নিজস্ব প্রতিবেদক
কক্সবাজারের পেকুয়ার প্রধান সড়কের পেকুয়া বাজার এলাকার ফুটপাত মার্কেট মালিকেরা স্থায়ী দখলে নিয়ে ভাড়া দেয়ায় পথচারীরা বাধ্য হয়ে যানচলাচলের রাস্তা দিয়ে হাঁটছে। সম্প্রতি মূল সড়কের ওপর থেকে হকার ও সিএনজি অটো রিকশার পার্কিং বাজার এলাকা থেকে সরিয়ে নিলে দৃশ্যমান যানজট নিরসন হলেও পথচারীদের হাঁটতে হচ্ছে গাড়ী চলাচলের রাস্তায় ঝুঁকি নিয়ে। সরজমিনে দেখা গেছে পেকুয়া বাজারের দুপাশের ফুটপাত সহ সওজের লাল চিহ্নিত অধিগ্রহণকৃত জায়গায় দোকান বা মার্কেট মালিকেরা ফলের দোকান, পানের দোকান, কুলিং কর্ণধার সহ বিভিন্ন প্রকৃতির ব্যবসায়ীকে সেলামিসহ মাসিক চুক্তিতে ভাড়া দিয়ে দিয়েছে। অনেকে রাস্তার মুল অংশ থেকে দোতলায় উঠার স্থায়ী সিড়ি স্থাপন করায় পথচারী হাটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে। বাজার ব্যবস্থাপনার স্থায়ী কোন কমিটি না থাকলেও দোকান মালিক সমিতির নামে একটি সংগঠন রয়েছে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা জানান অপরিকল্পিত মার্কেট নির্মাণ উন্মুক্ত বাজারের জায়গায় অস্থায়ী মার্কেট তৈরি করে শতাধিক দোকান বরাদ্দ দেয়ায় মৌসুমি ফল বিক্রি, সহ হকার ব্যবসায়ীরা রাস্তায়
ব্যাবসা করত।
প্রতিবছর ২ কোটি টাকার উপরে ইজারা দেয়া হত। ইজারাদার টাকা তুলতে গিয়ে প্রধান সড়কে হকার বসিয়ে দৈনিক ভাড়া আদায় করায় যানজট স্থায়ী রূপ নেয়। চলতি মৌসুমে খাস কালেকশনে নিয়ে আসা হলে প্রধান সড়ক থেকে হকার উচ্ছেদ করা হয় হাসিল অনেকাংশ কমিয়ে দেয়া হয়। পেকুয়া উপজেলার একমাত্র বাণিজ্য কেন্দ্র পেকুয়া বাজার। উপজেলার মানুযের যাবতীয় কেনাকাটার একমাত্র মাধ্যম। একইভাবে কুতুবদিয়া উপজেলার মানুষের যাতায়াতের উপায় হল পেকুয়া বাজার পার হয়ে যেথে হবে। মগনামা সাব মেরিন ঘাটি বিএন স্কুল সহ উপজেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করতে পেকুয়া বাজার পার হয়ে আসতেই হবে। বাজার এলাকায় দৈনিক ১২/১৪ ঘন্টা যানজট থাকত। এখন যানজট কমলেও মুক্ত হয়নি। পথচারীরা চলাফেরা করছে যান চলাচলের জন্য নির্ধারিত রাস্তা দিয়ে। পেকুয়া বাজারের খাসকালেকশনের দায়িত্বে থাকা পেকুয়া উপজেলা যুবদলের আহবায়ক কামরান জাদিদ মুকুট বলেন, প্রধান সড়ক থেকে হকার সিএনজি অটো রিকশার পার্কিং সরিয়ে দেয়া হয়েছে। ফুটপাত ছেড়ে দিতে দোকানদার দের সময় বেঁধে দেয়া হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়ে না দিলে প্রশাসনের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেয়া হবে।
পেকুয়া উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহাদুর শাহ বলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী মহোদয়ের নির্দেশনায় পেকুয়া বাজারের ক্রেতা বিক্রেতার সুবিধার্থে খাসকালেকশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। হাসিল অর্ধেকে নামিয় আনা হয়েছে। যানজট নিরসনে নিয়মিত টহল বজায় রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তিনি আদায় ও যানজট নিরসনে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীল মনিটরিং কামনা করেন।
পেকুয়ায় নিযুক্ত ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তা দিদারুল ইসলাম বলেন রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সাংবাদিকদের সহযোগীতায় জনবল সংকটে থেকেও যানজট নিরসনে দৃশ্যমান উন্নতি সম্ভব হয়েছে। ফুটপাত অবমুক্ত করা হলে পেকুয়া বাজার ও চৌমুহনী এলাকায় কোনপ্রকার যানজট থাকবেনা বলে দাবী করেন।

অনলাইন ডেস্ক