| ২৯ জুন ২০২৬

মানতে হবে ১২ নির্দেশনা

১নভেম্বর থেকে দৈনিক দুহাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন যেতে পারবে

১নভেম্বর থেকে দৈনিক দুহাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন যেতে পারবে

দীর্ঘ ৯ মাস পর আগামী ১ নভেম্বর থেকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপ ভ্রমণে যেতে পারবেন পর্যটকরা। প্রতিদিন সর্বোচ্চ দুই হাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিনে যাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে পর্যটকদের মানতে হবে সরকারের ১২টি নির্দেশনা। কক্সবাজার শহরের নুনিয়ারছড়ার অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ঘাট থেকে সেন্ট মার্টিনে যাবে পর্যটকবাহী জাহাজ।
আইনগত বিধি-নিষেধ থাকায় উখিয়ার ইনানী থেকে সেন্ট মার্টিন যাওয়ার সুযোগ নেই।
এদিকে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের অনন্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পরিবেশ, প্রতিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় ভ্রমণের ক্ষেত্রে সরকার গত ২২ অক্টোবর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় এসংক্রান্ত ১২টি নির্দেশনা দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন ছাড়া সেন্ট মার্টিন দ্বীপে কোনো নৌযান চলাচলের অনুমতি দিতে পারবে না। পর্যটকদের অবশ্যই বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের স্বীকৃত ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে টিকিট কিনতে হবে।
সেখানে প্রতিটি টিকিটে ট্রাভেল পাস এবং কিউআর কোড সংযুক্ত থাকবে। কিউআর কোড ছাড়া টিকিট নকল হিসেবে গণ্য হবে।
দ্বীপে ভ্রমণের সময়সূচি এবং পর্যটক উপস্থিতিও এবার কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রিত থাকবে। নভেম্বর মাসে পর্যটকেরা শুধু দিনের বেলায় ভ্রমণ করতে পারবেন, রাত্রিযাপন করা যাবে না।
ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাসে রাত্রিযাপনের অনুমতি থাকবে। ফেব্রুয়ারি মাসে দ্বীপে পর্যটক যাতায়াত সম্পূর্ণভাবে বন্ধ থাকবে। প্রতিদিন গড়ে দুই হাজারের বেশি পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারবেন না।
সেন্ট মার্টিনের প্রাকৃতিক পরিবেশ অক্ষুণ্ন রাখতে দ্বীপে রাতে সৈকতে আলো জ্বালানো, শব্দ সৃষ্টি বা বারবিকিউ পার্টি করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেয়া বনে প্রবেশ, কেয়া ফল সংগ্রহ বা ক্রয়-বিক্রয়, সামুদ্রিক কাছিম, পাখি, প্রবাল, রাজকাঁকড়া, শামুক-ঝিনুক ও অন্যান্য জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।
এ ছাড়া সৈকতে মোটরসাইকেল, সি-বাইকসহ যেকোনো মোটরচালিত যানবাহন চলাচল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ থাকবে।

নিষিদ্ধ পলিথিন বহন করা যাবে না এবং একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক, যেমন চিপসের প্যাকেট, প্লাস্টিক চামচ, স্ট্র, সাবান ও শ্যাম্পুর মিনিপ্যাক, ৫০০ ও ১০০০ মিলিলিটারের প্লাস্টিক বোতল ইত্যাদি বহন নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। পর্যটকদের নিজস্ব পানির ফ্লাস্ক সঙ্গে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন নির্দেশনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে সেন্ট মার্টিন দ্বীপের নাজুক পরিবেশ ও অনন্য জীববৈচিত্র্য সংরক্ষিত থাকবে এবং দ্বীপটি দায়িত্বশীল ও পরিবেশবান্ধব পর্যটনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ হয়ে উঠবে বলে আশা করছে সরকার।

পেকুয়া বনৌজা সড়কে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-২

১নভেম্বর থেকে দৈনিক দুহাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন যেতে পারবে
  • এম আবদুল্লাহ আনসারী পেকুয়া কক্সবাজার প্রতিনিধি
    কক্সবাজারের পেকুয়া বনৌজা সড়কের চকরিয়া বরইতলীতে মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুই মোটরসাইকেল আরোহী নিহত ১ জন আহত হয়েছেন। আহত এআসনে মোহাম্মদ শাহেদ (২৫)। তিনি চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
    রবিবার (২৮ জুন) সকাল ৯টার দিকে চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নস্থন বানৌজা সড়কে এই মর্মান্তিক দূর্ঘটনা ঘটে।
    নিহতরা হলেন- চকরিয়া উপজেলার বরইতলী ইউনিয়নের মোহাজের পাড়া এলাকার মৃত আবুল কালামের ছেলে মোহাম্মদ মাহবুব (২৮) ও একই এলাকার মৃত কামাল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ রাসেল (২৫)। নিহত ও আহতরা সবাই মোটরসাইকেল আরোহী।
    পুলিশ ও স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে, নিহত মাহবুব, রাসেল ও আহত শাহেদ ওরা তিনজন মিলে মোটরসাইকেলে করে চকরিয়ায় আসছিলো। মাহবুব মোটরসাইকেলটি চালাচ্ছিলেন এবং পিছনে ছিলেন শাহেদ ও রাসেল। তাদের বহনকারী মোটরসাইকেল চকরিয়া-পেকুয়ার বানৌৈজা সড়কে পৌছালে একটি মাইক্রোবাসের সাথে মুখোমুখি সংঘর্ষেও ঘটনা ঘটে। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে খাদে পড়ে যায়। এসময় মাহবুব ও রাসেল ও শাহেদ গুরুতর আহত হন।
    পরে স্থানীয় লোকজন তাদের উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মাহবুব ও রাসেলকে মৃত ঘোষনা করেন। এছাড়াও গুরুতর আহত শাহেদকে দ্রæত চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালে রেফার করেন।
    চকরিয়া থানার (ওসি) মনির হোসেন বলেন, ঘটনার পরপর পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে গুরুতর আহত তিনজনকে উদ্ধার করে হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তিনজনের মধ্যে মাহবুব ও রাসেলকে মৃত ঘোষনা করেন। নিহতদের প্রাথমিক সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করা হয়েছে। পরিবারের দাবির প্রেক্ষিতে মরদেহ দুটি হস্তান্তর করা হয়েছে।
    তিনি আরও বলেন, দূর্ঘটনা কবলিত মোটরসাইকেল ও মাইক্রোবাস জব্দ করা হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান

