প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৫ । ১১:১৬ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩

বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে জীবন ঝুঁকিতে থাকা শিশুটির পাশে পেকুয়া জিএমসি এলামনাই এসোসিয়েশন

নিজস্ব প্রতিবেদক

‎
‎
‎পেকুয়ায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দগ্ধ হয়ে জীবন ঝুঁকিতে থাকা শিশুটির সহয়তায় এগিয়ে এলেন পেকুয়া।উপজেলার প্রাচীণতম বিদ্যানিকেতন পেকুয়া সরকারি মডেল জিএমসি ইনস্টিটিউশনের এলামনাই এসোসিয়েশন।
‎
‎শনিবার (১৬ আগষ্ট) দুপুরে এসোসিয়েশনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোসলেহ উদ্দিনের নেতৃত্বে একটি টিম চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে উপস্থিত হয়ে শিশুটির চিকিৎসার খোঁজ খবর নেন। এসময় তাঁরা এসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অসুস্থ শিশুটির মায়ের হাতে অর্থ সহায়তা তুলে ।
‎
‎এসময় পেকুয়া মডেল সরকারি জিএমসি ইনস্টিটিউশন এলামনাই এসোসিয়েশনের অর্থ সম্পাদক সাজ্জাদুল হক,সাংগঠনিক সম্পাদক বেলাল মাহমুদ বাবুল, এলামনাই সদস্য ও এডমিন অফিসার চনেক,খানিজ ফাতেমা,চট্টগ্রাম প্রিমিয়ার ইউনিভার্সিটির আবরার ইসলাম আকিব।
‎
‎গত ৯ আগষ্ট দুপুরে আহত শিশু আনিস মিয়া (১৩) পেকুয়া বাজারে চায়ের দোকানে কাজ করার সময় ৩ তলা ছাদে কাপড় শুকাতে দিতে উঠলে ছাদের উপর দিয়ে চলে যাওয়া হাই ভোল্টেজ বিদ্যুৎ এর তারে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে হয়ে নিচে একটি মাছাং দোকানের উপর পড়ে যায়। এতে তার ২ হাত জ্বলছে গিয়ে বুকে ও শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাত পেয়ে মারাত্মক আহত হয় । পরে অজ্ঞান অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। দীর্ঘ ৪ ঘন্টা পর তার জ্ঞান ফিরে। চিকিৎসকগন তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন।
‎
‎পেকুয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার ডাক্তার তাহমিদুল ইসলাম জানিয়েছেন বিদ্যুৎস্পৃষ্টে রোগীর হাতের নার্ভ ও বোন্ড আক্রান্ত হলে সে ক্ষেত্রে রোগীর অকেজো হয়ে যায়। এতে ক্যান্সার আক্রান্ত হওয়ার শঙ্কায় জীবন ঝুঁকি থাকে। ক্যান্সার প্রতিরোধে অপারেশন করে আক্রান্ত স্থান বা হাত কেটে ফেলার সম্ভাবনা বেশী থাকে। এই রোগীর ক্ষেত্রে উন্নত চিকিৎসার প্রয়োজন যা ঢাকা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে দীর্ঘ মেয়াদে চিকিৎসা নিতে হয়।
‎
‎এদিকে তার পরিবারের পক্ষ তার উন্নত চিকিৎসার ব্যয় বহন করার অক্ষম হলে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন ও সামাজিক ব্যক্তিরা তার চিকিৎসা সহায়তায় এগিয়ে আসেন।
‎ দগ্ধ শিশু আনিস মিয়া (১৩) পিতা -সাইফুল ইসলাম,মাতা-মুন্নি আক্তার,গ্রাম- নতুন ঘোনা ওয়ার্ড-৭ উজানটিয়া ইউনিয়ন, উপজেলা পেকুয়া, কক্সবাজার। মোবাইল নং – ০১৮৬৯ ৩৩৬১৯৭
‎বর্তমানে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইউনিটে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
‎

প্রিন্ট করুন