| ২১ মে ২০২৬

চকরিয়ায় পুকুরে ডুবে চার বছরের সাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু !

চকরিয়ায় পুকুরে ডুবে চার বছরের সাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু !

 

চকরিয়া প্রতিনিধি
এবার পুকুরে ডুবে মর্মান্তিক মৃত্যু ঘটলো চার বছর বয়সি মো.সাদিকের। ছোট্ট শিশু সাদিককে হারিয়ে বাবা-মা ও আত্মীয়স্বজনের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। হৃদয়বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নে।
মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের ঈদমনির কদ্দাছড়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত শিশু মো.সাদিক ওই এলাকার মো.পারভেজের ছেলে।
নিহতের আত্মীয় মো.হুমায়ুন কবির জানান, মঙ্গলবার দুপুরে বাড়ির পাশের্^ পুকুরে খেলা করছিলো শিশু মো.সাদিক। খেলতে গিয়ে অসাবধনতায় পুকুরে পড়ে তলিয়ে যায়। স্থানীয় লোকজন পুকুরের পানিতে ভাসতে দেখে সাদিককে উদ্ধার করে চকরিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষনা করেন।
পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়ন পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো.হারুনুর রশিদ জানান, পুকুরের পানিতে ডুবে সাদিক নামের চার বছর বয়সি এক শিশুর মৃত্যুও খবর পেয়েছি। ঘটনাটি প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, লাশ দাফনের প্রক্রিয়া চলছে। ছোট্ট শিশু সাদিকের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ধরনের মৃত্যু বেদনাদায়ক।

কোটি টাকার জমি মাত্র ১০ লাখে বিক্রি জড়িত ডিএফও এবং রেন্জ কর্মকর্তা শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

চকরিয়ায় পুকুরে ডুবে চার বছরের সাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু !

কোটি টাকার জমি মাত্র ১০ লাখে বিক্রি জড়িত ডিএফও এবং রেন্জ কর্মকর্তা শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ

গতকাল ২০ মে চট্টগ্রাম থেকে প্রকাশিত দৈনিক সাঙ্গু পত্রিকায় বনবিভাগের কোটি টাকার জমি মাত্র ১০ লাখে বিক্রি, জড়িত ডিএফও এবং রেন্জ কর্মকর্তা শীর্ষক প্রকাশিত সংবাদটি আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। উক্ত সংবাদে পরিকল্পিতভাবে মিথ্যাচার এবং মানহানি করা হয়েছে। এই সংবাদের নুন্যতম কোন সত্যতা নাই। আমি মনে করছি বনের জমি খেকোরা পরিকল্পিতভাবে এমন মিথ্যাচার করে বন বিভাগের সুনাম ক্ষুন্ন করছে, তবে দু:খজনক হলেও সত্য তাতে অসাধু এক বিট কর্মকর্তা জড়িত রয়েছে ।

প্রকৃতপক্ষে ছনুয়া রেন্জের ছনুয়া সদর বিটের ছনুয়া মৌজার ১৬৯৫ বিএস দাগের ১৯৮২ সালে বন বিশ্রামাগারের জন্য এক একর জায়গা অধিগ্রহণ ও বন বিভাগের নামে বিএস খতিয়ান ভুক্ত হয়। যা বন বিভাগের দখলে ছিলো। বর্তমানে উক্ত কর্মস্থলে কর্মরত বিট কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম (ফরেস্ট গার্ড) উক্ত জমি ওই এলাকার জৈনক মিজান চৌধুরীর কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাকে অবৈধ দখলের সুযোগ দেন।

বিষয়টি জানাজানি হলে চট্টগ্রাম উপকুলীয় বিভাগীয় বন কর্মকর্তা এম এ হাছান ও ছনুয়ার রেন্জ কর্মকর্তা মো: জহিরুল ইসলাম উক্ত জায়গা পরিদর্শন করে উক্ত ঘটনার সত্যতা পান। পরবর্তীতে এই অনৈতিক কর্মকান্ডের জন্য ওই অসাধু বিট কর্মকর্তাকে ২২.০১.০০০০.৭৫৭.০৫.২৬.৩২ তারিখ ২৭/০৪/২০২৬ নং স্বারকে শোকজ করা হয়। অভিযুক্ত বিট কর্মকর্তা পরবর্তীতে ৭/০৫/২৬ তারিখে জবাব দেন যা সন্তোষজনক ছিলোনা। যা পরবর্তিতে বিভাগীয় বন কর্মকর্তার নির্দেশে রেন্জ কর্মকর্তা উক্ত জায়গা দখল মুক্ত করে বন বিশ্রামাগারের সাইনবোর্ড স্থাপন এবং বৃক্ষরোপণ করিয়া বনবিভাগের দখলে নিয়ে আসেন। এই ছাড়া উক্ত সংবাদে একটি অডিও রেকর্ডের কথা উল্লেখ করা হয়েছে যা এঘটনার সাথে সম্পৃক্ত নয়।

প্রকৃত পক্ষে কিছুদিন পূর্বে উজানটিয়া পেকুয়ারচর বন বিভাগের জমি জবরদখল উচ্ছেদের দিন ব্যবহৃত ভাড়ায় নেয়া একাধিক যানবাহন, বোট ভাড়া ও শ্রমিকের মজুরীর টাকা পরিশোধের জন্য আমার রেন্জের স্টাফ সাইফুল ইসলাম (বিএম) কে নির্দেশ দিই । অথচ ওই অডিও এই ছনুয়া বিশ্রামাগারের জায়গা দখলের ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে, যা অত্যান্ত হাস্যকর। কাজেই উক্ত সংবাদের আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং কাউকে বিভ্রান্ত না হওয়ার অনুরোধ করছি।

 

প্রতিবাদকারী

মো: জহিরুল ইসলাম

রেন্জ কর্মকর্তা

ছনুয়া রেন্জ।

পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সাপ্তাহ শুরু

চকরিয়ায় পুকুরে ডুবে চার বছরের সাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু !

