| ১৭ এপ্রিল ২০২৬

চকরিয়ায় মহেশখালী-কুতুবদিয়ার এমপি’র গাড়ি বহরের ধাক্কায় মর্মান্তিক ভাবে শিশু নিহত

চকরিয়ায় মহেশখালী-কুতুবদিয়ার এমপি’র গাড়ি বহরের ধাক্কায় মর্মান্তিক ভাবে শিশু নিহত

আলাউদ্দিন আলো

মহেশখালী–কুতুবদিয়ার নব নির্বাচিত সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ কুতুবদিয়া থেকে নেতাকর্মী নিয়ে ফেরার পথে ২২ ফেব্রুয়ারী, রবিবার, বিকাল ৪ঘটিকার সময় চকরিয়ার বদরখালী ইউনিয়নে প্রবেশপথ আহমদ কবিরের ঘাটায় পৌঁছালে স্থানীয় এলাকার তেচ্ছাপাড়া নিবাসী প্রবাসী দর্জি আমান উল্লাহর ছেলে খালিদ বিন ওয়ালিদ (৮) নিহত হয়, নিহত শিশু ওয়ালিদ স্থানীয় একটি নুরানি মাদ্রাসার ২য় শ্রেণির ছাত্র। প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় শিশুটি
দৌড়ে রাস্তা পার হতে গিয়ে এমপির বহরে থাকা পিছনের ৩নং গাড়ির সাথে ধাক্কা খেয়ে ঘটনাস্থলেই নিহত হয়।

স্থানীয় প্রত্যক্ষর্দশীরা বলেন ছেলেটি ধাক্কা খেয়ে রাস্তায় পড়ে গেলে গাড়িটা একটু দাঁড়িয়ে আবারও গাড়ির চাকা শিশুর উপর তুলে দিলে পিষ্ট হয়ে মৃত্যুর যেন নিশ্চিত হয়ে যায়। প্রত্যক্ষ দর্শীদের ধারণা গাড়ীটি দাড়িয়ে থাকলে ছেলেটি মারা যেতনা। লোকজন গাড়ির দিকে তেড়ে গেলেও ঘাতক গাড়ির ড্রাইভার পালিয়ে যায়।

স্থানীয় লোকজন এমপির গাড়ি বহরে থাকা গাড়িটা আটকাতে বললে গাড়িটি দ্রুত চলে যায়। একটি ডাম্পার গাড়ি তাদের ধাওয়া দিয়ে বদরখালী নৌপুলিশ ফাঁড়ির সামনে রাস্তার উপর আড়াআড়ি ভাবে রাস্তা আটকিয়ে দিলে বদরখালী এম এস ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা গেইটে গাড়িটা আটকাতে সক্ষম হয়।

পরে স্থানীয় নাগরিক তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তাৎক্ষণিক গাড়িতে থাকা এমপির বেশ কয়েকজন ব্যক্তি দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে স্থানীয় গাড়ি আটকানো ব্যক্তিদের অশালীন গালিগালাজ করতে থাকে। পরে স্থানীয় জনসাধারণ তাদের প্রতি চড়াও হলে ঘটনাস্থলে চকরিয়া থেকে আসা বদরখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আহসানুল কাদের চৌধুরী সাব্বির, বদরখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান সাদ্দাম হোসেন ও বদরখালী বাজার পরিচালনা কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মৌলানা মনজুর উত্তেজিত জনতাকে শান্ত করেন।
এতে বড় ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা থেকে রক্ষা পায় এমপির গাড়ি বহরে থাকা ৩নং গাড়িটা।

