| ১৬ এপ্রিল ২০২৬

মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিনের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের হিড়িক

মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিনের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের হিড়িক

কক্সবাজার জেলার চকরিয়ায় মাতামুহুরী নদীতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিরক্ষা উন্নয়ন কাজের সংকটাপন্ন এলাকায় শ্যালো মেশিন বসিয়ে রাতের আঁধারে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের মহোৎসব শুরু হয়েছে।

সোমবার (৩ নভেম্বর) উপজেলার কৈয়ারবিল মুহুরীপাড়া অংশে মাতামুহুরি নদীতে শ্যালো মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের এমন দৃশ্য দেখা যায়।

এলাকাবাসীর অভিযোগ,শ্যালো মেশিনের বিকট শব্দে রাতের বেলায় ওই এলাকার পরিবার গুলোর ঘুম হারাম হয়ে গেছে। জড়িতরা স্থানীয়ভাবে দাপুটে হওয়ায় এলাকাবাসী কেউ সেলো মেশিন বন্ধ করতে এবং বালু উত্তোলনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করার সাহসও পাচ্ছে না। এমন প্রেক্ষাপটে দিবা রাত্রি বালু উত্তোলনের কারণে ওই এলাকায় নতুন করে নদী ভাঙ্গনের উদ্বেগ আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে এলাকাবাসীর মাঝে।

বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ডের (কক্সবাজার পওর বিভাগ-২) নির্বাহী প্রকৌশলী অরুপ চক্রবর্তী বলেন,দুই বছর আগে চকরিয়া উপজেলার মাতামুহুরী নদীর কৈয়ারবিল মুহুরীপাড়া থেকে ছিকলঘাট মন্ডলপাড়া অংশে নদীর তীরে সাড়ে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দের বিপরীতে ২২০০ মিটার প্রতিরক্ষা উন্নয়ন কাজ করেছেন বান্দরবান পানি উন্নয়ন বোর্ড। সেই প্রতিরক্ষা উন্নয়ন কাজের বদৌলতে কৈয়ারবিল ইউনিয়ন ও পাশের লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের হাজারো পরিবার তাদের বসতবাড়ি, ফসলি জমি মসজিদ মাদ্রাসা ও কবরস্থান নদীতে তলিয়ে যাওয়া থেকে সুরক্ষা করতে পেরেছে। অথচ এখন মাতামুহুরী নদীর সংকটাপন্ন সেই এলাকা থেকে বালু উত্তোলন করে পাউবোর উন্নয়ন কাজ ঝুঁকির মধ্যে ফেলে দিয়েছেন কতিপয় লোকজন।

সরেজমিনে দেখা গেছে, পাউবোর সাড়ে ৮ কোটি টাকা বরাদ্দে নির্মিত টেকসই প্রতিরক্ষা কাজের স্থায়ীত্বের কল্যাণে নদী ভাঙ্গনের পথ রুদ্ধ হবার পর ইতোমধ্যে ওই এলাকা তথা কৈয়ারবিল মুহুরীপাড়া ও লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের মন্ডলপাড়া,রোস্তম আলী চৌধুরী পাড়া পয়েন্টে নদীর তীরে নতুন করে বিল্ডিং তথা পাকা বসতবাড়ি তৈরি শুরু করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পাশাপাশি এলাকায় উন্নয়ন কাজের মাধ্যমে নতুন করে সাজানো ঘুচানো হচ্ছে মসজিদ মাদ্রাসা,সরকারি প্রাইমারী স্কুল গুলোর অবকাঠামো। মুলত পানি উন্নয়ন বোর্ডের টেকসই জিওব্যাগ ডাম্পিং কাজের কারণে নদী ভাঙ্গনের উদ্বেগ আতঙ্ক কেটে যাওয়ায় এলাকাবাসীও সেখানে নির্ভয়ে বসবাস শুরু করেছেন।

