটে ডাইভারশন করেছে।
নরম কাদা মাঠির ওপর বালি ছিটিয়ে ইট বসিয়েছে যা মানুষ হাটঁতে গিয়ে ধেবে যাচ্ছে এ অভিযোগ করায় ঠিকাদার তাদের ধম্ব করে বলে তার বাড়ী চকরিয়ায় ইচ্ছে মত কাজ করবে কেউ তার কিছুই করতে পারবেনা।
কোণাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব ইউনুস বলেন লেবারের সাথে সৃষ্ট ঘটনায় অকারণে তার ও কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার করায় তারা বিস্মিত। ওই ঠিকাদার বাইট্টা জাফরের বডিগার্ড গিসেবে পরিচিত পরিকল্পিত ভাবে বিএনপিকে বিতর্কিত করতে ও তার নির্বাচনী প্রতিদ্বন্দ্বীদের সাথে আতাত করে ষড়যন্ত্র করছে। এ ঠিকাদারকে বিচারের আওতায় আনতে। তার অনিয়মের ব্যপারে উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার পিআইও তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবীও জানানো হয়।