| ১৩ মে ২০২৬

পেকুয়ার মগনামায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে লুটপাটের অভিযোগ

পেকুয়ার মগনামায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে লুটপাটের অভিযোগ

এইচ, এম শহীদুল ইসলাম

কক্সবাজারে পেকুয়ার মগনামায় গভীর রাতে এক ব্যবসায়ীর বসতঘরে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা সংঘটিত হয়েছে।
আজ ১১ মে সোমবার দিবাগত প্রায় রাত ১২টার দিকে মগনামা ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড পশ্চিমকূল এলাকায় এই নৃশংসতার শিকার হয়েছেন মগনামা লঞ্চ ঘাট স্টেশনের ব্যবসায়ী আবুল কালাম ও তাঁর স্ত্রী শাহীন সোলতানা।
আহত ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন- বেশ কয়েকমাস ধরেই আমার পরিবারের ভাইদের সাথে জমিজমাসংক্রান্ত বিরোধ চলে আসছে। আমি সহ আমার পরিবারের উপর হামলা ও হুমকি নির্যাতন করে আসিতেছে নিজ ও পরিবারের নিরাপত্তার জন্য আইনি সহায়তায় আমি গত জানুয়ারি মাসে পেকুয়া থানায় একটি সাধারণ জিডি লিপিবদ্ধ করি যার নং ১৪৬৪ , উক্ত জিডি ও বিভিন্ন বিচার সালিশী কে কোন তোয়াক্কা না করে আজ দিবাগত প্রায় রাত ১২টার দিকে আমি লঞ্চ ঘাট নিজ দোকানের হিসাবনিকাশ শেষ করে দোকান বন্ধ করে রাতে বাড়িতে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র দা, কিরিচ, চুরি লাঠিসোঁটা নিয়ে ইলিয়াছ, আব্বাস, আবদুল্লাহ ও আমির হোসেন সহ বেশ কয়েকজন আমার বাড়িতে ঢুকে আমাকে মারধর করলে আমার স্ত্রী শাহীন সোলতানা এগিয়ে এসে আমাকে উদ্ধার করতে চাইলে তাঁকে ও মারধর শ্লীলতাহানি করে । আমাকে ধারালো কিরিচ দিয়ে মাথায় কুপিয়ে জখম করে ও আমার স্ত্রীকে গুরুতরভাবে আহত করে। আহত আবুল কালাম আরো বলেন, দোকানের ব্যবসার ও বিভিন্ন জনের আমানতের ২ লক্ষ ৫০ হাজ্জার টাকা ও মোবাইল লুটপাট করে নিয়ে যায়। আহত ব্যবসায়ীর স্ত্রী বলেন এলাকার স্থানীয়রা এগিয়ে না আসলে আমার স্বামী আবুল কালামকে হত্যা করে ফেলত । প্রতিবেশীরা এসে আমাদেরকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান।
আহত ব্যবসায়ী আবুল কালামের আত্মীয় স্বজনরা জানান, যারা গভীর রাতে এই নৃশংসতার ঘটনা ঘটিয়েছে তাঁরা মানুষ হতে পারেনা , তাঁরা মাস্তান, সন্ত্রাসী ও লুটপাট এবং রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

চকরিয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি এনামুল হকের বিবৃতি 

কোন নাগরিককে অধিকার বঞ্চিত করা হলেআমলা প্রশাসন কাউকে ছাড়দেয়া হবেনা

পেকুয়ার মগনামায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে লুটপাটের অভিযোগ

 

পেইচবুক ওয়াল থেকে

আসসালামু আলাইকুম।

প্রিয় চকরিয়া ও কক্সবাজারবাসী,

আমি এনামুল হক,
সভাপতি, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি।

গত ১০/০৫/২০২৬ ইং, রোজ রবিবার, আজিজনগর চেয়ারম্যান লেক এ চকরিয়া উপজেলা বিএনপি, পেকুয়া উপজেলা বিএনপি. পৌরসভার বিএনপি ও মাতামুহুরী সাংগঠনিক উপজেলা বিএনপির উদ্যোগে একটি পিকনিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে সকল সিনিয়র নেতৃত্ববৃন্দ, বিভিন্ন ইউনিয়ন বিএনপির সম্মানিত নেতৃবৃন্দ এবং তৃণমূলের অসংখ্য নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

