| ১৭ এপ্রিল ২০২৬

১২০ জন অপারেশন সহ ৫ শতাধিক রোগীর চিকিৎসা

পেকুয়া প্রেসক্লাব-পাক্ষিক পেকুয়া ও আবুল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প সম্পন্ন

পেকুয়া প্রেসক্লাব-পাক্ষিক পেকুয়া ও আবুল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প সম্পন্ন

পেকুয়া অফিস
কক্সবাজারের পেকুয়ার উজানটিয়ায় পেকুয়া প্রেস ক্লাব, পাক্ষিক পেকুয়া, আল্লামা আবুল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম এলিট আই সেন্টারের তত্বাবধানে প্রায় পাঁচ শতাধিক পুরুষ মহিলা রোগীর ফ্রি চক্ষু চিকিৎসা সেবা সহ প্রয়োজনীয় ওষুধ সরবরাহ  করা হয়েছে।
তৎ মধ্যে ১২০জন রোগীর ছানি অপারেশন করার জন্য নির্ধারন করা হয়েছে। তাদেরকে বিনা খরচে চট্টগ্রামে নিয়ে ছানি অপারেশন করার ব্যবস্হা করা হয়েছে।   অন্যান্য রোগীদের ফ্রি ঔষধ ও চশমা দেওয়া হয়েছে।


২৩ ডিসেম্বর উজানটিয়া ইউনিয়নের গোদার পাড় মারকাজ ইউসুফ আল ইসলামিয়া হেফজখানা ও এতিমখানা প্রাঙ্গণে সকাল ১০ টা থেকে এ ফ্রী চিকিৎসা সেবা শুরু হয়।
পেকুয়া প্রেসক্লাবের সদস্য এফএম সুমনের সঞ্চালনায় এবং কক্সবাজার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যাল ২ এর পিপি ও পেকুয়া প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি এড.মীর মোশাররফ হোসেন টিটুর সভাপতিত্বে
চক্ষু ক্যাম্প উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মাওলানা সুহাইল সালেহ , চেয়ারম্যান আল্লামা আবুল খাইর ফাউন্ডেশন, উদ্ভোধক হিসেবে বক্তব্য রাখেন পেকুয়া প্রেস ক্লাবের সভাপতি পাক্ষিক পেকুয়ার সম্পাদক ছফওয়ানুল করিম, বিশেষ অতিথি এড,জিল্লুর রহমান, ফাউন্ডার ও সিইও,  এলিট আই কেয়ার চট্টগ্রাম। পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এম আবদুল্লাহ আনসারী , প্রেসক্লাবের সদস্য সোহেল আজিম, বাহার উদ্দিন, মোহাম্মদ ইউনুস, এইস এম শহিদ, তৌহিদ। পেকুয়া উপজেলা যুবদলের যুগ্ন আহবায়ক মাষ্টার ইয়াসিন আরফাত, ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোস্তফা কামাল,
সেচ্ছাসেবকদল নেতা সালাহ উদ্দিন, বিএনপি নেতা আজম,ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদস্য সচিব মোহাম্মদ তায়েব প্রমুখ।
উদ্বোধনী বক্তব্যে সাংবাদিক ছফওয়ানুল করিম বলেন, পেকুয়া উপজেলার প্রান্তিক অঞ্চল উজানটিয়া ইউনিয়ন। এই অঞ্চলের পিছিয়ে পড়া অসহায় পরিবার গুলোকে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার জন্য আবুল খাইর ফাউন্ডেশন ও প্রেস ক্লাবের যৌথভাবে ক্যাম্প স্থাপন করেছি। আগামীতে বৃহৎ আকারে আয়োজন করে আরও বেশি চিকিৎসা দেওয়া হবে।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আল্লামা আবুল খাইর ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মাওলানা সুহাইল সালেহ বলেন, পেকুয়া উপজেলায় বেশ কিছু ইউনিয়নে আমাদের মানবিক সেবা চালু রয়েছে। প্রতিমাসে আমরা ৩০ টির অধিক টিউবওয়েল স্থাপন করে যাচ্ছি। ইতিমধ্যে উজানটিয়ায় একটি মাদ্রাসা প্রতিষ্টা করেছি সেই সাথে আজ চক্ষু ক্যাম্প করেছি। আগামীতে পেকুয়া প্রান্তিক মানুষদের ধারে ধারে আমাদের সেবা পৌছে দেওয়া হবে

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পেকুয়া প্রেসক্লাব-পাক্ষিক পেকুয়া ও আবুল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প সম্পন্ন

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

পেকুয়া প্রেসক্লাব-পাক্ষিক পেকুয়া ও আবুল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প সম্পন্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

পেকুয়া প্রেসক্লাব-পাক্ষিক পেকুয়া ও আবুল খায়ের ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ফ্রী চিকিৎসা ক্যাম্প সম্পন্ন

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।