‎পেকুয়ায় জাহেদ আইসিটি এডুকেশন কেয়ার এর এইচএসসি-২৬ ব্যাচের বিদায় সংবর্ধনা

১নভেম্বর থেকে দৈনিক দুহাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন যেতে পারবে


‎নিজস্ব প্রতিনিধি

‎কক্সবাজারের পেকুয়ায় জাহেদ আইসিটি এডুকেশন কেয়ার এর এইচএসসি-২৬ শিক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুল এন্ড কলেজ মিলনায়তনে এই বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

‎সাংবাদিক দেলওয়ার হোসাইনের সঞ্চালনায়, জাহেদ আইসিটি এডুকেশন কেয়ারের প্রধান পরিচালক জাহেদুল ইসলামের সভাপতিত্বে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন রাজাখালী ফৈজুন্নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ মো জসিম উদ্দিন, বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ মুজিবুল হক চৌধুরী , চট্টগ্রামের মঞ্চ নাটক ও টিভি অভিনেতা মো শোয়াইব হোসাইন সৌরভ, চট্টগ্রাম এহসান’স ইংলিশ কেয়ারের পরিচালক এহসান রাফায়ত, জাহেদ আইসিটি এডুকেশন কেয়ারের সহকারি পরিচালক মো শাহ নেওয়াজ, দৈনিক দিনকাল পেকুয়া প্রতিনিধি মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী জাসেদুল ইসলাম রিয়াদসহ এইচএসসি -২৭ ব্যাচের শিক্ষার্থী ও জাহেদ আইসিটি এডুকেশন কেয়ার এর অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিদায় ‎সংবর্ধনায় বক্তারা জাহেদ আইসিটি এডুকেশন কেয়ার এর মান ধরে রাখতে সকলকে নির্দেশ দেন ও এডুকেশন কেয়ার এর সফলতা কামনা করেন।

পরে দোয়া মাহফিলে মোনাজাত পরিচালনা করেন পেকুয়া সেন্ট্রাল স্কুল এন্ড কলেজের সহকারি শিক্ষক হাসান শহিদ মুক্তা।

পেকুয়ায় পুত্রবধুর পরকিয়া প্রেমিকের হাতে পিতা খুন!

১নভেম্বর থেকে দৈনিক দুহাজার পর্যটক সেন্ট মার্টিন যেতে পারবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় পরকিয়া প্রেমিকের হাতে বয়োবৃদ্ধ পিতা নিহত হয়েছে।
২৬ জুন রাত সাড়ে০৯ টার পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের অন্তর্গত “হারুন মাতবরপাড়ার মৃত আব্দু ছত্তরের ছেলে
আবু তাহের(৬৫), ও তার পরিবারের সাথে প্রতিবেশি নুর হোছনের
মোঃ সিফাত(২৬), সহ পরিবারের লোকজনের মারামারির ঘটনা ঘটে। উক্ত মারামারির ঘটনায় মোঃ সিফাত তার হাতে থাকা ধারালো কিরিছ দিয়ে বয়োবৃদ্ধ আবু তাহের(৬৫) এর বাম হাতের কবজির উপরে কুপ মেরে গুরুতর কাটা রক্তাক্ত জখম করে। আত্মীয় স্বজন আবু তাহেরকে চিকিৎসার জন্য পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে হাসপাতালের কর্তব্যরত ডাক্তার পরীক্ষা নিরিক্ষা করে ভিকটিম আবু তাহেরকে মৃত ঘোষণা করেন। সংবাদ প্রাপ্ত হয়ে পেকুয়া থানা পুলিশ পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ভিকটিম(মৃত) আবু তাহেরের লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত পূর্বক ময়না তদন্তের জন্য লাশ কক্সবাজার সদর মডেল হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এদিকে স্থানীয় লোকজন বলেন, নিহত আবু তাহেরের পুত্রবধুর সাথে নুর হোছনের ছেলে সিফাতের পরকিয়ার জের ধরেই সংঘর্ষের ঘটনায় সিফাতের ধারালো কিরিচের কোপেই বৃদ্ধ নিহত হন।
পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন
উক্ত বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা পক্রিয়াধীন রয়েছে এবং ঘটনার সাথে জড়িত আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত আছে।