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ শুরু হয়েছে।
নিরাপদে রাখবো সম্পদ ও জীবন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে আজ ২০ মে সকাল ১১ টায়
পেকুয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে দপ্তরটির ইনচার্জ শফিউল আলমের সভাপতিত্বে কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম।
পরে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়ে পেকুয়া চৌমুহনী চত্বর প্রদক্ষিণ করে। শোভাযাত্রা শেষে ষ্টেশনের হল রুমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, অগ্নিঝুঁকি হ্রাস ও দেশের সম্পদ রক্ষায় এই সংস্থাকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে গড়ে তুলতে হবে।

চকরিয়ায় আলোচিত সেনা কর্মকর্তা তানজিম হত্যা মামলায় রায়

৪ আসামির মৃত্যুদন্ড সহ ৯ জনের সাজা

চকরিয়ায় পুকুরে ডুবে চার বছরের সাদিকের মর্মান্তিক মৃত্যু !

নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বহুল আলোচিত বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন হত্যা মামলায় চার আসামিকে মৃত্যুদন্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে ৫জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড, ৪জনকে ১০ বছরের কারাদণ্ড এবং পাঁচজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
বুধবার (২০ মে) দুপুর ১২টার দিকে কক্সবাজারের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ (পঞ্চম) আদালতের বিচারক মোহাম্মদ আবুল মনসুর সিদ্দিকী এ আলোচিত মামলার রায় ঘোষণা করেন।
মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্তরা হলেন- মো. হেলাল উদ্দিন, নুরুল আমিন, মো. নাছির উদ্দিন ও মোর্শেদ আলম। তাদের মধ্যে মোর্শেদ আলম পলাতক রয়েছেন। তারা সবাই চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের বাসিন্দা।
রায় ঘোষণার আগ থেকেই আদালত এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিপুল সদস্য মোতায়েন করা হয় আদালত এলাকায়। রায় ঘোষণার পর দন্ডপ্রাপ্ত আসামিদের একে একে আদালত ভবন থেকে বের করে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয় এবং কড়া পাহারায় কারাগারে পাঠানো হয়।
রায়কে কেন্দ্র করে আদালত এলাকায় সাধারণ মানুষ, নিহত সেনা কর্মকর্তার স্বজন এবং গণমাধ্যমকর্মীদের ব্যাপক উপস্থিতি দেখা যায়। রায় ঘোষণার সময় আদালত চত্বরে ছিল থমথমে পরিবেশ।
মামলার রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম চৌধুরী জানান, দীর্ঘ শুনানি, সাক্ষ্যপ্রমাণ ও বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনা শেষে আদালত এ রায় দিয়েছেন। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অস্ত্র মামলায়ও কয়েকজন আসামিকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেছেন, “১৮ আসামির মধ্যে ১২ জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। আদালত সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে দন্ডাদেশ দিয়েছেন।”
আদালত সূত্র জানা গেছে, এ মামলায় মোট ১৮ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছিল। তদন্ত শেষে পুলিশ দুই মামলায় অভিযোগপত্র দাখিল করে। তদন্তে এজাহারভুক্ত কয়েকজনের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় তাদের বাদ দেওয়া হয় এবং নতুন কয়েকজনকে অর্ন্তভুক্ত করা হয়।
অভিযোগপত্রভুক্ত আসামিদের মধ্যে ছিলেন- জালাল উদ্দিন ওরফে বাবুল, হেলাল উদ্দিন, মোহাম্মদ আরিফ উল্লাহ, আনোয়ার হাকিম, জিয়াবুল করিম, ইসমাইল হোসেন, নুরুল আমিন, নাছির উদ্দিন, আব্দুল করিম, মোহাম্মদ সাদেক, আনোয়ারুল ইসলাম, মোরশেদ আলম, শাহ আলম, আবু হানিফ, এনামুল হক ওরফে তোতলা এনাম, মো. এনাম, কামাল ওরফে ভেন্ডি কামাল ও মিনহাজ উদ্দিন।
মামলার নথি সূত্রে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের পূর্ব মাইজপাড়া এলাকায় ডাকাতি প্রতিরোধ অভিযানে গিয়ে ছুরিকাঘাতে নিহত হন বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট তানজিম সারোয়ার নির্জন (২৩)। ওই ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করে এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে জাতীয় পর্যায়েও ব্যাপক আলোচনা হয়।
ঘটনার দুই দিন পর ২৫ সেপ্টেম্বর সেনাবাহিনীর সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার আবদুল্লাহ আল হারুনুর রশিদ বাদী হয়ে ১৭ জনের বিরুদ্ধে ডাকাতির প্রস্ততিসহ হত্যা মামলা দায়ের করেন। একই ঘটনায় চকরিয়া থানার তৎকালীন উপপরিদর্শক আলমগীর হোসেন অস্ত্র আইনে আরও একটি মামলা করেন। পরে তদন্তবার পান চকরিয়া থানার তৎকালীন পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) অরূপ কুমার চৌধুরী।
মামলার শুরু থেকেই এটি দেশব্যাপী আলোচিত ছিল। নিহত সেনা কর্মকর্তা তানজিমের পরিবারের সদস্যরা আদালতের রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন বলে জানা গেছে।
অন্যদিকে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা জানিয়েছেন, তারা এ রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন।