| ১৬ এপ্রিল ২০২৬

বালু খেকোর হামলায় তিন সাংবাদিককে আহত করার প্রতিবাদে চকরিয়ায় মানববন্ধন

বালু খেকোর হামলায় তিন সাংবাদিককে আহত করার প্রতিবাদে চকরিয়ায় মানববন্ধন

 

মনিরুল আমিন চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়ায় বালুদস্যুদের হামলায় তিন সাংবাদিক আহত হওয়ার ঘটনায় দ্রুত বালুদস্যুদের গ্রেফতারের প্রতিবাদে চকরিয়ায় কর্মরত সাংবাদিকদের মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বিকাল ৪ টায় চকরিয়া পৌরসভার নিউ মার্কেট এলাকায় সাংবাদিকরা এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করেন।

বক্তারা বলেন,উপজেলার হারবাং সহ বিভিন্ন এলাকায় অবৈধ বালু উত্তোলন, বনবিভাগের জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ,মাটি কেটে সাবাড় সহ নানা পরিবেশ বিধ্বংসী কাজে মেতে উঠেছে কিছু দুষ্কৃতকারী। তেমনি চকরিয়া উপজেলার হারবাংয়ে এসব বালুদস্যু ও পাহাড়খেকো সন্ত্রাসীদের একজন গডফাদার নাজেম উদ্দিন। তার এই পরিবেশ বিধ্বংসী অপকর্ম অবৈধ বালু উত্তোলন,পাহাড় কাটার ভিডিওচিত্র ও ছবি ধারণ করতে গিয়ে নির্মামভাবে হামলার শিকার হন তিন সাংবাদিক।

আহতরা হলেন-দৈনিক কালের কণ্ঠ চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ছোটন কান্তি নাথ,দৈনিক আমার চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি ইকবাল ফারুক এবং দৈনিক সংবাদ চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি এম জিয়াবুল হক।

সাংবাদিকরা অবৈধ বালু উত্তোলন ও পাহাড় কাটার মতো পরিবেশবিধ্বংসী কর্মকাণ্ডের ছবি ও ভিডিও নিতে গেলে সংবাদ প্রকাশ করায় তাদের ওপর এ হামলা চালানো হয়েছেন।

সাংবাদিক নেতা সাফওয়ানুল করিম বলেন,দুঃখ ভারাক্রান্ত মন নিয়ে আজকে আমরা মানববন্ধনে দাঁড়িয়েছি। গত রোববার সংবাদকর্মীরা অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার অংশ হিসেবে উত্তর হারবাং এ গিয়েছিলেন। সেখানে অবৈধ বালু খেকোরা সাংবাদিকদের উপর হামলা করেছে। এ হামলার ঘটনায় এখনো মামলা হয়নি। আমরা আগামী ২৪ ঘন্টা আলটিমেটাম দিচ্ছি প্রশাসন কে। এই সময়ের মধ্যে অবশ্যই মামলা নিতে হবে। মামলা নিয়ে তদন্ত সাপেক্ষে বালু খেকো হামলাকারী সন্ত্রাসীদের শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ হয়ে সহকর্মীদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

তিনি আরও বলেন,চকরিয়া-পেকুয়ার সাংসদ মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। আমি হামলার বিষয়টি তাহাকে অবহিত করেছি। তিনি আজকেই সংশ্লিষ্টদের সাথে কথা বলবেন। আমরা সাংবাদিকেরা আশা করছি অবশ্যই সুরাহা পাব। এই এলাকায় বালু খেকো,মাটি খেকোদের হামলা দ্বিতীয়বার আর সাংবাদিকরা বরদাশত করবে না।

মানববন্ধনে উপস্থিত সাংবাদিকরা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন,সংবাদকর্মীদের ওপর হামলা স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর আঘাত এবং এটি গণতন্ত্রের জন্য হুমকি স্বরূপ। দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে সাংবাদিকরা বৃহত্তর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন।

