নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ার উজানটিয়া পেকুয়ার খাল দখল করে বসত ঘর নির্মাণ করার অভিযোগ পাওয়াগেছে।
মাতামাতির নদীর পানি সহজে বঙ্গোপসাগরে নেমে যেতে পেকুয়ার খাল খনন করে সোনালী বাজার পয়েন্ট থেকে কাটাফাড়ি খাল খনন করা হয়েছিলো। পাকিস্তান আমলে মাতামুহুরি নদীর পানি থেকে পেকুয়া বৃহত্তর মগনামা ও বারবাকিয়ার জনবসতিকে বাঁচাতে পেকুয়ার খাল খনন করা হয়েছিলো।

brp_mask:0;
brp_del_th:null;
brp_del_sen:null;
delta:null;
module: photo;hw-remosaic: false;touch: (-1.0, -1.0);sceneMode: 8;cct_value: 0;AI_Scene: (-1, -1);aec_lux: 0.0;aec_lux_index: 0;HdrStatus: auto;albedo: ;confidence: ;motionLevel: 0;weatherinfo: null;temperature: 39;
এখালটির মূল গতিপথ ছিল মগনামা কাক পাড়া ও ঘোষাল পাড়া হয়ে কুতুবদিয়া চ্যানেলে। পেকুয়ার খালটি সোনালী বাজার এলাকায় অনেকটা ব্লক হয়েগেলে সোনালী বাজার থেকে কাটাফাড়ি পর্যন্ত আরেকটি খাল খনন করা হয়। বর্তমানে দুটি খালের দুপাশ প্রভাবশালীরা জবর দখল করে খালের স্বাভাবিক গতিরোধ করে ফেলেছে। দিন দিন নতুন স্থাপনা নির্মাণ করলেও প্রশাসনের দৃষ্টি সেদিকে নাই বলে জানান স্থানীয় লোকজন।
জানাযায় উজানটিয়া ইউনিয়নের সূতাচূড়ার আশরাফ মিয়ার ছেলে শখাব উদ্দিন প্রবাসী বেলাল উদ্দিনকে পেকুয়ার খালের চর বিক্রি করে দেন। প্রবাসী বেলাল স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তিদের সহায়তায় খালের স্রোতাংশে বাঁধ দিয়ে বসত ঘর নির্মাণ করে দখল প্রতিষ্ঠা করেন। এদিকে পানিউন্নয়ন বোর্ডের জায়গায় নির্মিত স্থাপনা উচ্ছেদে প্রতিনিয়ত অভিযান অব্যাহত থাকলেও নতুন বসত ঘর নির্মাণ করে দখল প্রতিষ্ঠায় স্থানীয় নদী খাল রক্ষার আন্দোলন কারী সামাজিক প্রতিষ্ঠানের কর্তাব্যক্তিরা হতাশা প্রকাশ করেন।
স্থানীয় লোকজন বলেন পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধে পানি নিঃস্কাশনের নাসির মুখ বন্ধ করে বসতবিটা তৈরী করায় পানি নিঃস্কাশন চরম ভাবে ব্যাহত হবে।
স্থানীয় বাসিন্দা পেকুয়া বিএমআই কলেজ ছাত্র দলের সাবেক সেক্রেটারি এনাম বলেন, তার পিতা ওয়াজউদ্দিন আশরাফ মিয়া থেকে দুইখানি জমি ক্রয় করে বেড়িবাঁধের বাইরের চর মাথাখিলা বাবত ৬০ শতক জমি নগদ ৪৫ হাজার টাকা দিয়ে উজানটিয়া ইউনিয়নের তৎকালীন মেম্বার শহীদের সহ স্থানীয় গন্যমান্য সালিশকারদের সিদ্ধান্ত মত দখলনামা বুঝি নেন। এর পর নাসিটি স্থানীয় কৃষকদের সুবিধামত ব্যবস্থাপনার ২০০৫-০৬ অর্থ বছর ৫ বছর মেয়াদী ইজারা নিয়ে এখনো হানগাদ খাজনা পরিশোধ করা অবস্থায় আশরাফ মিয়ার ছেলে শকাব উদ্দিন নাসির মুখ বন্ধ করে প্রবাসী বেলালকে জায়গাটি বিক্রি দিলে বেলাল স্থানীয় প্রভাবশালী সশস্ত্র লোকদের নিয়ে প্রবাহিত খালের অংশ সহ জবর দখলে নিয়েছে।
এব্যপারে স্থানীয় ইইনিয়ন পরিষদে ও পেকুয়া থানায় বিচারাধীন রয়েছে। থানা ও পরিষদের নিষেধাজ্ঞার কোন তওয়াক্কা না করে সন্ত্রাসীদের জড়ো করে কুঁড়ে ঘর নির্মাণ করেছে।
এব্যাপারে উজানটিয়া ইউনিয়নের প্যনেল চেয়ারম্যান ওসমানের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত দুপক্ষকে কাজ করতে নিষেধ করা হয়েছে। মাতামুহুরি নদী থেকে খনন করা অতি প্রয়োজনীয় পেকুয়া খাল কিভাবে দখল হচ্ছে জানতে চাইলে তিনি জানান খালে মূল অংশ পেকুয়া ইউনিয়ন ও উজানটিয়া ইউনিয়নের দুপাশ থেকে দখল হয়েগেছে এখনো অব্যাহত রয়েছে।
দুটি খালের চর জবর দখলের ব্যপারে জানতে চাইলে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুহাম্মদ মইনুল হোসেন চৌধুরী বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ড যখন সহযোগিতা চেয়েছে ব্যবস্থা নিয়েছি এখনও সহযোগিতা দিব।
কক্সবাজারের নির্বাহী প্রকৌশলী অরুপ চক্রবর্তীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন বেড়িবাঁধের পাশের জায়গায় কোন প্রকার স্থাপনার সুযোগনাই, এগুলো উচ্ছেদ চলমান প্রক্রিয়া উল্লেখ করে আরো বলেন, নতুন স্থাপনা কোনভাবেই মেনে নেয়া যায়না এটা উচ্ছেদ করা হবে।

অনলাইন ডেস্ক