| ২১ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়ায় ৪৯৬৮ জেলে পরিবারকে ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ, মেম্বার চেয়ারম্যান সংঘর্ষ

পেকুয়ায় ৪৯৬৮ জেলে পরিবারকে ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ, মেম্বার চেয়ারম্যান সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক 
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার ৪৯৬৭জেলের জন্য ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ করা হয়েছে। উপজেলার ৭ ইউনিয়নের নিবন্ধিত জেলেদের মাছ আহরনের নিষিদ্ধ সময় ৫৮ দিনের জনয পরিবার প্রতি ৭৭ কেজি করে চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ওয়ার্ড ভিত্তিক বরাদ্দ প্রদানে সমতা রক্ষা ও আগে পরে বিতরণের অভিযোগ তুলে সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।
রাজাখালী ইউনিয়নের ১৭২২ জন জেলেকে ১৩৩.১৬২ মে. টন, বারবাকিয়ায় ২২১ জনকে ১৭.০৯০ মে. টন,
শিলখালী ইউনিয়নে তালিকাভুক্ত ১৩২ ও টৈটং ইউনিয়নে ২৫৮ জন জেলে পরিবারের মাঝে ১৯.৯৫১ মে. টন, মানবিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হয়েছে। পেকুয়া সদরে ৯০৬ জনকে ৭০.০৬১ মে. টন, মগনামা ইউনিয়নের ৯৩১ জনকে ৭১.৯৯৪ মে.টন, উজানটিয়ায় ৭৯৭ জনকে ৬১.৬৩২ মে.টন ও শিলখালী ইউনিয়নের ১৩২ জন জেলেকে ১০.২০৮ মে. টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

এদিকে উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য নুর মোহাম্মদ নিজ ওয়ার্ডের ২০৩ জন জেলের কার্ড নিজের হাতে নিতে না পেরে চেয়ারম্যানের ওপর চড়াও হয়ে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করার অভিযোগ পাওয়াগেছে।
মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরী বলেন, উপজেলা প্রশাসনের প্রদত্ত তালিকা অনুযায়ী ব্যক্তিদের মাঝে নিয়ম মোতাবেক বিতরণ করা ছাড়া কাউকে সব কার্ড দিয়ে দেয়ার সুযোগ নেই। অতীতে ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য নুর মোহাম্মদ তার ওয়ার্ডের সব কার্ড নিয়ে মালামাল নিয়ে অনোক কার্ডধারীকে প্রদান না করায় অভিযোগ রয়েছে। সে জন্য এবার উপকারভোগীকে সরাসরি বিতরণ করা হয়।
একদিকে ২০ এপ্রিল সকাল ১০ টার দিকে রাজাখালী ইউনিয়নের জেলেদের মাঝে চাল বিতরণকালে টাকা নেয়াকে কেন্দ্র করে মহিলা মেম্বার সাদেকা ও নুরুল আবছার বদু মারামারিতে জড়িয়ে পড়ে।

মহিলা মেম্বার ছাদেকা বেগম বলেন, নুরুল আবছার বদু মেম্বার তার ওয়ার্ডের জেলে উপকারভোগীর কার্ড নিজের আয়ত্তে নেয়ার পরও অন্যান্য উপকার ভোগীদের চাল নিতে জটলা সৃষ্টি করে এক ব্যক্তিকে ধাক্কা দিলে প্রতিবাদ করলে মহিলা সত্বেও হামলা করে। তিনি এব্যাপারে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমদাদুল হক শরীফের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পেকুয়া থানায় এজাহার দায়ের করেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা বুলবুল আহমদ।

