নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলায় ২০ বছরের ভোগদখলীয় একটি মৎস্য প্রজেক্ট জবরদখল করে কান্ত হয়নি সন্ত্রাসীরা। বর্তমানে জবর দখলের বিচার চাওয়ায় সাজানো হত্যা মাদক ও নারী নির্যাতনের মামলায় জড়িয়ে এলাকা ছাড়া করে বসত বিটা জবর দখলে নেয়ার হুমকির অভিযোগ তুলে পেকুয়া থানায় জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
জানাযায়, পেকুয়া উপজেলার মগনামা ৫ নং ওয়ার্ড দরদরিয়া ঘোনার প্রবীণ মৎস্য চাষী আবু সিদ্দিকের দীর্ঘ ২০ বছরের ভোগদখলীয় ৭২ কানির প্রজেক্ট একই এলাকার কোমপাড়ার ফরিদের ছেলে মোঃ বাবুল, শাহাজাহান (৩০), (৩২), মোঃ মিয়া (২৮) এবং সাইফুল ইসলাম (৪০) প্রজেক্টটি জবরদখল করার চেষ্টা চালায়।
১৯ জুন প্রজেক্টটি জবর দখল করে নিয়ে আবু সিদ্দিকের চাষকৃত মাছ লুটপাট শুরু করে। আবু সিদ্দিকের পরিবারের লোকজনের ওপর হামলা করে আহত করে।
গত ৫ জুন সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে বিবাদীরা প্রজেক্টটি জবর দখলের চেষ্টা করছিল।এ সময় বাধা দেওয়ায় আবু ছিদ্দিক (৬১) নামের এক প্রবীণ চাষিকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি ও লাথি মেরে গুরুতর আহত করেছিল। বর্তমানে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী পেকুয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) নথিভুক্ত করেছেন।
আবেদন ট্র্যাকিং নং: ND2K6I।
আবু সিদ্দিক জানান দীর্ঘ ২০ বছর ধরে যে প্রজেক্টে চাষাবাদ করে জীবন জীবীকা নির্বাহ করেছেন হঠাৎ করে সেই প্রজেক্ট জবর দখল করে নেয়ায় তিনি পরিবার নিয়ে বিপাকে পড়েন।
গত কয়েক দিন ধরে এখন প্রকাশ্যে মেরে ফেলার হুমকি দেয়া, মিথ্যা মামলায় জড়ানোর হুমকি দেয়ায় দিশেহারা হয়েগেছেন। ৩০ জুন পেকুয়া থানায় আবারও সাধারণ ডায়েরী দায়ের করেন। ডায়েরি নং ১৩৪১। তিনি আরো বলেন পেকুয়া থানার পুলিশ কয়েক দফা ঘটনাস্থলে যান। মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ গিয়ে দখল করে বাধ নির্মাণ করা বাধটি কেটে দিয়ে দখল ছেড়ে দিতে বললেও বাবুল গং কোন আদেশ নিষেধ মানছে না।
স্থানীয় লোকজনের অভিযোগ বাবুল ও শাহজাহান কোন অদৃশ্য শক্তির জোরে থানা পুলিশ চেয়ারম্যান কারো কথায় কর্নপাত না করে জবর দখল করা মৎস্য ঘের থেকে উঠছেনা। আবু সিদ্দিক মাওলানা মাহমুদুল সহ অনেকের মৎস্য ঘের জবর দখল করেছে।
এব্যাপারে মগনামা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ইউনুস চৌধুরীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন আবু সিদ্দিক বাদী হয়ে বাবুল গং এর বিরুদ্ধে মৎস্য ঘের জবর দখলের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। বাবুলকে দখল ছেড়ে দিতে ও অবৈধভাবে দেয়া বাধ কেটে দিতে বলা হয়েছে। নির্দেশ না মানলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পর পর দুটি ডায়েরি নথিবদ্ধ করার পরও থানা পুলিশ জবর দখল কারীদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নেয়ার ব্যপারে জানতে চাইলে পেকুয়া থানার অফিসার ইনচার্জ মেহেদী হাসান বলেন, তদন্ত করে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অনলাইন ডেস্ক