| ২৪ জুন ২০২৬

অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের দাপটে অসহায় বনবিভাগ

পেকুয়ায় বনভূমি থেকে বালু উত্তোলন থামছেনা

পেকুয়ায় বনভূমি থেকে বালু উত্তোলন থামছেনা

 

 

মোহাম্মদ ইউনুছ
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার টইটং, শিলখালী ও বারবাকিয়া পাহাড়ঘেরা জনপদ। এখানকার প্রবাহিত ছড়াগুলো একসময় ছিল স্থানীয়দের জীবন-জীবিকার ভরসা। কৃষিকাজে পানির ভরসা। কিন্তু এখন সেই ছড়াই হয়ে উঠেছে দখল-দৌরাত্ম্য ও ধ্বংসের প্রতীক। বিধান না থাকলেও বনবিভাগের সংরক্ষিত বনভূমির এক কিলোমিটারের ভেতরে স্থানীয় প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতাদের ছত্রচ্ছায়ায় চলছে অবৈধ বালু উত্তোলন। সরকারি নিয়ম-নীতি উপেক্ষা করে জেলা প্রশাসন থেকে ইজারা নিয়ে বালু মহাল চালু হয়েছে। কিন্তু ইজারার সীমানা অমান্য করে বনবিভাগের অভ্যন্তরে বসানো হচ্ছে শ্যালো মেশিন ও মোটরপাম্প। রাতের অন্ধকারে চলে বালু তোলার কাজ, আর দিনের আলোয় পাহাড়ের অংশবিশেষ ধসে পড়ে নামছে ছড়ায়।

সরজমিনে দেখা গেছে, টইটং ইউনিয়নের বটতলী ও সোনাইছড়ি ঢালারমুখ জুমপাড়া এলাকায় অসংখ্য মেশিন বসানো। আওয়ামী লীগ নেতা শফিউল আলম সওদাগর, যুবলীগ নেতা নবু মেম্বার, জমিরসহ বেশ কয়েকজন স্থানীয় প্রভাবশালী নেতা বালু উত্তোলনে যুক্ত। স্থানীয়দের অভিযোগ, তারা কখনো আওয়ামী লীগ পরিচয়ে, কখনো বিএনপি-জামায়াত পরিচয়ে প্রশাসনের অনুকম্পা নেন।

এছাড়া হাবিবপাড়া ও মালঘারা এলাকায় অন্তত ১৪টি মেশিন দিয়ে বালু তোলা হচ্ছে। যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ হোছনের ছেলে রেজাউল করিম, মৃত দানু মিয়ার ছেলে আবদুল মজিদ, হাজী আবদুর রহমানের ছেলে আজিজুল হক ও হামিদুল হকসহ অনেকে প্রকাশ্যে বালি তোলার কাজে যুক্ত।
স্থানীয় একজন জনপ্রতিনিধি বলেন, ‘আমরা বাঁধা দিলে তারা বলে ইউএনও থেকে লাইসেন্স নিয়েছে। কিন্তু বাস্তবে কিছুই নেই।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত ১লা বৈশাখ থেকে এক বছরের জন্য ৩৫ লাখ ৭০ হাজার টাকায় টইটংয়ের সোনাইছড়ি বালু মহালের ইজারা নিয়েছেন পেকুয়ার আনোয়ারুল কাদের লিটন। তাঁর দাবি, উপজেলা প্রশাসনের উপস্থিতিতেই ৭ একর জায়গা চিহ্নিত করা হয়েছে। কিন্তু বনবিভাগ বলছে, তাদের আপত্তি সত্তে¡ও জেলা প্রশাসন ইজারা দিয়েছে সংরক্ষিত জায়গার কাছাকাছি। এখন ইজারার আড়ালে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতারা বনভূমির ভেতরে প্রবেশ করে বালু তুলছেন।

বনবিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা খালেকুজ্জামান বলেন, ‘ইজারার সীমার বাইরে গিয়ে বালু উত্তোলন স্পষ্টতই অবৈধ। স্থানীয় বিট কর্মকর্তাকে দায়ীদের শনাক্ত করতে বলা হয়েছে। শিগগিরই অভিযান চালানো হবে। জনবল সংকটের কারণে তাদের ঠেকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, অসংযত বালু উত্তোলনে ছড়ার বাঁধ ভেঙে যাচ্ছে। বহু মানুষের বসতঘর ভেঙে তলিয়ে গেছে। চলাচলের রাস্তা ভারি ট্রাকের চাপ সামলাতে না পেরে ধসে পড়ছে। ফলে সাধারণ মানুষকে এখন হাঁটাপথেই চলাচল করতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের ক্ষোভ, বালু ব্যবসায়ীরা শুধু পাহাড়ি ছড়াই নয়, তাদের জীবনও গিলে খাচ্ছে। প্রশাসন সব জেনেও চুপ।

পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মঈনুল হোসেন চৌধুরী ভ্রাম্যমাণ আদালতে জরিমানা করে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে উত্তোলিত বালু সরানোর নির্দেশ দেন। কিন্তু দুই মাস পেরোলেও সেই নির্দেশ মানা হয়নি। বরং রাতের পর রাত অব্যাহত থেকেছে বালু তোলা।

সহকারী কমিশনার (ভূমি) নুর পেয়ারা বেগম অবশ্য দাবি করেছেন, তিনি কখনো অবৈধভাবে তোলা বালু পরিমাপ করতে যাননি। তাঁর ভাষায়, তহসিলদার গিয়েছেন হয়তো, কিন্তু আমি কিছুই জানি না।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পেকুয়ার সংরক্ষিত বনের ভেতর পাহাড়ি ছড়াগুলোতে এভাবে বালু তোলা চলতে থাকলে জীববৈচিত্র্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে। পাহাড় ধসে পড়া ও নদী-ছড়া ভাঙন নতুন করে দুর্যোগ ডেকে আনবে।

পরিবেশ কর্মীরা মনে করেন, বালু উত্তোলনের সঙ্গে প্রশাসনের একাংশ ও রাজনৈতিক প্রভাবশালীদের আঁতাত না থাকলে এত বড় পরিসরে এ অনিয়ম চলতে পারত না।

কাগজে-কলমে বৈধ ইজারা থাকলেও বাস্তবে তা পরিণত হয়েছে প্রভাবশালীদের অবৈধ ব্যবসায়। পাহাড় কেটে ছরায় ফেলা হচ্ছে বালি, ভাঙছে বেড়িবাঁধ, হারাচ্ছে ঘরবাড়ি। স্থানীয়দের অভিযোগ, বনবিভাগের কিছু অসাধু কর্মকর্তাও এ কাজে প্রত্যক্ষভাবে জড়িত।

প্রশ্ন উঠছে- প্রকৃতি ধ্বংসের এই খেলার শেষ কোথায় ? কক্সবাজারের পেকুয়ায় কি প্রশাসন সত্যিই সক্ষম হবে অবৈধ বালি উত্তোলন ঠেকাতে, নাকি বনভূমি ও পাহাড়ের অস্তিত্ব শুধু কাগজে-কলমেই টিকে থাকবে ?

৬ মাস যাবত ধাপিয়ে বেড়াচ্ছে এই নারী!

পেকুয়ায় ভুয়া ডিজিএফআই পরিচয়দানকারী নারী আটক

পেকুয়ায় বনভূমি থেকে বালু উত্তোলন থামছেনা

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় নিজেকে ডিজিএফআই কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক নারীকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাতে উপজেলার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদ থেকে ওই নারীকে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশ। আটককৃত নারীর নাম হাছিনা আক্তার। তিনি চট্টগ্রামের চন্দনাইশ পৌরসভার ৯ নং ওয়ার্ডের গাছবাড়িয়া এলাকার বাসিন্দা মৃত আবুল হাসেম ও বুলু আরার মেয়ে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাছিনা আক্তার দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয় দিয়ে মগনামা এলাকায় বিভিন্ন কর্মকাণ্ড চালিয়ে আসছিলেন। এ পরিচয় ব্যবহার করে তিনি বিভিন্ন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও প্রভাব খাটিয়ে অর্থ হাতিয়ে নিয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী ও পরিষদের সকল সদস্য সচিবকে ডিজিএফআইয়ের সদস্য পরিচয়ে প্রভাব বিস্তার করে আসছিল। দুজন ইউপি সদস্যকে ৫ মিনিটের ভিতর তার বাসায় গিয়ে দেখা করা চাল বিতরণের সময় বিভিন্ন অযুহাত দাড় করিয়ে চাল হাতিয়ে নেয়া বিভিন্ন অনিয়ম ও ব্যক্তিগত দূর্বলতা খুঁজে হয়রানি করা অভিযোগ রয়েছে ওই নারীর বিরুদ্ধে।
ওই নারী চন্দনাইশ থেকে পেকুয়ার মগনামা লঞ্চ ঘাটের পাশে রিদুয়ান নামক এক ব্যক্তির ভাড়া বাসায় ৬ মাস পূর্ব থেকে দুটি বাচ্চা সহ বসবাস করে আসছেন। তার স্বামী সেনা কর্মকর্তা দুবাই মিশনে আছেন তিনি এখানে ডিজিএফআইয়ের দায়িত্বে আছেন এমন পরিচয় দিয়ে আসছিলেন।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, ওই নারীর চলাফেরা ও কর্মকাণ্ড সন্দেহজনক মনে হলে তিনি বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। তথ্য যাচাই-বাছাইয়ের একপর্যায়ে ওই নারী ভুয়া পরিচয় ব্যবহার করছেন বলে নিশ্চিত হন তিনি। পরে মঙ্গলবার রাতে তাকে ইউনিয়ন পরিষদে আটক করে পেকুয়া থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
অধিকাংশ ইউপি সদস্যদের এই নারী কোনো এক দূরভী মিশন বাস্তবায়নের হীন প্রচেষ্টারত ছিলেন কিনা খতিয়ে দেখা দরকার। তাকে দিয়ে এখানে কোন দূষ্ঠ চক্র খেলছে কিনা তাও তদন্ত করার প্রয়োজন আছে।
পেকুয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, “নিজেকে ডিজিএফআই সদস্য পরিচয়দানকারী এক নারীকে মগনামা থেকে আটক করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

পোকখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরি

পেকুয়ায় বনভূমি থেকে বালু উত্তোলন থামছেনা

মনিরুল আমিন.চকরিয়া

কক্সবাজারের নবগঠিত মাতামুহুরি উপজেলার পশ্চিম বড় ভেওলা ইউনিয়নের পোকখালী রেড ক্রিসেন্ট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। অত্র বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করে।

মঙ্গলবার (২৩ জুন) রাত ২ টার দিকে বিদ্যালয়ের অফিস কক্ষ ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাস রুমের তালা ভেঙে চোরেরা ভেতরে প্রবেশ করে মূল্যবান শিক্ষা উপকরণ ও গুরুত্বপূর্ণ সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়।

প্রধান শিক্ষক মোঃ মিনহাজ উদ্দিন জানান,চোরেরা শিক্ষার্থীদের ডিজিটাল শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত ল্যাপটপ,প্রজেক্টর, সিসিটিভি ক্যামেরা,ইন্টারনেট রাউটার,ছাত্র-ছাত্রীদের খেলার সরঞ্জামসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র ও মূল্যবান সামগ্রী চুরি করে নিয়ে গেছে। আজ সকালে নির্ধারিত সময়ে বিদ্যালয়ে এসে তিনি দেখতে পান চুরির ঘটনা ঘটেছে।

এ চুরির ঘটনায় প্রতিষ্ঠানের প্রায় ৪ লক্ষাধিক টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে উল্লেখ করে প্রধান শিক্ষক বলেন,এ বিষয়ে চকরিয়া থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়ার প্রস্তুতি চলছে।

এ ঘটনায় এলাকাবাসী ও অভিভাবকেরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তারা জানান,একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ধরনের চুরির ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয়। এতে শুধু সরকারি সম্পদের ক্ষতি হয়নি,বরং কোমলমতি শিক্ষার্থীদের আধুনিক শিক্ষা কার্যক্রমও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তারা দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা এবং চুরি হওয়া মালামাল উদ্ধারে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনির হোসেন বলেন,লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আম-কাঁঠাল নিয়ে শ্বশুরবাড়ি ফেরার পরদিন নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার

পেকুয়ায় বনভূমি থেকে বালু উত্তোলন থামছেনা

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় কাজল রেখা (১৯) নামে এক নববধূর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকাজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। তবে নিহতের পরিবারের দাবি, এটি আত্মহত্যা নয়; তাকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নিহত কাজল রেখা পেকুয়া পৌরসভার উত্তর গোয়াখালী এলাকার গ্রাম পুলিশ জসিম উদ্দিনের মেয়ে। চলতি বছরের ৩১ জানুয়ারি উপজেলার মুরাপাড়া এলাকার রাজু ইসলাম রানার সঙ্গে তার বিয়ে হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে কলহ চলছিল। বিশেষ করে বিয়ের সময় দেওয়া স্বর্ণালঙ্কার বিক্রি করে দেওয়াকে কেন্দ্র করে তাদের মধ্যে বিরোধের সৃষ্টি হয়। এর জেরে প্রায় ১৫ দিন আগে কাজল রেখা বাবার বাড়িতে চলে যান।
নিহতের পরিবার জানায়, শুক্রবার বিকেলে বাবার বাড়ি থেকে আম ও কাঁঠাল নিয়ে তিনি শ্বশুরবাড়িতে ফিরে যান। পরদিন শনিবার বিকেল প্রায় ৩টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের মুরাপাড়া এলাকায় শ্বশুরবাড়ি থেকে তার ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পেকুয়া থানা পুলিশ।

নিহতের ছোট ভাই রাকিবুল ইসলাম অভিযোগ করেন, আমার বোনকে হত্যা করে ফ্যানের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। ঘটনার পর স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন পালিয়ে গেছে।

পেকুয়া থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) মেহেদী হাসান বলেন, ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ভিত্তিতে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন করা হবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।