| ২১ এপ্রিল ২০২৬

গ্লোবাল টিভিতে প্রচারিত প্রতিবেদনের আনোয়ারুল ইসলামের প্রতিবাদ ও নিন্দা

গ্লোবাল টিভিতে প্রচারিত প্রতিবেদনের আনোয়ারুল ইসলামের প্রতিবাদ ও নিন্দা
প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ
স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেল গ্লোবাল টেলিভিশনে রাজাখালীর মাদক বিষয়ে প্রচারিত সংবাদটির নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন আনোয়ারুল ইসলাম রুবেল। তিনি গণমাধ্যমে পাঠানো তার লিখিত বক্তব্যে সংবাদটির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান। তার লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, আমি আনোয়ারুল ইসলাম রুবেল ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হাজী মেহের সল্ট, সাবেক সহসভাপতি পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদল, রাজাখালী, পেকুয়া কক্সবাজার।
আমি স্পষ্টভাবে জানাচ্ছি যে সম্প্রতি (গ্লোবাল) টিভিতে সম্প্রচারিত প্রতিবেদন এবং এতে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ব্যক্তিদের বক্তব্য সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। প্রচারিত প্রতিবেদনে আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ তুলে ধরা হয়েছে, যেমন আমি নির্দিষ্ট ব্যক্তিদের মাদক পরিবহনে বাধ্য করছি এবং তাদের হুমকি দিচ্ছি, কিংবা মাদক ব্যবসা করছি এসব সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন শুধু তাই নয় এসব অভিযোগ  কাল্পনিক ও হাস্যকর।
আমার পরিবার দীর্ঘকাল ধরে রাজাখালীতে সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গে যুক্ত। আমার পিতা রাজাখালী ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচিত সাবেক চেয়ারম্যান এবং আমার দাদা হাজ্বী মেহের আলী জীবদ্দশায় মেহেরুল উলুম দাখিল মাদ্রাসা, জামাল মেহের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,  জহুরা খাতুন এতিমখানা, রাজাখালী আমিন বাজার এবং স্থানীয় মসজিদ-মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন।
সম্প্রচারিত প্রতিবেদনে আমার ও আমার পরিবারের সু-খ্যাতি কলুষিত করার লক্ষে পরিকল্পিতভাবে গল্প বানানো হয়েছে তা যেকোন কেউ সাধারণভাবে বুঝে যাবে। প্রতিবেদনে বক্তব্য/অভিযোগ প্রদানকারী ব্যক্তিরা, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত জলদস্যু এবং মাদক গডফাদার রাজাখালী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আনসারুল ইসলাম টিপুর ক্যাডার বাহিনী। তারা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট আমলে ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমার দাদার প্রতিষ্ঠিত আমিন বাজার অবৈধভাবে দখল করে রেখেছে। যেখানে আদালতের উচ্ছেদ আদেশ ও চলমান মামলা রয়েছে। তাদের এহেন নোংরা কর্মকান্ড ও ফ্যাসিস্ট আমলের ক্ষমতার অপব্যবহার করে আমাদের পরিবারকে দীর্ঘ ১৭ বছর এলাকা ছাড়া করে রেখেছিলো।
মুলত তারা নিজেদের অপকর্ম ঢাকতে নতুন করে আমাদের নামেও হাস্যকর কাল্পনিক গল্প বানিয়ে যাচ্ছেন এটা তার ছোট নাটিকা উপস্থাপন মাত্র। প্রতিবেদন প্রকাশের আগে যিনি ফোনে আমার বক্তব্য নিয়েছেন তিনি নিজেকে আঞ্জাম খালেক হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। ঘটনাস্থলে না এসে যাচাই-বাছাই না করে আরেকজনের পাঠানো মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত  গল্প প্রতিবেদন আকারে উপস্থাপন করেছে যা সাংবাদিকতার নুন্যতম নীতি লঙ্ঘন করার সামিল। দেশের মেইনস্ট্রিম মিডিয়া যেখানে মানুষের বিশ্বাসের জায়গা হবার কথা সেখানে এসব মেটিকুলাস স্ক্রীপ্ট আর বক্তব্য দিয়ে মনগড়া প্রতিবেদন প্রকাশ ফ্যাসিস্ট আমলের সাংবাদিকতারই বহিঃপ্রকাশ।
আমি দ্ব্যর্থহীন ভাষায় বলতে চাই প্রতিবেদনে উল্লেখিত আমার বিরুদ্ধে করা প্রতিটি শব্দ আর অভিযোগ নিরপেক্ষ তদন্ত করা হোক, তাতে যদি নুন্যতম মাদক সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ আমার বিরুদ্ধে পাওয়া যায় তাহলে আইন অনুযায়ী দ্রুত আমার শাস্তি হোক। কিন্ত তা যদি হয় আমার পরিবারের সম্মান নস্ট করা বা পরিকল্পিতভাবে সমাজের কাছে আমাদের হ্যয় করার নীল নকশা, তাহলে বলবো আল্লাহ সহায় তিনি বিচার করবেন। পুরোনো শকুনেরা সব দলের আমলে নিরাপদ, কেননা তাদের কালো হাত সবদলে থাকে। এখনো তারা সমাজে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে আর মানুষ দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা গল্প বলাচ্ছে।
প্রকৃতপক্ষে যারা আমার বিরুদ্ধে এসব মিথ্যা শিখিয়ে দেয়া কাল্পনিক বক্তব্য দিয়েছে তাদের বিরুদ্ধে আমাদের করা অনেক মামলা চলমান রয়েছে দীর্ঘ বছর ধরে। কারণ ইতিপূর্বে এই সন্ত্রাসীরা আমার বাবাকে হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা করেছিলো। বক্তব্য দেয়া সন্ত্রাসী এবং তাদের অপর ভাইদের বিরুদ্ধে আমার বাবা ২০১৯ সালে মামলা করেছে আমার বাবাকে হামলার অপরাধে। তারা আমার পিতা আমার ভাই কিংবা আমার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালানো হুমকি ধমকিসহ নানান অপরাধে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনের আশ্রয় নিই। তাদের বিরুদ্ধে ১। মামলা নং ১১/৫৩, জি/আর-৫৩/১৯, ২। মামলা নং ১৬/৩০ (২০১৯), ৩। মামলা নং ৩০/১৯ (১৮/০২/২০১৯),৪। মামলা নং ৩/০৩ (২০১৯), ৫। সি আর মামলা নং ১০৪৭/২০২০, ৬। সি আর মামলা নং ১১৯/২০২১ মামলা চলমান। এসব মামলায় তারা অভিযুক্ত হিসেবে প্রমাণিত তাই তারা নতুন করে এসব মিথ্যা গল্প বানিয়ে প্রচার করতে চায়। কিংবা মাদকের মতো বিষয় নিয়ে আমাদেরকে পরিকল্পিতভাবে ফাসাঁনোর চেষ্টায় রয়েছেন এটি তার নমুনা মাত্র। তারা চায় এসব বলে আমাদেরকে তাদের সমান বানাবে কিংবা আমাদের ইজ্জতহানী করবে।
সত্যিকার অর্থে এসব গল্প বানিয়ে প্রচার করলে কি পূর্বের অপরাধে করা মামলা থেকে রেহায় পাওয়া যাবে? কিংবা আমাদেরকে দুর্বল করা যাবে? এসব অপরাধে আদালত নিশ্চয়ই তাদের শাস্তি দিবে। তা মহামান্য আদালতের উপর ছেড়ে দিলাম। আর এই মিথ্যা সংবাদ সম্পূর্ণভাবে আমি ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করলাম এবং উক্ত সংবাদে কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি। কোন অপরাধী অপরাধ ঢাকতে অন্যকে মাদক ব্যবসায়ী বলে বক্তব্য দিলে তা প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়না, কারণ মানুষের বিবেক আছে। আর আমার এলাকার মানুষ আমাদের পরিবার সম্পর্কে ভালো জানেন। আমি উক্ত সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
আনোয়ারুল ইসলাম রুবেল
ব্যবস্থাপনা পরিচালক, হাজী মেহের সল্ট
সাবেক সহ-সভাপতি পেকুয়া উপজেলা ছাত্রদল, রাজাখালী, পেকুয়া কক্সবাজার।