স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শী নেজাম উদ্দীন জানায় এমপির গাড়ি বহরে থাকা লোক গুলোর গাড়ি এমপি সাহেব থেকে অনেক দুরে ছিলো মনে হয়, আমরা দূর্ঘটনার
সাথে সাথে সামনে পিছনে কোন গাড়ি দেখি নাই, হয়ত তাদের গাড়িটা বহর থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ায় দ্রুতগতিতে গাড়ি চালাচ্ছেন, না হয় এমন দূর্ঘটনা হওয়ার কথা না।
আমরা ঘটনাস্থলে চকরিয়া থেকে আসা আহসানুল কাদের চৌধুরী সাব্বির এর গাড়ি দেখলে উনাকে থামিয়ে বিষয়টি অবগত করি এবং একেই জায়গায় ১৫ দিন আগে আরও একটি দূর্ঘটনা হয় এই বিষয়টিও অবগত করে উনার কাছে আমরা দুই পাশে দু’টি স্পীড বেকার দেওয়ার অনুরোধ করি এবং গাড়িটা ধাওয়া দিয়ে ধরার অনুরোধ করি। পরে আমরাও তাদের কে ধাওয়া দিয়ে ধরে কথা বলার চেষ্টা করলে তারা আমাদের উপর উল্টো হামলা শুরু করে এবং মারধরও করে আমাদের উপর, আমরা এঘটনার বিচার চাই।
নেজাম উদ্দীন আরও বলেন আমাদের সন্তানকে
ইচ্ছাকৃত ভাবে হত্যা করে পালিয়ে যাবে, আমরা তাদের সাথে কথা বলার চেষ্টা করলে তারা যে ভাবে গাড়ি থেকে নেমে অস্ত্রসহ আমাদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে।

স্থানীয়রা জানান
ফেরিঘাট সিএনজি ষ্টেশনে এমপির গাড়িসহ আটকানোর পর তাদের উপর এলোপাতাড়ি মারধর শুরু করে কিছু উত্তেজিত জনতা, বিষয়টি অমানবিক হওয়ায় গাড়ি বহরে থাকা এমপি’র গাড়ি দেখে স্থানীয় সচেতন নাগরিকগণ এগিয়ে এসে গাড়ি গুলো রক্ষা করেন এবং এমপি সাহেব কে নিরাপদ স্থানে নিয়ে যান।

আমরা বিষয়টি নিয়ে সরজমিনে অনেক লোকজন এর সাথে কথা বলি তারা আমাদের জানান কয়েকটি গাড়ি চকরিয়া আসতেছে দেখে কিছু উত্তেজিত জনতা কয়েকটি গাড়ি আটক করে, উত্তেজিত জনতা বলেন আপনারা একটি শিশুকে গাড়ি ছাপা দিয়ে মেরে চলে আসতেছেন! এটি বলার সাথে সাথে উক্ত বহরের কয়েকটি গাড়ির মধ্যে একটিতে সাংসদ নিজেও আছেন এমনটি দেখতে পেয়ে উনাকে এবং উনার বহরে থাকা মানুষদের উপর যেন হামলা না হয় এমনটা জানান পরে স্থানীয় জনসাধারণ তাদের রক্ষা করে ন্যায় বিচার প্রত্যাশা করে তাদের ছেড়ে দেন।

এদিকে দুর্ঘটনার পর গুরুতর আহত অবস্থায় শিশুটিকে দ্রুত বদরখালী জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। স্থানীয় জনতা একটি গাড়ি আটক করে রাখলেও চকরিয়া থানা পুলিশের আশ্বাসে গাড়িটা চকরিয়া থানার ওসি
উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়।

উত্তেজিত মানুষের চরম ক্ষোভে একজন আমাদের জানান উনি একজন এমপি হয়ে কিভাবে একটা শিশু মেরে পালিয়ে যেতে পারে, উনার কি কোন দায়িত্ব ছিলোনা শিশুটাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যেতে এবং শিশুর পরিবারকে শান্তনা দিতে। তিনি সেটা না করে কি ভাবে মৃত বাচ্চাটিকে না দেখেই ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছেন, আমরা এটার বিচার চাই।

এ বিষয়ে চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানান আমরা খবর পেয়ে সাথে সাথে আমাদের পুলিশ টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উত্তেজিত জনতার হাত থেকে গাড়িটা উদ্ধার করি এবং নিহত শিশুর পরিবারের সাথে কথা বলি, উনারা যদি আইনি কোন পদক্ষেপ নেন তাহলে চকরিয়া থানা ব্যবস্থা নিবে।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

চকরিয়ায় মহেশখালী-কুতুবদিয়ার এমপি’র গাড়ি বহরের ধাক্কায় মর্মান্তিক ভাবে শিশু নিহত

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

চকরিয়ায় মহেশখালী-কুতুবদিয়ার এমপি’র গাড়ি বহরের ধাক্কায় মর্মান্তিক ভাবে শিশু নিহত

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

চকরিয়ায় মহেশখালী-কুতুবদিয়ার এমপি’র গাড়ি বহরের ধাক্কায় মর্মান্তিক ভাবে শিশু নিহত

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।