| ১৭ এপ্রিল ২০২৬

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে জীবন ঝুঁকিতে থাকা শিশুটির পাশে পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে জীবন ঝুঁকিতে থাকা শিশুটির পাশে পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন



‎পেকুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে জীবন ঝুঁকিতে থাকা শিশুটির সহয়তায় এগিয়ে এলেন পেকুয়া।উপজেলার প্রাচীণতম বিদ্যানিকেতন পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশনের এলামনাই এসোসিয়েশন।

‎শনিবার (১৬ আগষ্ট) দুপুরে এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে উপস্থিত হয়ে শিশুটির চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। এসময় তাঁরা এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অসুস্থ শিশুটির মায়ের হাতে অর্থ সহায়তা তুলে ।

‎এসময় পেকুয়া মডেল সরকারি জিএমসি ইনস্টিটিউশন এলামনাই এসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক সাজ্জাদুল হক,সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল মাহমুদ বাবুল, এলামনাই সদস্য ও এডমিন অফিসার চনেক,খানিজ ফাতেমা,চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আবরার ইসলাম আকিব।

‎গত ৯ আগষ্ট দুপুরে আহত শিশু আনিস মিয়া (১৩) পেকুয়া বাজারে চায়ের দোকানে কাজ করার সময় ৩ তলা ছাদে কাপড় শুকাতে দিতে উঠলে ছাদের উপর দিয়ে চলে যাওয়া হাই ভোল্টেজ বিদ্যুৎ এর তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে নিচে একটি মাছাং দোকানের উপর পড়ে যায়। এতে তার ২ হাত জ্বলছে গিয়ে বুকে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়ে মারাত্মক আহত হয় । পরে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা পর তার জ্ঞান ফিরে। চিকিৎসকগন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।

‎পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার তাহমিদুল ইসলাম জানিয়েছেন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রোগীর হাতের নার্ভ ও বোন্ড আক্রান্ত হলে সে ক্ষেত্রে রোগীর অকেজো হয়ে যায়। এতে ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় জীবন ঝুঁকি থাকে। ক্যান্সার প্রতিরোধে অপারেশন করে আক্রান্ত স্থান বা হাত কেটে ফেলার সম্ভাবনা বেশী থাকে। এই রোগীর ক্ষেত্রে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন যা ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা নিতে হয়।

‎এদিকে তার পরিবারের পক্ষ তার উন্নত চিকিৎসার ব্যয় বহন করার অক্ষম হলে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সামাজিক ব্যক্তিরা তার চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে আসেন।
‎ দগ্ধ শিশু আনিস মিয়া (১৩) পিতা -সাইফুল ইসলাম,মাতা-মুন্নি আক্তার,গ্রাম- নতুন ঘোনা ওয়ার্ড-৭ উজানটিয়া ইউনিয়ন, উপজেলা পেকুয়া, কক্সবাজার। মোবাইল নং – ০১৮৬৯ ৩৩৬১৯৭
‎বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ ৩ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে জীবন ঝুঁকিতে থাকা শিশুটির পাশে পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালীতে ৪০ লিটার চোলাই মদসহ বহনে ব্যবহৃত একটি অটোরিকশাসহ তিনজন মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার ( ১৬ এপ্রিল ) বিকালে উপজেলার কালারমারছড়া ইউনিয়নের চিকনি পাড়া এলাকায় এ অভিযান চালানো হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন, কালারমারছড়া ইউনিয়নের আঁধার ঘোনা গ্রামের মৃত শরীফের পুত্র নুরুচ্ছফা (৩৫), একই এলাকার আবুল কালামের ছেলে রিয়াজ উদ্দিন (৩২), চিকনি পাড়া এলাকার মৃত হাকিম উদ্দিনের পুত্র আজিজুল হক (৩০)।
মহেশখালী থানা থেকে রাত ৯ ঘটিকার সময় পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সকালে বদরখালীমুখী একটি অটোরিকশা সিএনজি বিপুল পরিমা দৈশিয় মাদক পাচার হচ্ছে। এমন সংবাদে মহেশখালীর থানার ওসির নির্দেশে কালারমারছড়া পুলিশ বিটের এএস আই মনিরের নেতৃত্বে পুলিশ মহেশখালী কালারমােছড়া সড়কের চিকনি পাড়া এলাকার সড়কের সামনে অস্থায়ী তল্লাশি চৌকি স্থাপন করে।

এক পর্যায়ে সন্দেহজনক একটি অটোরিকশা থামালে তাতে থাকা তিন ব্যক্তি পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ ধাওয়া দিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করে। পরে অটোরিকশায় তল্লাশি চালিয়ে বস্তা ভর্তি ৪০ লিটার মদ উদ্ধার করা হয়।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুস সোলতান বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী। তাদের বিরুদ্ধে এই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

মুক্তি পণ দিয়ে ফিরছে অনেকে

সাগর পথে মালেশিয়াগামী পেকুয়ার ইসহাক -আজগরের ১৫ দিনেও খুঁজ নেই

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে জীবন ঝুঁকিতে থাকা শিশুটির পাশে পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন

নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ায় সংঘবদ্ধ দালাল চক্রের ফাঁদে পড়ে সাগর পথে মালেশিয়া পাড়ি দিতে গিয়ে অনেকে এখনো নিখোঁজ রয়েছে। অনেকে মুক্তি পণ দিয়ে ফিরে এসেছেন।
পেকুয়া সদরের উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নুরুল কাদেরের ছেলে ইসহাক মিয়া (৩৫) বদিউল আলমের ছেলে আজগর(২২) সহ অনেকে বাড়ী থেকে দালাল চক্রের হাত ধরে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য গিয়ে নিখোঁজ রয়েছে।
পরিবারের দাবী কাউকে না জানিয়ে একই পাড়ার বাসিন্দা সাবেক করিয়ারদ্বিয়ার খায়রুল আমিন, তার প্রতিবেশী ওমর ফারুক পেকুয়া সদরের নন্দীর পাড়ার দলিল আহমেদের ছেলে সিএনজি চালক বাদশা মিয়া নিয়ে গিয়ে নাইক্ষনছড়ির ইমাম শরীফের কাছে দিয়ে দিলে টেকনাফে দিয়ে আসে। ৩ দিনের মত অবস্থান করে বোটে তুলে দেয়া হয়। এর পর থেকে আর কোন প্রকার খোঁজ পাওয়া যায়নি। স্থানীয় দালাল চক্রও নিখোঁজদের ব্যপারে কোন তথ্য দিচ্ছে না বলে জানান ভোক্তভোগী পরিবারের লোকজন অভিযোগ করেন।
ইসহাক মিয়ার মা রহিমা বেগম বলেন, ছেলে ইসহাক মালেশিয়া যাওয়ার কথা ৮ এপ্রিল বিমানের টিকেটও কেটেছে। হঠাৎ জানতে পেরেছেন প্রতিবেশী ওমর ফারুক ও তার ভগ্নিপতি খায়রুল আমিন বোটে করে মালেশিয়া নিয়ে যাওয়ার জন্য টেকনাফ নিয়ে গেছে। তাদের বাড়ীতে গিয়ে ছেলের ফ্লাইটের কথা বলে ফেরত আনতে বলেন। তারা ৩০ হাজার টাকার কথা বললে দিবও বলেছি এরপরও ইসহাককে ফেরত দেয়নি। এক মিনিট কথাও বলতে দেয়নি। ইসহাকের স্ত্রী তছলিমা বলেন, স্বাভাবিকভাবে মালেশিয়া যাওয়ার জন্য ৮ এপ্রিল ফ্লাইটের কথা ছিল। দালালের খপ্পরে পড়ে পরিবারের কাউকে না জানিয়ে সাগর পথে চলে যায়। দালালের কাছ থেকে ফেরত আনতে অনেক চেষ্টা করার পরও পারিনি। কি অবস্থায় আছে তাও জানতে পারছিনা।
এদিকে ইসহাক ও আজগরের সাথে
১ এপ্রিল যাওয়ার সময় জসিমের ছেলে ওসমানসহ গেলেও ওসমান টেকনাফ থেকে ফিরে আসে।
মানব পাচারকারী চক্রের সদস্য খায়রুল আমিন ও ওমর ফারুক ১৫এপ্রিল পেকুয়া উত্তর মেহেরনামা তেলিয়াকাটার নাজেম উদ্দিনের ছেলে রকিকে ৫০ হাজার টাকা ও আনোয়ার হোছাইনের ছেলে আনছার উদ্দিনকে ৩০ হাজার টাকা মুক্তি পণ আদায় করে দালাল চক্রের জিম্মিদশা থেকে ফেরত এনেছেন।
নাজেম উদ্দিন বাদী হয়ে এরকম একটি অভিযোগ পেকুয়া থানায় দায়ের করা হলে পেকুয়া থানার এএসআই আকতার হোছাইন তদন্ত করছেন বলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ খায়রুল আলম জানান।

মহেশখালী হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে জীবন ঝুঁকিতে থাকা শিশুটির পাশে পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী উপজেলা হাসপাতালে ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- মহেশখালী-কুতুবদিয়া আসনের সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
শুরুতে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মোঃ মাহফুজুল হক এ সভায় হাসপাতালের সার্বিক কার্যক্রম, রোগীসেবা উন্নয়ন, ওষুধ সরবরাহ, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।
সভায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) ডাঃ আজমল হুদা’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন- মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইমরান মাহমুদ ডালিম, মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ ওসি আব্দুস সোলতান, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ সৈকত বডুয়া, উপজেলা সমাজসেবা অফিসার দিদার আলম, উপজেলা মুক্তিযুদ্ধা কমান্ডার আমজাদ হোসেন, মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ জয়নাল আবেদীন, উপজেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক কাইছার হামিদ মনির, উপজেলা যুবদলের সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আনছার উল্লাহ, উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক তারেক রহমান জুয়েল, সাংবাদিক সরওয়ার কামাল, ফারুক ইকবাল’সহ এ সময় ব্যবস্থাপনা কমিটির অন্যান্য সদস্য, চিকিৎসক, নার্স ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
উপস্থিত সদস্যরা হাসপাতাল ১০০ শ্যাযায় উন্নীত করন, নতুন ভবন নির্মাণ, অবকাঠামো উন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতা কর্মি, নিরাপত্তা কর্মি ও আনচার নিয়োগ’সহ সেবার মান আরও উন্নত করতে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন এবং বিভিন্ন সমস্যার দ্রুত সমাধানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।