| ১৭ এপ্রিল ২০২৬

পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন ও পার্কভিউ হাসপাতালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন ও পার্কভিউ হাসপাতালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর


জৈষ্ঠ প্রতিবেদক

‎কক্সবাজার জেলার ঐতিহ্যবাহী ও শতবর্ষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশন এলামনাই এসোসিয়েশন এবং চট্টগ্রাম পার্কভিউ হসপিটালের মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (MOU) স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়েছে।

‎১৭ জানুয়ারি সোমবার পার্কভিউ হাসপাতালের কনফারেন্স রুমে আনুষ্ঠানিক এ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

‎পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর আমিরুল মোস্তফা ও সিনিয়র সহ-সভাপতি আরিফ আহমেদ এবং পার্কভিউ হসপিটালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তালুকদার জিয়াউর রহমান শরীফ ও ম্যানেজিং ডিরেক্টর  (এইচ আর) হুমায়ুন কবির সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

‎এমওইউ স্বাক্ষর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে উভয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতার অংশ হিসেবে স্বাস্থ্যসেবা, মেডিকেল সুবিধা, বিশেষ ছাড়, পরামর্শ ও ভবিষ্যৎ যৌথ কার্যক্রম পরিচালনার বিষয়ে একটি আনুষ্ঠানিক কাঠামো গড়ে উঠবে। এখন থেকে এলামনাই এসোসিয়েশনের সদস্যবৃন্দ ও তাদের পরিবার পার্কভিউ হসপিটালের বিভিন্ন সেবায় বিশেষ সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।

‎পেকুয়া এলামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রফেসর আমিরুল মোস্তফা বলেন, এ দুই প্রতিষ্ঠানের স্মারক সমঝোতা স্বাক্ষরের মাধ্যমো এলামনাই এসোসিয়েশনের সদস্যদের কল্যাণ নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক দায়বদ্ধতা ও মানবিক কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করবে। ভবিষ্যতে শিক্ষা,স্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে এ দুই প্রতিষ্ঠানের মাঝে সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে।

‎পার্কভিউ হাসপাতালের ম্যানেজিং ডিরেক্টর তালুকদার জিয়াউর রহমান শরীফ বলেন,এই চুক্তির ফলে পেকুয়া জিএমসি ইনস্টিটিউশনের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের জন্য আধুনিক চিকিৎসা প্রাপ্তি আরও সহজতর ও সাশ্রয়ী হলো। এটি কেবল একটি চুক্তি নয়, বরং একটি সামাজিক দায়বদ্ধতার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এ উদ্যোগের মাধ্যমে পার্কভিউ হাসপাতাল ও জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন সদস্যদের মধ্যকার সংহতি আরও দৃঢ় হবে।

‎এসময় পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ ও পার্কভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন ও পার্কভিউ হাসপাতালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন ও পার্কভিউ হাসপাতালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন ও পার্কভিউ হাসপাতালের মধ্যে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।