| ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মাতামুহুরি নদীর পানি বঙ্গোপসাগরে চলে যাওয়া অন্যতম চ্যানেল পেকুয়ার খাল এখন জবর দখলে

পেকুয়ার উজানটিয়ায় খালের গতিরোধ করে বসতঘর নির্মাণ

পেকুয়ার উজানটিয়ায় খালের গতিরোধ করে বসতঘর নির্মাণ

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0; brp_mask:0; brp_del_th:null; brp_del_sen:null; delta:null; module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 36;

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ার উজানটিয়া পেকুয়ার খাল দখল করে বসত ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়াগেছে।
মাতামাতির নদীর পানি সহজে বঙ্গোপসাগরে নেমে যেতে পেকুয়ার খাল খনন করে সোনালী বাজার পয়েন্ট থেকে কাটাফাড়ি খাল খনন করা হয়েছিলো। পাকিস্তান আমলে মাতামুহুরি নদীর পানি থেকে পেকুয়া বৃহত্তর মগনামা ও বারবাকিয়ার জনবসতিকে বাঁচাতে পেকুয়ার খাল খনন করা হয়েছিলো।

filter: 0; fileterIntensity: 0.0; filterMask: 0; captureOrientation: 0;
brp_mask:0;
brp_del_th:null;
brp_del_sen:null;
delta:null;
module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 39;

এখালটির মূল গতিপথ ছিল মগনামা কাক পাড়া ও ঘোষাল পাড়া হয়ে কুতুবদিয়া চ্যানেলে। পেকুয়ার খালটি সোনালী বাজার এলাকায় অনেকটা ব্লক হয়েগেলে সোনালী বাজার থেকে কাটাফাড়ি পর্যন্ত আরেকটি খাল খনন করা হয়। বর্তমানে দুটি খালের দুপাশ প্রভাবশালীরা জবর দখল করে খালের স্বাভাবিক গতিরোধ করে ফেলেছে। দিন দিন নতুন স্থাপনা নির্মাণ করলেও প্রশাসনের দৃষ্টি সেদিকে নাই বলে জানান স্থানীয় লোকজন।
জানাযায় উজানটিয়া ইউনিয়নের সূতাচূড়ার আশরাফ মিয়ার ছেলে শখাব উদ্দিন প্রবাসী বেলাল উদ্দিনকে পেকুয়ার খালের চর বিক্রি করে দেন। প্রবাসী বেলাল স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহায়তায় খালের স্রোতাংশে বাঁধ দিয়ে বসত ঘর নির্মাণ করে দখল প্রতিষ্ঠা করেন। এদিকে পানিউন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদে প্রতিনিয়ত অভিযান অব্যাহত থাকলেও নতুন বসত ঘর নির্মাণ করে দখল প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় নদী খাল রক্ষার আন্দোলন কারী সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা হতাশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় লোকজন বলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধে পানি নিঃস্কাশনের নাসির মুখ বন্ধ করে বসতবিটা তৈরী করায় পানি নিঃস্কাশন চরম ভাবে ব্যাহত হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা পেকুয়া বিএমআই কলেজ ছাত্র দলের সাবেক সেক্রেটারি এনাম বলেন, তার পিতা ওয়াজউদ্দিন আশরাফ মিয়া থেকে দুইখানি জমি ক্রয় করে বেড়িবাঁধের বাইরের চর মাথাখিলা বাবত ৬০ শতক জমি নগদ ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে উজানটিয়া ইউনিয়নের তৎকালীন মেম্বার শহীদের সহ স্থানীয় গন্যমান্য সালিশকারদের সিদ্ধান্ত মত দখলনামা বুঝি নেন। এর পর নাসিটি স্থানীয় কৃষকদের সুবিধামত ব্যবস্থাপনার ২০০৫-০৬ অর্থ বছর ৫ বছর মেয়াদী ইজারা নিয়ে এখনো হানগাদ খাজনা পরিশোধ করা অবস্থায় আশরাফ মিয়ার ছেলে শকাব উদ্দিন নাসির মুখ বন্ধ করে প্রবাসী বেলালকে জায়গাটি বিক্রি দিলে বেলাল স্থানীয় প্রভাবশালী সশস্ত্র লোকদের নিয়ে প্রবাহিত খালের অংশ সহ জবর দখলে নিয়েছে।
এব্যপারে স্থানীয় ইইনিয়ন পরিষদে ও পেকুয়া থানায় বিচারাধীন রয়েছে। থানা ও পরিষদের নিষেধাজ্ঞার কোন তওয়াক্কা না করে সন্ত্রাসীদের জড়ো করে কুঁড়ে ঘর নির্মাণ করেছে।
এব্যাপারে উজানটিয়া ইউনিয়নের প্যনেল চেয়ারম্যান ওসমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুপক্ষকে কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে। মাতামুহুরি নদী থেকে খনন করা অতি প্রয়োজনীয় পেকুয়া খাল কিভাবে দখল হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি জানান খালে মূল অংশ পেকুয়া ইউনিয়ন ও উজানটিয়া ইউনিয়নের দুপাশ থেকে দখল হয়েগেছে এখনো অব্যাহত রয়েছে।
দুটি খালের চর জবর দখলের ব্যপারে জানতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মইনুল হোসেন চৌধুরী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড যখন সহযোগিতা চেয়েছে ব্যবস্থা নিয়েছি এখনও সহযোগিতা দিব।
কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী অরুপ চক্রবর্তীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বেড়িবাঁধের পাশের জায়গায় কোন প্রকার স্থাপনার সুযোগনাই, এগুলো উচ্ছেদ চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে আরো বলেন, নতুন স্থাপনা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না এটা উচ্ছেদ করা হবে।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পেকুয়ার উজানটিয়ায় খালের গতিরোধ করে বসতঘর নির্মাণ

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

পেকুয়ার উজানটিয়ায় খালের গতিরোধ করে বসতঘর নির্মাণ

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

পেকুয়ার উজানটিয়ায় খালের গতিরোধ করে বসতঘর নির্মাণ

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।