পেকুয়ায় নির্জন বাড়ী থেকে অর্ধগলিত নারীর মরদেহ উদ্ধার
কক্সবাজারের পেকুয়ায়র মগনামায় নির্জন বাড়ী থেকেন এক নারীর অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করেছে পেকুয়া থানা পুলিশ। জানাযায়, উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড়ের নাপিতার দিয়ার দেলোয়ার হোছাইনের ছেলে এহতেশামুল হকে নির্জন বাড়ীতে আশ্রয়ে থাকতেন তার আত্মীয় চট্টগ্রাম জেলার বাঁশখালী উপজেলার চাম্বল ইউনিয়নের ৮নং ওয়ার্ড় সিকদার পাড়ার মৃত সাইদুল হক মৃত বুলুর মেয়ে সাবিনা আকতার জান্নাত প্রকাশ জুলি (৪৫)। ৯৯৯ নাইনে পুলিশি সেবা কল সেন্টারে সংবাদ পেয়ে ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা ৭টার দিকে স্থানীয়দের সহায়তায় পেকুয়া থানা পুলিশ এ নারীর অর্ধগলিত অবস্থায় মরদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। স্থানীয় মগনামা ইউপিনর ৮নং ওয়ার্ড়ের মেম্বার নুর মোহাম্মদ বলেন, ওই মহিলার বসবাসরত বাড়ীর প্রতিবেশী মোর্শিদা সবজি দেয়ার জন্য বাড়ীতে গিয়ে মুল দরজা ভিতর থেকে বন্ধ পেয়ে পেছনের পূর্ব দরজাদিয়ে ডাকতে গেলে কোন সাড়া শব্দ না পেলে দরজা অর্ধ খোলা অবস্থায় ভিতরে প্রবেশ করে দেখতে পান জুলি মশারী টাঙ্গিয়ে কম্বল মোড়িয়ে ঘুমিয়ে আছে। কাছে গিয়ে বিকট দূর্গন্ধ পেয়ে মারা গেছেন নিশ্চিত হয়ে স্থানীয় লোকজন ও ইউপি সদস্যকে খবর দিলে ৯৯৯ নাইনে ফোন দিয়ে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল মোস্তফার সাথে যোগযোগ হলে তিনি সহ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।
স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে ৩দিন পূর্বেও জুলি স্বাভাবিক চলাফেরা করেছে। মহিলাটি সামান্য মানসিক ভারসাম্যহীন ছিল। মগনামায় নানারবাড়ীতে অবস্থান করে পড়া লেখা করেছে। পিতা মাতা মারা গেলে একমাত্র ভাইও অন্যত্রে অবস্থান করলেও মগনামার এই বাড়ীতেই মহিলাটি আশ্রয়ে থাকতো। নির্জন পাকা বাড়ীতে মহিলা আশ্রয়ে ছিল। পুলিশ ও প্রত্যক্ষ দর্শীরা জানিয়েছে মহিলার গলায় একটি ছাদর পেছানো সহ বাধা ছিলো। স্থানীয়রা বলেন, কেন কিভাবে এ মহিলা মারা গেল কেউ ধারনা করতে পারেনি। পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ সিরাজুল মোস্তফা বলেন, মরদেহটি উদ্ধার হয়েছে ময়না তদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। লিখিত অভিযোগ ফেলে মামলা নেয়া হবে।