মৎস্য কর্মকর্তা বুলবুল আহমেদ বলেন, সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী সাগরে মাছ ধরা বন্ধ থাকায় নিবন্ধিত জেলে পরিবারগুলো যাতে খাদ্য সংকটে না পড়ে, সে জন্য পর্যায়ক্রমে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে। প্রতিটি পরিবারকে সরকার নির্ধারিত ৭৭কেজি করে চাল দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে পেকুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক শরীফ বলেন, “আমি বর্তমানে কক্সবাজারে একটি মিটিংয়ে আছি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হচ্ছে।”
উল্লেখ্য, মাছের প্রজনন মৌসুমে সাগর ও নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা থাকায় নিবন্ধিত জেলেদের জীবিকা নির্বাহে সহায়তা দিতে সরকার বিশেষ খাদ্য সহায়তা কর্মসূচি চালু করেছে। এর আওতায় রাজাখালী ইউনিয়নের ৫ ও ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোট ৫৯৪ জন কার্ডধারী জেলেকে ৭৭ কেজি করে চাল বিতরণকালে এমারামারির ঘটনা ঘটে। অভিযোগের বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

পেকুয়ায় ১৬৯ কেন্দ্রে হাম-রুবেলা টিকাদানের আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পেইন শুরু

পেকুয়ায় ৪৯৬৮ জেলে পরিবারকে ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ, মেম্বার চেয়ারম্যান সংঘর্ষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
সারা দেশের ন্যায় কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় ২০ এপ্রিল ২০২৬ থেকে শুরু হয়েছে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইন।

এ উপলক্ষে উপজেলার ০৬ মাস থেকে ০৫ বছরের কম বয়সী সকল সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশুদের ১ ডোজ করে হাম-রুবেলা টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

উপজেলার ৭টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় মোট ১৬৯টি কেন্দ্রে এই টিকাদান কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এর মধ্যে রয়েছে ১৬৮টি অস্থায়ী কেন্দ্র ও ১টি স্থায়ী কেন্দ্র। প্রতিটি কেন্দ্রে শিশুদের সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ১ ডোজ করে টিকা প্রদান করা হবে।

পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মুজিবুর রহমান  জানান, এ কর্মসূচি ২০ এপ্রিল থেকে শুরু হয়েছে নির্ধারিত সিডিউল অনুযায়ী আগামী ১০ মে পর্যন্ত চলবে। তিনি সকল অভিভাবকদের নির্ধারিত কেন্দ্রে উপস্থিত হয়ে তাদের শিশুদের টিকা গ্রহণ নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, হাম ও রুবেলা একটি প্রতিরোধযোগ্য রোগ এবং সময়মতো টিকা গ্রহণের মাধ্যমে শিশুদের এই রোগ থেকে সুরক্ষিত রাখা সম্ভব। তাই সকলের সচেতন অংশগ্রহণই এই কর্মসূচির সফলতার মূল চাবিকাঠি।

সভাপতি মোস্তাফিজ, সেক্রেটারী জাকারিয়া

বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সংসদের কমিটি গঠিত

পেকুয়ায় ৪৯৬৮ জেলে পরিবারকে ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ, মেম্বার চেয়ারম্যান সংঘর্ষ

