| ২১ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়ায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

পেকুয়ায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

দেলওয়ার হোসাইন, সিনিয়র করেসপন্ডেন্টঃ 

‎কক্সবাজারের পেকুয়ায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান পরিচালনা করেন পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন। অভিযানে বারবাকিয়া বাজার এলাকায় ভোলা খালের অংশে একটি অবৈধভাবে নির্মীত পাকা দোকান ঘর গুড়িয়ে দেওয়া হয়।

‎মঙ্গলবার (১২ আগষ্ট) বিকেল সাড়ে ৪ টার দিকে উপজেলার বারবাকিয়া বাজারে এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন পেকুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুর পেয়ারা বেগম।

‎বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি অফিস সুত্রে জানা যায়, শিলখালী ইউনিয়নের মাঝের ঘোনা এলাকার সৌদি প্রবাসী আবদুল শুক্কুর ভোলা খালের জায়গা দখল করে পাকা দোকান নির্মাণ কাজ করে আসছিল।  খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি অফিসের পক্ষ থেকে বারবার নিষেধ করা হলেও তিনি নিষেধ অমান্য করে অবৈধভাবে পাকা দোকান নির্মাণ কাজ চলমান রাখে। আজ পেকুয়া উপজেলা সহকারী কমিশনারের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে পাকা দোকান ঘরের পিলার ও অবকাঠামো ঘুড়িয়ে দেওয়া হয়।

‎এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট নুর পেয়ারা বেগম বলেন,অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ জেলা প্রশাসনের উদ্যোগের অংশ হিসেবে পেকুয়া উপজেলা প্রশাসন ‎এ অভিযান পরিচালনা করেন।

‎মুলত নদী জায়গা হচ্ছে জাতীয় সম্পদ, যারা রাতের আধাঁরে নদীর জায়গা দখল করে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ করবে তাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি প্রয়োগ করবে। আজকে নদীর জায়গায় যে অবৈধ স্থাপনাটি উচ্ছেদ করা হয়েছে তাকে প্রথামিক ভাবে নিষেধ করা হলেও অমান্য করায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। তিনি বলেন, আগামীতে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে  নদী ও সরকারি সম্পদ উদ্ধারে এধরণের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

‎অভিযানে বারবাকিয়া ইউনিয়ন ভূমি উপ সহকারী  আফছার কামাল, মোহছেনা আক্তার, বারবাকিয়া ইউনিয়ন পরিষদের ইউপি সদস্য মো. ইউনুস, ইউপি সদস্য আনছার হোসেন সহ পেকুয়া থানা পুলিশের বিশেষ টিম উপস্থিত ছিলেন।  #####

পেকুয়ায় ৪৯৬৮ জেলে পরিবারকে ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ, মেম্বার চেয়ারম্যান সংঘর্ষ

পেকুয়ায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক 
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার ৪৯৬৭জেলের জন্য ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার ৭ ইউনিয়নের নিবন্ধিত জেলেদের মাছ আহরনের নিষিদ্ধ সময় ৫৮ দিনের জনয পরিবার প্রতি ৭৭ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক বরাদ্দ প্রদানে সমতা রক্ষা ও আগে পরে বিতরণের অভিযোগ তুলে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
রাজাখালী ইউনিয়নের ১৭২২ জন জেলেকে ১৩৩.১৬২ মে. টন, বারবাকিয়ায় ২২১ জনকে ১৭.০৯০ মে. টন,
শিলখালী ইউনিয়নে তালিকাভুক্ত ১৩২ ও টৈটং ইউনিয়নে ২৫৮ জন জেলে পরিবারের মাঝে ১৯.৯৫১ মে. টন, মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। পেকুয়া সদরে ৯০৬ জনকে ৭০.০৬১ মে. টন, মগনামা ইউনিয়নের ৯৩১ জনকে ৭১.৯৯৪ মে.টন, উজানটিয়ায় ৭৯৭ জনকে ৬১.৬৩২ মে.টন ও শিলখালী ইউনিয়নের ১৩২ জন জেলেকে ১০.২০৮ মে. টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য নুর মোহাম্মদ নিজ ওয়ার্ডের ২০৩ জন জেলের কার্ড নিজের হাতে নিতে না পেরে চেয়ারম্যানের ওপর চড়াও হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ পাওয়াগেছে।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, উপজেলা প্রশাসনের প্রদত্ত তালিকা অনুযায়ী ব্যক্তিদের মাঝে নিয়ম মোতাবেক বিতরণ করা ছাড়া কাউকে সব কার্ড দিয়ে দেয়ার সুযোগ নেই। অতীতে ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য নুর মোহাম্মদ তার ওয়ার্ডের সব কার্ড নিয়ে মালামাল নিয়ে অনোক কার্ডধারীকে প্রদান না করায় অভিযোগ রয়েছে। সে জন্য এবার উপকারভোগীকে সরাসরি বিতরণ করা হয়।
একদিকে ২০ এপ্রিল সকাল ১০ টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে চাল বিতরণকালে টাকা নেয়াকে কেন্দ্র করে মহিলা মেম্বার সাদেকা ও নুরুল আবছার বদু মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে।

