| ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়ায় নির্বাচনী গণসংযোগে সালাহউদ্দিন আহমদ

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে লবনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চত করা হবে

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে লবনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চত করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় নির্বাচনী গনসংযোগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন বিএনপি ক্ষমতায় আসলে লবণের ন্যায্য মূল্য নিশ্চত করা হবে।


তিনি বলেন দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা বাঁশখালী ও কক্সবাজার জেলার লবন চাষীরা দেশের চাহিদার চেয়ে বেশী লবণ উৎপাদন করলেও বিদেশ থেকে লবন আমদানি করে লবণের দাম কমিয়ে ফেলা হচ্ছে। বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল লবন আমদানি করেনি। সরকার অপ্রয়োজনীয় লবন আমদানী করে লবন চাষীদের ক্ষতিগ্রস্ত করেছে।
বিভিন্ন ইউনিয়নের পথ সভায় বিএনপির শীর্ষ নেতা সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা গুম করে আমাকে হত্যা করতে চেয়েছিল, আল্লাহ হায়াত রেখেছেন বলে বেচে আছেন। খুনি হাসিনা অবশেষে পালিয়েছে, দেশ ফ্যাসিবাদের কবল মুক্ত হলেও একটি গনতান্ত্রিক নির্বাচনের মাধ্যমে সাম্যের রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে হবে। তিনি টইটং পথ সভায় বলেন বেগম জিয়ার ঐক্যের প্রতীক ধানের শীষ গনতন্ত্রের প্রতীক।

দীর্ঘ ১৪ বছর পর নিজ জন্ম ভূমি পেকুয়ার সাকোরপাড় স্টেশনে পথসভার মধ্যদিয়ে নির্বাচনী গণসংযোগ শুরু করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। কক্সবাজার সংদীয় আসন ১ চকরিয়া পেকুয়া আসনের সাবেক এমপি বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে তার অবর্তমানে তার স্ত্রী এডভোকেট হাসিনা আহমেদকে তার থেকে বেশী ভোটে নির্বাচিত করেছিলেন। আজকে দীর্ঘদিন পর দোয়া চাইতে এসেছি। বেগম জিয়া তারেক জিয়া ও নিজের জন্য দোয়া চেয়েছেন। এসময় বক্তব্য রাখেন পেকুয়া সদর পূর্ব জোন বিএনপির সভাপতি আবুবকর, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহবায়ক আহছান উল্লাহ, সদস্য সচিব আহসান উল্লাহ খোকন, উপজেলা মহিলাদলের সভানেত্রী সাবিনা ইয়াসমিন ঝিনু, উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব মনসুর আলম ইউনুস প্রমূখ।
তিনি শিলখালী ইউনিয়নের হাজীরঘোনা সবুজপাড়া গনসংযোগ শেষে জারুলবুনিয়া স্টেশনে পথসভায় বক্তব্য প্রদন করেন। এছাড়া বারবাকিয়া বাজরে একপথসভায় বক্তব্য রাখেন।
সাবেক এমপি সালাহউদ্দিন আহমদের সহধর্মিনী এডভোকেট হাসিনা আহমদকে সাথে নিয়ে বারবাকিয়া হয়ে টইটং ইউনিয়নের ধনিয়াকাটা হাজী বাজার গনসংযোগ শেষে ৫ নং ওয়ার্ডের মৌলানা মশরফ আলীর কবর জেয়ারত করেন৷ বিভিন্ন ওয়ার্ডে গণসংযোগ শেষে টইটং বাজারের বিশাল পথ সভায় বক্তব্য রাখেন। অন্যান্যদের মাঝে বক্তব্য রাখেন সাবেক এমপি এড,হাসিনা আহমেদ, উপজেলা বিএনপির সভাপতি এম,বাহাদুর শাহ, সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোছাইন, টইটং ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মাষ্টার জয়নাল আবেদীন, লালজান পাড়া ব্রীজ হয়ে
বিভিন্ন জায়গায় গনসংযোগ করে রাজাখালী আরবশাহ বাজারে পথসভায় মিলিত হন। সবুজ বাজারের সর্বশেষ পথ সভায় বক্তব্যকালে বিএনপি ক্ষমতায় আসলে লবণ চাষীদের জীবন বাঁচাতে লবনের
ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করার ঘোষণা করেন। ধানের শীষে ভোট প্রার্থনা করেন।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে লবনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চত করা হবে

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে লবনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চত করা হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বিএনপি ক্ষমতায় আসলে লবনের ন্যায্য মূল্য নিশ্চত করা হবে

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।