আমি স্পষ্টভাবে বলতে চাই জনগণের বিরুদ্ধে কোনো আমলা বা প্রশাসনের কেউ যদি দায়িত্বহীন আচরণ করে, বিধি মোতাবেক জনগণকে সহযোগিতা না করে কিংবা সাধারণ মানুষকে হয়রানির শিকার করে, তাহলে জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে জনগণের পক্ষ থেকে সতর্কবার্তা দেওয়া কোনো অন্যায় নয়।

দুঃখজনক হলেও সত্য, একটি কুচক্রী মহল আমার বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিকৃত করার অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছে। আধুনিক প্রযুক্তি ও এআই ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর ভিডিও তৈরি করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে। অথচ যারা প্রতিনিয়ত রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী উসকানিমূলক বক্তব্য দিয়ে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে, তাদের ব্যাপারে এসব মহলের কোনো বক্তব্য বা নেতিবাচক সংবাদ দেখা যায় না।

গত ১৭ বছরে প্রশাসনের কিছু অসাধু চক্রের মাধ্যমে সাধারণ জনগণকে অবমূল্যায়ন ও হয়রানির যে সংস্কৃতি চালু হয়েছিল, চকরিয়ার সচেতন জনগণ সেই অন্যায় ও বৈষম্যমূলক আচরণ আর মেনে নেবে না। জনগণের অধিকার, সম্মান ও ন্যায্য দাবির পক্ষে থেকেই আমার বক্তব্য প্রদান করা হয়েছে।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) জনগণের দল। বিএনপি জনগণের ভোট ও ভালোবাসার শক্তিতে রাজনীতি করে। তাই জনগণের অধিকার রক্ষায় বিএনপি সবসময় সোচ্চার থাকবে এবং জনগণের পক্ষে কথা বলবে।

আমার বক্তব্যকে ইচ্ছাকৃতভাবে ভুলভাবে উপস্থাপন করে একটি মহল রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে। চকরিয়ায় জননেতা সালাহউদ্দিন আহমদ-এর নেতৃত্বে বিএনপির শক্তিশালী অবস্থানে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত হয়ে বিরোধী অপশক্তি এখন মিথ্যাচার, অপপ্রচার ও নোংরা রাজনীতির আশ্রয় নিয়েছে।

পরিশেষে বলতে চাই, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি এবং আপামর জনসাধারণ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ-এর রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত ও নেতৃত্বের প্রতি আস্থাশীল।

আমি এনামুল হক, সভাপতি, চকরিয়া উপজেলা বিএনপি জনগণই আমার শক্তি, জনগণই আমার বিশ্বাস ও আস্থা।

বিএনপির সরকার কারো দয়ায় ক্ষমতায় আসেনি , জনগণের ভোটে ক্ষমতায় এসেছে। তাই জনগণের পক্ষে বিএনপি কথা বলবে।

ইনশাআল্লাহ, চকরিয়ার মাটিতে কোনো পরাজিত অপশক্তি, ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠী কিংবা গুপ্ত রাজনীতির নোংরা চক্রান্ত সফল হবে না।

মহেশখালীতে ইউনুচখালীতে শিক্ষার্থীদের সাথে পুলিশের মাদক-জুয়া ও ইভটিজিং প্রতিরোধে সমাবেশ

পেকুয়ার মগনামায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে লুটপাটের অভিযোগ