অভিযোগ উঠেছে,সম্প্রতি সময়ে স্থানীয় একাধিক দাপুটে চক্র মাতামুহুরী নদীর কৈয়ারবিল মুহুরীপাড়া ও মন্ডলপাড়া প্রাইমারী স্কুল লাগোয়া নদীর তীরে পাউবোর প্রতিরক্ষা কাজের সংকটাপন্ন এলাকায় শ্যালো মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন শুরু করেছে। এমন পরিস্থিতিতে পাউবোর প্রতিরক্ষা কাজের বিপরীতে বসবাসের ক্ষেত্রে এতদিন নির্ভয়ে থাকা স্থানীয় এলাকাবাসীর মাঝে নতুন করে নদী ভাঙ্গন আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।

এলাকাবাসী আরও অভিযোগ করে জানান,স্থানীয় আশেক, কাউছার ও মনু নামের কতিপয় বালু লুটেরা চক্র প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রতিরক্ষা কাজের সংকটাপন্ন এলাকা থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে বাণিজ্যে মেতে উঠেছে। এমনকি নদীতে বসানো তাদের একাধিক শ্যালো মেশিনের বিকট শব্দে রাতের বেলায় স্থানীয় এলাকাবাসী ঠিকমতো ঘুমাতে পারছেনা।

এ অবস্থায় স্থানীয় এলাকাবাসী এবং পরিবেশ সচেতন মহল পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাড়ে ৮ কোটি টাকার প্রতিরক্ষা কাজের সুরক্ষা ও মাতামুহুরী নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে জনগণের জানমাল রক্ষায় অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসন ও কক্সবাজার পরিবেশ অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্টদের কাছে জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। পাশাপাশি বালু লুটেরা চক্রের বিরুদ্ধে তড়িৎ অভিযান পরিচালনা করে আইনী পদক্ষেপ গ্রহনের দাবি জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে চকরিয়া উপজেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভুমি) রুপায়ন দেব বেলাভূমিকে বলেন,কৈয়ারবিল মুহুরীপাড়া লাগোয়া পাউবোর প্রতিরক্ষা কাজের সংকটাপন্ন এলাকা থেকে শ্যালো মেশিন বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করার বিষয়টি ইতোমধ্যে নিশ্চিত হয়েছি। জড়িত বালুখেকোরা প্রশাসনের অভিযান ফাঁকি দিতে এখন কৌশল পাল্টিয়ে রাতের বেলায় বালু উত্তোলন করছে।

তিনি আরও বলেন,পাউবোর উন্নয়ন কাজের সুরক্ষা এবং স্থানীয় এলাকাবাসীর নিরাপদ বসবাস নিশ্চিত করতে অবশ্যই ওই এলাকা থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে দ্রুত সময়ের মধ্যে অভিযান পরিচালনা করা হবে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিনের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের হিড়িক

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিনের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের হিড়িক

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি-আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক- আজিম উদ্দিন

পেকুয়ার মগনামা বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

মাতামুহুরী নদীতে শ্যালো মেশিনের অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের হিড়িক

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির দ্বি বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১১ (এপ্রিল) ইউপির বেদারবিল পাড়ার নতুন মার্কেট এলাকায় সকাল ৮ টা ২০ মিনিটের সময় ভোট গ্রহণ শুরু হয় শেষ হয় দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে সভাপতি,সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এসময় ৩ টি বুথে ৩৮০ ভোটার মধ্যে ২৮১ ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায় এবং দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবীণদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তারা সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানান, তারা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামাজিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচনে ৩ টি পদে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেন নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলম।

সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান (চেয়ার মার্কা) ১৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
নুরুল হুদা (ছাতা মার্কা) পেয়েছেন ১৩০ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে বদি আলম (হরিণ মার্কা) ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
দেলোয়ার হোছেন (ফুটবল মার্কা) ৯৮ ভোট, আবু নয়ন (টিউবওয়েল মার্কা) পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আজিম উদ্দিন (গোলাপ ফুল মার্কা) ১৫৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (দেওয়াল ঘড়ি মার্কা) ১১৮ ভোট পেয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘবছর পর কাদের বলির পাড়া ও বেদার বিল পাড়া এলাকার সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যদি সমাজ পরিচালনা করা হয় তাহলে সমাজের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা যায়। মগনামার সকল সমাজ পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এবং মগনামায় এই কমিটির মাধ্যমে সকল দখলবাজি,চাঁদাবাজি,অনলাইন জুয়া ও মাদক চিরতরে বন্ধ করা হবে।