পেকুয়ায় ৪৯৬৮ জেলে পরিবারকে ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ, মেম্বার চেয়ারম্যান সংঘর্ষ

গ্লোবাল টিভিতে প্রচারিত প্রতিবেদনের আনোয়ারুল ইসলামের প্রতিবাদ ও নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক 
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার ৪৯৬৭জেলের জন্য ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার ৭ ইউনিয়নের নিবন্ধিত জেলেদের মাছ আহরনের নিষিদ্ধ সময় ৫৮ দিনের জনয পরিবার প্রতি ৭৭ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক বরাদ্দ প্রদানে সমতা রক্ষা ও আগে পরে বিতরণের অভিযোগ তুলে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
রাজাখালী ইউনিয়নের ১৭২২ জন জেলেকে ১৩৩.১৬২ মে. টন, বারবাকিয়ায় ২২১ জনকে ১৭.০৯০ মে. টন,
শিলখালী ইউনিয়নে তালিকাভুক্ত ১৩২ ও টৈটং ইউনিয়নে ২৫৮ জন জেলে পরিবারের মাঝে ১৯.৯৫১ মে. টন, মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। পেকুয়া সদরে ৯০৬ জনকে ৭০.০৬১ মে. টন, মগনামা ইউনিয়নের ৯৩১ জনকে ৭১.৯৯৪ মে.টন, উজানটিয়ায় ৭৯৭ জনকে ৬১.৬৩২ মে.টন ও শিলখালী ইউনিয়নের ১৩২ জন জেলেকে ১০.২০৮ মে. টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য নুর মোহাম্মদ নিজ ওয়ার্ডের ২০৩ জন জেলের কার্ড নিজের হাতে নিতে না পেরে চেয়ারম্যানের ওপর চড়াও হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ পাওয়াগেছে।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, উপজেলা প্রশাসনের প্রদত্ত তালিকা অনুযায়ী ব্যক্তিদের মাঝে নিয়ম মোতাবেক বিতরণ করা ছাড়া কাউকে সব কার্ড দিয়ে দেয়ার সুযোগ নেই। অতীতে ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য নুর মোহাম্মদ তার ওয়ার্ডের সব কার্ড নিয়ে মালামাল নিয়ে অনোক কার্ডধারীকে প্রদান না করায় অভিযোগ রয়েছে। সে জন্য এবার উপকারভোগীকে সরাসরি বিতরণ করা হয়।
একদিকে ২০ এপ্রিল সকাল ১০ টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে চাল বিতরণকালে টাকা নেয়াকে কেন্দ্র করে মহিলা মেম্বার সাদেকা ও নুরুল আবছার বদু মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে।

মহিলা মেম্বার ছাদেকা বেগম বলেন, নুরুল আবছার বদু মেম্বার তার ওয়ার্ডের জেলে উপকারভোগীর কার্ড নিজের আয়ত্তে নেয়ার পরও অন্যান্য উপকার ভোগীদের চাল নিতে জটলা সৃষ্টি করে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা দিলে প্রতিবাদ করলে মহিলা সত্বেও হামলা করে। তিনি এব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক শরীফের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পেকুয়া থানায় এজাহার দায়ের করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বুলবুল আহমদ।

মৎস্য কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় নিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলো যাতে খাদ্য সংকটে না পড়ে, সে জন্য পর্যায়ক্রমে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি পরিবারকে সরকার নির্ধারিত ৭৭কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক শরীফ বলেন, “আমি বর্তমানে কক্সবাজারে একটি মিটিংয়ে আছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, মাছের প্রজনন মৌসুমে সাগর ও নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় নিবন্ধিত জেলেদের জীবিকা নির্বাহে সহায়তা দিতে সরকার বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। এর আওতায় রাজাখালী ইউনিয়নের ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৫৯৪ জন কার্ডধারী জেলেকে ৭৭ কেজি করে চাল বিতরণকালে এমারামারির ঘটনা ঘটে। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

পেকুয়ায় ১৬৯ কেন্দ্রে হাম-রুবেলা টিকাদানের আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পেইন শুরু

গ্লোবাল টিভিতে প্রচারিত প্রতিবেদনের আনোয়ারুল ইসলামের প্রতিবাদ ও নিন্দা

নিজস্ব প্রতিবেদক
সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন।

এ উপলক্ষে উপজেলার ০৬ মাস থেকে ০৫ বছরের কম বয়সী সকল সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশুদের ১ ডোজ করে হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১৬৯টি কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬৮টি অস্থায়ী কেন্দ্র ও ১টি স্থায়ী কেন্দ্র। প্রতিটি কেন্দ্রে শিশুদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১ ডোজ করে টিকা প্রদান করা হবে।

পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুজিবুর রহমান  জানান, এ কর্মসূচি ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। তিনি সকল অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের শিশুদের টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হাম ও রুবেলা একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের এই রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। তাই সকলের সচেতন অংশগ্রহণই এই কর্মসূচির সফলতার মূল চাবিকাঠি।

সভাপতি মোস্তাফিজ, সেক্রেটারী জাকারিয়া

বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সংসদের কমিটি গঠিত

গ্লোবাল টিভিতে প্রচারিত প্রতিবেদনের আনোয়ারুল ইসলামের প্রতিবাদ ও নিন্দা

সভাপতি মোস্তাফিজ, সেক্রেটারী জাকারিয়া
নিজস্ব প্রতিনিধি,পেকুয়া:
পেকুয়া উপজেলার অন্যতম বিদ্যাপীঠ বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সংসদের ৯১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি, ফোরকান আলী আহমদকে সিনিয়র সহসভাপতি, সহসভাপতি পদে আবদু শুক্কুর, ওসমান গণি, তারেক রহমান, আবদুল হামিদ, শাহনেওয়াজ সুমন, হোছাইন মুহাম্মদ জাকারিয়া সাধারন সম্পাদক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: রিদুয়ানুল হক, মো: জয়নাল, রুহুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাগর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল আলম, মো: মোস্তাকিম, জুনাইদ বোগদাদী, তারেকুর রহমান তায়েবী, পারভেজ মোশারফ ইমন, মো: ফোরকান, শহিদুল ইসলাম, ইমরান কামাল ইমন, আরফাত সানি, মো: ইব্রাহীম, মো: সাকিব, শহিদুল ইসলাম, মো: তোহা. শাহেদ উদ্দিন মনির, মো: সায়েদ হোছাইন, মো: শাকিল, নেছার উদ্দিন, সাজ্জাদ হোছাইন, রুহুল এমরান, রিয়াদুল ইসলাম, নাজির বাদশা, ইফতেখার হোছাইন, মো: সোলতান, শহিদুল ইসলাম, জিয়া উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, আজিম উদ্দিন, মো: আরফাত, দিদার খান, তামজিদ মোহাম্মদ হামিম, তামিম ইকবাল, হুমায়ুন মোর্শেদ, উথোইং রাখাইন, সরুজ দেব নাথ, মোস্তফা কামাল, হানিফ সংকেত, হারুনুর রশিদ, ওবাইদুল ইসলাম রাবিদ, মোহাম্মদ নুরুচ্ছবি, মনির উদ্দিন, মো: জিয়াবুল, মো: মিজান, আনিছুর রহমান, মো: আশেক, মো: রিফাত, মো: রফিক, মোহাম্মদ মুজিবসহ ৯১ জনের কমিটি গঠিত হয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল আগামী ২ বছরের জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়।