সভাপতি মোস্তাফিজ, সেক্রেটারী জাকারিয়া
নিজস্ব প্রতিনিধি,পেকুয়া:
পেকুয়া উপজেলার অন্যতম বিদ্যাপীঠ বারবাকিয়া আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র সংসদের ৯১ সদস্যবিশিষ্ট কমিটি গঠিত হয়েছে। নবগঠিত কমিটিতে মোস্তাফিজুর রহমানকে সভাপতি, ফোরকান আলী আহমদকে সিনিয়র সহসভাপতি, সহসভাপতি পদে আবদু শুক্কুর, ওসমান গণি, তারেক রহমান, আবদুল হামিদ, শাহনেওয়াজ সুমন, হোছাইন মুহাম্মদ জাকারিয়া সাধারন সম্পাদক, যুগ্ম সাধারন সম্পাদক মো: রিদুয়ানুল হক, মো: জয়নাল, রুহুল কাদের, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ সাগর, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক ফরিদুল আলম, মো: মোস্তাকিম, জুনাইদ বোগদাদী, তারেকুর রহমান তায়েবী, পারভেজ মোশারফ ইমন, মো: ফোরকান, শহিদুল ইসলাম, ইমরান কামাল ইমন, আরফাত সানি, মো: ইব্রাহীম, মো: সাকিব, শহিদুল ইসলাম, মো: তোহা. শাহেদ উদ্দিন মনির, মো: সায়েদ হোছাইন, মো: শাকিল, নেছার উদ্দিন, সাজ্জাদ হোছাইন, রুহুল এমরান, রিয়াদুল ইসলাম, নাজির বাদশা, ইফতেখার হোছাইন, মো: সোলতান, শহিদুল ইসলাম, জিয়া উদ্দিন, বেলাল উদ্দিন, আজিম উদ্দিন, মো: আরফাত, দিদার খান, তামজিদ মোহাম্মদ হামিম, তামিম ইকবাল, হুমায়ুন মোর্শেদ, উথোইং রাখাইন, সরুজ দেব নাথ, মোস্তফা কামাল, হানিফ সংকেত, হারুনুর রশিদ, ওবাইদুল ইসলাম রাবিদ, মোহাম্মদ নুরুচ্ছবি, মনির উদ্দিন, মো: জিয়াবুল, মো: মিজান, আনিছুর রহমান, মো: আশেক, মো: রিফাত, মো: রফিক, মোহাম্মদ মুজিবসহ ৯১ জনের কমিটি গঠিত হয়েছে। গত ১৮ এপ্রিল আগামী ২ বছরের জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠিত হয়।

পেকুয়ায় ভূমি দস্যূতা চাঁদাবাজী মামলায় রাশেদ গ্রেফতার হওয়ায় হুমকির মুখে বাদী পরিবার

পেকুয়ায় ৪৯৬৮ জেলে পরিবারকে ৩৮৪.০৯৮ মে:টন ভিজিএফ চাল বিতরণ, মেম্বার চেয়ারম্যান সংঘর্ষ

