| ১১ মে ২০২৬

চকরিয়ায় গর্তে পড়ে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

চকরিয়ায় গর্তে পড়ে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

 

মনিরুল আমিন চকরিয়া 

কক্সবাজরের চকরিয়ায় বাড়ির উঠানের পানি ভর্তি গর্তে পড়ে মোহাম্মদ নোমান ও জান্নাতুল ফেরদৌস নামের দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৮ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নে এই ঘটনা ঘটে।

নিহত শিশু মোহাম্মদ নোমান উপজেলার সাহারবিল ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ পাড়ার আবদুল মাবুদের ছেলে ও একই এলাকার বেলাল উদ্দিনের শিশু মেয়ে জান্নাতুল ফেরদৌস। তাদের উভয়ের বয়স পাঁচ বছর ।

নিহত শিশু নোমানের দাদা নুরুচ্ছফা বলেন,গত কয়েকদিন আগে বাড়ির পাশে উঠান থেকে মাটি কাটা হয়। এতে বড় এক গর্তের সৃষ্টি হয়। এই গর্তে পানি জমে ছোট্ট পুকুরের মতো সৃষ্টি হয়েছে।

তিনি বলেন,বৃহস্পতিবার দুপুর ৩ টার দিকে নোমান ও জান্নাতুল ফোরদৌস ওই গর্তের পাশে খেলা করছিলো। খেলার চলে হঠাৎ করে দুইজন ওই পানি ভর্তি গর্তে পড়ে যায়। দূর থেকে ঘটনাটি কন্যা শিশু জন্নাতুল ফেরদৌসের মা দেখতে পেয়ে স্থানীয়দের সহায়তায় তাদের উদ্ধার করে।

পরে তাদের দুজনকে উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতাল নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের মৃত ঘোষনা করেন।

স্থানীয় ইউপি সদস্য আজিজুল হক প্রকাশ সোনা মিয়া ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,ঘটনাটি শোনার পরপর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি চকরিয়া থানার ওসিকে জানানো হয়েছে। দুই শিশু পানি ভর্তি গর্তে পড়ে মারা যাওয়ার ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। তাদের দাফনের প্রস্ততি চলছে।

চকরিয়ায় একাধিক মামলার আসামী সেলিম গ্রেফতার

চকরিয়ায় গর্তে পড়ে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

মনিরুল আমিন. চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ায় হত্যা,ডাকাতিসহ একাধিক মামলার আসামী মো: সেলিম নামে এক যুবককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

শনিবার (১০ মার্চ) দিবাগত রাতে ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট রিজার্ভ পাড়া নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। আটককৃত সেলিম ওই এলাকার নুরুক আজিমের ছেলে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে,গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চকরিয়া থানার একটি বিশেষ টিম আজ ডুলাহাজারা ইউনিয়নের মালুমঘাট রিজার্ভ পাড়া এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। এসময় সেলিমকে আটক করতে সক্ষম হয় পুলিশ সদস্যরা।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন,আটককৃত যুবকের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে এলাকায় সন্ত্রাসী কার্যক্রমে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

চলন্ত দুবাস চালকের আলাপ চেষ্টায় মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-৪

চকরিয়ায় গর্তে পড়ে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া এলাকায় যাত্রীবাহী মারসা পরিবহণের দুটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটনায় চারজন নিহতের খবর পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আরও অন্তত ১৫ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। চলন্ত অবস্থায় দুই বাসের চালকের নিজেদের মধ্যে কথা বলার চেষ্টা করা কালে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানা যায়।
শনিবার (৯ মে) বেলা ১১টার দিকে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি ইউনিয়নের হোটেল ফোর সিজনের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যেক্ষদর্শীর দেওয়া তথ্যমতে, কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামগামী এবং চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারগামী মারছা পরিবহনের দুটি বাস ওই এলাকায় পৌঁছালে চলন্ত অবস্থায় দুই চালক একে অপরের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেন। এ সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাস দুটির মধ্যে সংঘর্ষ হয় এবং রাস্তার দুপাশে থাকা গাছের সঙ্গে সজোরে ধাক্কা খায়। এতে ঘটনাস্থলেই এক নারী যাত্রী প্রাণ হারান। সংঘর্ষে বাস দুটির সামনের অংশ দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় লোকজন উদ্ধার অভিযান চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে এক নারীর লাশ উদ্ধার করেন। গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে উপজেলার বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। পরে লোহাগাড়া ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসাধীন আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ইনচার্জ ফিরোজ খান জানান, খবর পেয়ে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে বাসের ভেতর ও নিচে আটকে পড়া ১০ জনের বেশি যাত্রীকে উদ্ধার করেন। উদ্ধার হওয়া যাত্রীদের মধ্যে ৫ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। তাদের অনেকের হাত কিংবা পা কেটে গেছে। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত পদুয়া ট্রমা সেন্টারে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
দোহাজারী হাইওয়ে থানার ওসি সালাহ উদ্দীন চৌধুরী জানান, আইনি প্রক্রিয়া শেষে নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

চকরিয়ায় গর্তে পড়ে দুই শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু

পেকুয়ায় যানজট নিরসনে যুবদল আহবায়ক মুকুটের রুটিন ওয়ার্ক

  1. নিজস্ব প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্য কেন্দ্র, আলহাজ্ব কবির আহমদ চৌধুরী বাজারে দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে মাঠে নেমেছেন পেকুয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট। এ যানজট নিরসনে নিয়মিত রুটিন ওয়ার্ক করে যাচ্ছেন যুবনেতা মুকুট।

স্থানীয় জনগণের ভোগান্তি লাঘব এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে তিনি একাধিক উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে।
সাম্প্রতিক সময়ে পেকুয়ার প্রধান সড়কগুলোতে যানজট মারাত্মক আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে বাজার এলাকা, স্কুল-কলেজ সংলগ্ন সড়ক এবং গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে প্রতিদিনই সৃষ্টি হচ্ছে দীর্ঘ যানজট, যার ফলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষ এবং রোগী পরিবহনে এই যানজট বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে।
এ অবস্থায় যুবদল আহবায়ক নিজ উদ্যোগে স্থানীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে বাজারের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত পরিদর্শন করেন এবং যানজটের মূল কারণ চিহ্নিত করার চেষ্টা করেন। তিনি বলেন, “যানজট শুধু একটি সাময়িক সমস্যা নয়, এটি এখন জনদুর্ভোগের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি।”
তিনি আরও জানান, অবৈধ পার্কিং, ফুটপাত দখল, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের অনিয়ন্ত্রিত চলাচলই মূলত এই সমস্যার জন্য দায়ী। এসব নিয়ন্ত্রণে স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করার আশ্বাস দেন তিনি।
যুবদল আহবায়কের নেতৃত্বে ইতোমধ্যে সচেতনতামূলক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে চালক ও পথচারীদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফুটপাত দখল মুক্ত এবং মাইকিং করা হয়েছে। পাশাপাশি, গুরুত্বপূর্ণ স্থানে স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ দিয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের উদ্যোগও নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন। তারা আশা প্রকাশ করেছেন, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলোর সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পেকুয়ার যানজট সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে।
এ বিষয়ে যুবদল আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট বলেন বলেন, আমরা চাই পেকুয়া একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য এলাকায় পরিণত হোক। যানজট নিরসনে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। জনগণের স্বার্থেই আমরা মাঠে নেমেছি এবং এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে। সেই সাথে মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের নির্দেশে পেকুয়া বাজারের অতিরিক্ত ইজারা বন্ধ করা হয়েছে। যাতে সাধারণ মানুষদের ভোগান্তি পোহাতে না হয়।