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের আইসি মোশারফ হোসাইন বলেন, “সমাজকে মাদক-জুয়া, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাখতে আমরা কাজ করে যাবো। ”তিনি জানান, কালারমারছড়া এলাকাকে অপরাধ, মাদক, ইভটিজিং ও চাঁদাবাজিমুক্ত রাখতে জীবন বাজি রেখে কাজ করবেন এবং প্রতিটি এলাকায় সচেতনতামূলক সমাবেশ আয়োজন করা হবে।
১২ মে ( মঙ্গলবার) দুপুর ২ টায় মহেশখালী উপজেলার কালারমারছড়ায় ইউনুচখালী নাছির উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের হল রুমে আয়োজিত সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ইভটিজিং ও মাদক প্রতিরোধে জনসচেতনতামূলক সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
অনুষ্টানের সভাপতি মহেশখালী অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের সাধারণ সম্পাদক হোবাইব সজীব বলেছেন, মাদক ও ইভটিজিং বর্তমানে সমাজের সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কালারমারছড়া ইউনিয়নের সবখানেই মাদকের ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি পুলিশের অভিযান দাবী করেন।
মহেশখালী থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুস সোলতানের দিকনির্দেশনায় কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের আয়োজনে মহেশখালী অনলাইন প্রেসক্লাব,কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরাম ও মহেশখালীতে কর্মরত সাংবাদিকদের সার্বিক সহযোগিতায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহেশখালী অনলাইন প্রেসক্লাবের সভাপতি হোবাইব সজীব।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, কালারমারছড়া পুলিশ ক্যাম্পের এএস আই মোহাম্মদ হানিফ, ইউনুচখালী নাছির উদ্দীন উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের সহকারী প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আব্দুল হাদী,মাস্টার শামসুল আলম প্রমূখ।
মহেশখালী প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও কক্সবাজার উপকূলীয় সাংবাদিক ফোরামের যুগ্ম সম্পাদক ফরিদুল আলম দেওয়ানের পরিচালনায় সভায় অন্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন, সাংবাদিক ইয়াছিন আরাফাত অনিক, রায়হান নিশান, শাহাদাত আলী প্রমূখ। এসময় স্কুলের বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

চকরিয়ায় গভীর রাতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি,নগদ অর্থ ও স্বর্ণালঙ্কার লুট

পেকুয়ার মগনামায় ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে লুটপাটের অভিযোগ

 

মনিরুল আমিন.চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নে গভীর রাতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের হানা দেওয়ার ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক ৩ টার দিকে ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ড, মাঝেরপাড়া এলাকায় এ দুর্ধর্ষ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মানিক পরিবারের উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন,চকরিয়া সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সাবেক বিভাগীয় প্রধান মরহুম প্রফেসর আবু তাহের সিকদারের বাড়িতে একদল ডাকাত হানা দেয়। তারা প্রথমে বাড়ির কলাপসিবল গেইটের তালা কেটে ভেতরে প্রবেশ করে। এরপর বাড়ির সদস্য কামরুল সিকদারকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে হাত-পা ও মুখ বেঁধে ফেলে।

এসময় ডাকাত দল কামরুল সিকদারের স্ত্রী ও মাকে জিম্মি করে আলমারির চাবি ছিনিয়ে নেয়। ডাকাতরা আলমারি ভেঙে নগদ ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা এবং প্রায় সাড়ে ৭ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট করে নিয়ে যায়। ঘটনার পর ভুক্তভোগী কামরুল সিকদার জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ কল করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে প্রাথমিক তদন্ত সম্পন্ন করে।

এদিকে,লক্ষ্যারচর এলাকায় সাম্প্রতিক সময়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চরম অবনতিতে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, অলিগলিতে মাদক ব্যবসা ও সেবন বৃদ্ধি পাওয়ায় অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়েছে।

এর আগে,বিশ্বরোড এলাকায় দুই নারী যাত্রীর কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এছাড়া বানিয়ারকুম এলাকায় বিএনপি নেতাসহ কয়েকজন পথচারীকেও দীর্ঘ সময় জিম্মি করে ডাকাতির শিকার হতে হয়েছে বলে জানা গেছে।

এসব ঘটনায় স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী এলাকাবাসী। একের পর এক ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনায় জনমনে নিরাপত্তাহীনতা তৈরি হয়েছে। দ্রুত অপরাধীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং এলাকায় নিয়মিত টহল জোরদারের জোর দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন,তদন্ত চলছে এবং জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।