৭ হাজার লোকজনের চলাচল রাস্তা সংস্কারের কোন উদ্যোগ নেই
পেকুয়ার মগনামা পশ্চিমকূল সড়কে ৭ হাজার মানুষের ভরসা এখন বালির বস্তা
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের পশ্চিমকূল সড়ক ভাঙন ও নাজুক অবস্থা স্থানীয়দের দুশ্চিন্তা বাড়িয়ে দিয়েছে। প্রায় ৭ হাজার মানুষের চলাচলের একমাত্র ভরসা এই সড়ক এখন কাদামাটির উপরে বালির বস্তা। ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটি রক্ষায় স্থানীয়দের পক্ষ থেকে সাময়িক ব্যবস্থা হিসেবে বালির বস্তা দেওয়া হয়েছে।
প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, কর্মজীবী মানুষসহ বড় কবরস্থান এবং মগনামা সাবমেরিন ও লঞ্চঘাটে চলাচল করে হাজার হাজার মানুষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে স্থায়ী সংস্কারের উদ্যোগ না নেওয়ায় বর্ষায় পানিতে রাস্তার মাটি ধসে পড়ছে। সংস্কারের অভাবে জরুরী প্রয়োজনে এম্বুল্যান্স ও ফায়ার সার্ভিস ডুকতে পারে না।
আব্দুল হালিম নামের একজন বলেন, সড়কের বেহাল দশার কারণে ফায়ারসার্ভিস ডুকতে না পারায় গত শুক্রবারে এই এলাকার ৭ টি পরিবারের বসতঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। উপজেলা ও জেলা পরিষদের প্রতি অনুরোধ এই সড়কটি সংস্কার করা হোক।
পশ্চিমকূল ইউনিয়নের বাসিন্দারা দ্রুত স্থায়ী মেরামত ও টেকসই সড়ক সংস্কারের দাবি জানিয়েছেন। তারা জানান, সাময়িক বালির বস্তা দিয়ে সড়কে চলাচল করা সম্ভব নয়। বর্ষা বাড়লেই চলাচলের ঝুঁকি বহুগুণে বেড়ে যায়।
মগনামা ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ন-আহবায়ক আবু তাহের হেলালি বলেন, স্থানীয় বিএনপির নেতা নুরুল ইসলাম ও বদিউল আলমের নিজস্ব অর্থায়নে সাময়িকের জন্য বালির বস্তা দেওয়ায় মুটামুটি হাটাচলা করা যাচ্ছে কিন্তু এই সড়কে ইট বসানো না হলে পরবর্তী বছরে চলাফেরা করা মুশকিল হয়ে যাবে। দ্রুত এই সড়কটি সংস্কার করা এই এলাকার মানুষের প্রাণের দাবি।
এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসন জানায়, জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী সমাধানের জন্য প্রকল্প প্রস্তাবনা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। স্থায়ী সংস্কার না হওয়া পর্যন্ত বালি বস্তা থাকবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মহি উদ্দিন বলেন, এই সড়কটি অনেক বড়। মানুষের চলাচলের সংখ্যাও বেশি। ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে জেলায় প্রকল্প দিয়েছি।