নিজস্ব  প্রতিবেদক 

কক্সবাজারের পেকুয়ায় ভূমি দস্যূতা চাঁদাবাজী মাটি লুটের মামলায় সাবেক ছাত্র লীগ নেতা সাংবাদিক রাশেদুল ইসলাম গ্রেফতার হওয়ায় পর থেকে রাশেদের পিতা একই মামলার পলাতক আসামী নুর মোহাম্মদের বিরুদ্ধে বাদী পরিবারকে অবিলম্বে মামলা তুলে নিতে হুমকি প্রদানের অভিযোগ পাওয়াগেছে। । ২০২৪ সালে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারী পরওয়ানা থাকায়
পেকুয়া থানা পুলিশ রাশেদকে গ্রেফতার করে। সাবেক ছাত্রলীগের নেতা
আটক রাশেদ ও তার পিতা নুর মোহাম্মদ গরু জাহাঙ্গীরের চাঁদাবাজ ও দখলবাজি চক্রের সদস্য। রাশেদকে গ্রেফতার করলেও তার নামে এখনো অপরাধ জগত পরিচালিত হচ্ছে।
আওয়ামীলীগ সরকারের সময় সাধারণ জনগন ও বিএনপি সমর্থিত লোকদের আটকিয়ে টাকা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে। কোন বিএনপি সমর্থিত লোক আওয়ামীগের বিরুদ্ধে বা বিএনপি জামায়াতের নেতাদের পক্ষে ফেইসবুক স্ট্যাটাস দিলে তাদের জিম্মি করে টাকা আদায় করত। নুর মোহাম্মদ গরু জাহাঙ্গীরের রক্ষী বাহিনীর প্রধান হিসাবে কাজ করত।
৫ আগষ্ট পটপরিবর্তন হলে আওয়ামী সমর্থিত দখলবাজ মামলাবাজরা অন্তরালে চলে গেলেও অদৃশ্য শক্তির জোরে চিহ্নিত আওয়ামী সন্ত্রাসী গরুজাহাঙ্গীরের অপরাধ জগতের অন্যতম সহযোগী নুর মোহাম্মদ তার ছেলে সাবেক ছাত্র লীগ নেতা রাশেদ, আনিচ এলাকায় ফিরে এসে পুর্বের ত্রাসের রাজত্ব চালিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় লোকজন বলেন তাদের নেতৃত্বে কয়েকটি দখল বেখলের ঘটনা ঘটিয়েছে। শেখের কিল্লা ঘোনার জয়নালের বতঘর জবর দখলের চেষ্টা, বিভিন্ন জায়গায় গরু জাহাঙ্গীরের নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি অ্যাহত রেখেছে বলেও গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। রাশেদের বিরুদ্ধে বারবাকিয়া টইটং শিলখালীর পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ, বনবিভাগের কর্মকর্তা, ভুমি অফিসে ব্যাপক চাঁদাবাজি অব্যাহত রয়েছে। পিতা পুত্র তিন জনের বিরুদ্ধে দখল বেখলে ভাড়াটে মাস্তান হিসেবে উপস্থিত হয়ে অপরাধ বিস্তারের গুরুতর অভিযোগ থাকেও তাদের বিরুদ্ধে প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি।
জানাযায়, দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে পেকুয়া সদর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক আবুবকর, পেকুয়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আনসারী গং এর পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত মালিকানাধীন মেহেরনামা মৌজার প্রায় ২২ কানি জমি নুর মোহাম্মদ, নুর মোহাম্মদের ছেলে রাশেদ, আরিফ মেম্বার ও তার পিতা শাহ আলম পেকুয়া উপজেলা যুবলীগের সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের প্রকাশ গরু জাহাঙ্গীরের সহযোগীতায় জবর দখল করে মাটি লুট করে নিয়ে প্রজেক্ট প্রতিষ্ঠা করেন। জমি থেকে ৪৫/৫০ ফুট গভীর করে মাটি লুট করে বিক্রি করে। ২০২৪ সালে ভোক্তভোগী পরিবারের পক্ষে চকরিয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ২০২৩ সালের ভূমি অপরাধ ও প্রতিরোধ আইন সহ চাঁদাবাজি আইনে মামলা দায়ের করা হয়। সিআর মামলা নং ১২১৯/২৪। মামলাটি আদালত কর্তৃক পিবিআই কক্সবাজারকে তদন্তের নির্দেশ দিলে দীর্ঘ তদন্ত শেষে এমামলার এজাহারনামীয় ৪ জন ছাড়াও যুবলীগ সভাপতি ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে চুড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করলে আদালত আসামীদের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যূ করে। এমামলায় জাহাঙ্গীর আলম ও আরিফ মেম্বার জেল ভোগের পর জামিনে মুক্তি হয়। অন্য আসামীরা এখনো পলাতক রয়েছে।
ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য পেকুয়া উপজেলা সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আহসান উল্লাহ খোকন, কাইছার বলেন, রাশেদ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে নুর মোহাম্মদ মামলা আপোষ দিতে হুমকি দিয়ে আসছে। তারা বলেন,

এজমি গুলো দেড়শ বছর ধরে আমাদের দাদার সময় থেকে খতিয়ান ভুক্ত হিসাবে ভোগদখলে আছি। ১৫ বছর পূর্বে সম্পূর্ণ রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারনে গরু জাহাঙ্গীরের সহযোগীরা জবর দখল করে কয়েক কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেছে। ছাত্রলীগ নেতা রাশেদ ও তার পিতা গরু জাহাঙ্গীরের অস্ত্রধারী ক্যডার নুর মোহাম্মদ ও তার ছেলে রাশেদ, আনিচ ওই জায়গাতে সশস্ত্র অবস্থান নিয়ে দখলদারিত্ব স্থায়ী করে।
ওয়ারেন্ট ভুক্ত আসামী হওয়ার পরও নুর মোহাম্মদ গ্রেফতার না হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন প্রত্যেক পরওয়ানাকৃত আসামীকে গ্রেফতারে পুলিশ সচেষ্ট রয়েছে বলে জানান।