মহিলা মেম্বার ছাদেকা বেগম বলেন, নুরুল আবছার বদু মেম্বার তার ওয়ার্ডের জেলে উপকারভোগীর কার্ড নিজের আয়ত্তে নেয়ার পরও অন্যান্য উপকার ভোগীদের চাল নিতে জটলা সৃষ্টি করে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা দিলে প্রতিবাদ করলে মহিলা সত্বেও হামলা করে। তিনি এব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক শরীফের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পেকুয়া থানায় এজাহার দায়ের করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বুলবুল আহমদ।

মৎস্য কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় নিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলো যাতে খাদ্য সংকটে না পড়ে, সে জন্য পর্যায়ক্রমে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি পরিবারকে সরকার নির্ধারিত ৭৭কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক শরীফ বলেন, “আমি বর্তমানে কক্সবাজারে একটি মিটিংয়ে আছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, মাছের প্রজনন মৌসুমে সাগর ও নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় নিবন্ধিত জেলেদের জীবিকা নির্বাহে সহায়তা দিতে সরকার বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। এর আওতায় রাজাখালী ইউনিয়নের ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৫৯৪ জন কার্ডধারী জেলেকে ৭৭ কেজি করে চাল বিতরণকালে এমারামারির ঘটনা ঘটে। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

পেকুয়ায় ১৬৯ কেন্দ্রে হাম-রুবেলা টিকাদানের আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পেইন শুরু

পেকুয়ায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

নিজস্ব প্রতিবেদক
সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন।

এ উপলক্ষে উপজেলার ০৬ মাস থেকে ০৫ বছরের কম বয়সী সকল সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশুদের ১ ডোজ করে হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১৬৯টি কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬৮টি অস্থায়ী কেন্দ্র ও ১টি স্থায়ী কেন্দ্র। প্রতিটি কেন্দ্রে শিশুদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১ ডোজ করে টিকা প্রদান করা হবে।

পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুজিবুর রহমান  জানান, এ কর্মসূচি ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। তিনি সকল অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের শিশুদের টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হাম ও রুবেলা একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের এই রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। তাই সকলের সচেতন অংশগ্রহণই এই কর্মসূচির সফলতার মূল চাবিকাঠি।

সভাপতি মোস্তাফিজ, সেক্রেটারী জাকারিয়া

বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সংসদের কমিটি গঠিত

পেকুয়ায় নদীর জায়গায় অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে প্রশাসনের অভিযান

সভাপতি মোস্তাফিজ, সেক্রেটারী জাকারিয়া
নিজস্ব প্রতিনিধি,পেকুয়া:
পেকুয়া উপজেলার অন্যতম বিদ্যাপীঠ বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সংসদের ৯১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি, ফোরকান আলী আহমদকে সিনিয়র সহসভাপতি, সহসভাপতি পদে আবদু শুক্কুর, ওসমান গণি, তারেক রহমান, আবদুল হামিদ, শাহনেওয়াজ সুমন, হোছাইন মুহাম্মদ জাকারিয়া সাধারন সম্পাদক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: রিদুয়ানুল হক, মো: জয়নাল, রুহুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাগর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল আলম, মো: মোস্তাকিম, জুনাইদ বোগদাদী, তারেকুর রহমান তায়েবী, পারভেজ মোশারফ ইমন, মো: ফোরকান, শহিদুল ইসলাম, ইমরান কামাল ইমন, আরফাত সানি, মো: ইব্রাহীম, মো: সাকিব, শহিদুল ইসলাম, মো: তোহা. শাহেদ উদ্দিন মনির, মো: সায়েদ হোছাইন, মো: শাকিল, নেছার উদ্দিন, সাজ্জাদ হোছাইন, রুহুল এমরান, রিয়াদুল ইসলাম, নাজির বাদশা, ইফতেখার হোছাইন, মো: সোলতান, শহিদুল ইসলাম, জিয়া উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, আজিম উদ্দিন, মো: আরফাত, দিদার খান, তামজিদ মোহাম্মদ হামিম, তামিম ইকবাল, হুমায়ুন মোর্শেদ, উথোইং রাখাইন, সরুজ দেব নাথ, মোস্তফা কামাল, হানিফ সংকেত, হারুনুর রশিদ, ওবাইদুল ইসলাম রাবিদ, মোহাম্মদ নুরুচ্ছবি, মনির উদ্দিন, মো: জিয়াবুল, মো: মিজান, আনিছুর রহমান, মো: আশেক, মো: রিফাত, মো: রফিক, মোহাম্মদ মুজিবসহ ৯১ জনের কমিটি গঠিত হয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল আগামী ২ বছরের জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়।