সমাবেশে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ সংহতি প্রকাশ করেন।

মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন-দৈনিক সমকাল চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি এম আর মাহমুদ,দৈনিক মানব কন্ঠ চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি আব্দুল মজিদ,দৈনিক প্রথম আলো চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি এস এম হানিফ,দৈনিক ভোরের কাগজ চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি মিজবাউল হক,দৈনিক কালবেলা চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি মনিরুল আমিন,দৈনিক সংগ্রাম চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি শাহজালাল শাহেদ।

 

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

বালু খেকোর হামলায় তিন সাংবাদিককে আহত করার প্রতিবাদে চকরিয়ায় মানববন্ধন

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বালু খেকোর হামলায় তিন সাংবাদিককে আহত করার প্রতিবাদে চকরিয়ায় মানববন্ধন

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভাপতি-আবু সুফিয়ান, সাধারণ সম্পাদক- আজিম উদ্দিন

পেকুয়ার মগনামা বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত

বালু খেকোর হামলায় তিন সাংবাদিককে আহত করার প্রতিবাদে চকরিয়ায় মানববন্ধন

 

বাহার উদ্দিন

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার মগনামা ইউনিয়নের বেদারবিল পাড়া ও কাদের বলির পাড়া সমাজ পরিচালনা কমিটির দ্বি বার্ষিক নির্বাচন শান্তিপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার ১১ (এপ্রিল) ইউপির বেদারবিল পাড়ার নতুন মার্কেট এলাকায় সকাল ৮ টা ২০ মিনিটের সময় ভোট গ্রহণ শুরু হয় শেষ হয় দুপুর ১২ টা ২০ মিনিটে। স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে এই নির্বাচন উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়। নির্বাচনে সভাপতি,সহ-সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।

এসময় ৩ টি বুথে ৩৮০ ভোটার মধ্যে ২৮১ ভোটার তাদের ভোট প্রয়োগ করেন। সকাল থেকেই ভোটারদের দীর্ঘ লাইন লক্ষ্য করা যায় এবং দিনব্যাপী শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও প্রবীণদের উপস্থিতিতে ভোট গণনা শেষে ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়েছে এবং তারা সমাজের উন্নয়ন ও কল্যাণে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

নবনির্বাচিত কমিটির সদস্যরা জানান, তারা এলাকার সার্বিক উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কার্যক্রম বাস্তবায়নে একযোগে কাজ করবেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেন, নতুন কমিটির মাধ্যমে এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও সামাজিক কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে।
উল্লেখ্য, এই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এলাকায় উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করে এবং কোথাও কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি।

নির্বাচনে ৩ টি পদে মোট ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। ভোট গণনা শেষে আনুষ্ঠানিক ফলাফল প্রকাশ করেন নির্বাচনী প্রিজাইডিং অফিসার মাষ্টার জাহাঙ্গীর আলম।

সভাপতি পদে আবু সুফিয়ান (চেয়ার মার্কা) ১৫০ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
নুরুল হুদা (ছাতা মার্কা) পেয়েছেন ১৩০ ভোট।
সহ-সভাপতি পদে বদি আলম (হরিণ মার্কা) ১০৮ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী
দেলোয়ার হোছেন (ফুটবল মার্কা) ৯৮ ভোট, আবু নয়ন (টিউবওয়েল মার্কা) পেয়েছেন ৬৯ ভোট।
সাধারণ সম্পাদক পদে আজিম উদ্দিন (গোলাপ ফুল মার্কা) ১৫৭ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী জহিরুল ইসলাম (দেওয়াল ঘড়ি মার্কা) ১১৮ ভোট পেয়েছেন।

প্রধান নির্বাচন কমিশনার মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুছ চৌধুরী বলেন, দীর্ঘবছর পর কাদের বলির পাড়া ও বেদার বিল পাড়া এলাকার সমাজ পরিচালনা কমিটির নির্বাচন গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় যদি সমাজ পরিচালনা করা হয় তাহলে সমাজের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সুষ্ঠু ও সুন্দর ভাবে পরিচালনা করা যায়। মগনামার সকল সমাজ পরিচালনা কমিটি নির্বাচনের মাধ্যমে গঠন করা হবে। এবং মগনামায় এই কমিটির মাধ্যমে সকল দখলবাজি,চাঁদাবাজি,অনলাইন জুয়া ও মাদক চিরতরে বন্ধ করা হবে।