মনিরুল আমিন
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন গ্রাহকের টাকা নিয়ে উধাও নামক সংবাদে মোস্তফা কামাল নামের এক অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপ-প্রচারে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
শনিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে চকরিয়া পৌরশহরের থানা সেন্টারে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে আলহাজ্ব কাদের বকস এর পূত্র ভুক্তভোগী মাষ্টার মোস্তফা কামাল সাংবাদিকদের সামনে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন।
লিখিত বক্তব্য বয়োজ্যেষ্ঠ মাস্টার মোস্তফা কামাল জানান,কর্ণফুলী ম্যানেজার শাহজাহান ফেরদৌস তার আত্মীয় হওয়াতে আনুমানিক ২০০৮-০৯ সালে তার কাছ থেকে ৭ লক্ষ টাকা নিয়েছিল। সেখান থেকে ১ লক্ষ টাকা ব্যবসায় বিনিয়োগ করবে বলে অনুমতি ছাড়া নিয়ে নেই। ২০১০-১১ সালের দিকে ব্যবসার ধরণ বুঝতে পেরে মেজর বেলাল ও মোজাহেদুল ইসলাম সেলিম কর্ণফুলী ফাউন্ডেশন থেকে ইন্তেফা দেওয়ার সময় তিনিও ইন্তেফা দেন।
এরপর ২০১৭ সালে চকরিয়া আসার পর সরেজমিনে কর্ণফুলি ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম দেখে তিনি মর্মাহত হই। তিনি একজন মুসলমান এবং হাজী হিসেবে এটার বিপক্ষে অবস্থান করেন। শেষ পর্যন্ত ২০২০ সালে কর্ণফুলি ফাউন্ডেশনে তিনি অব্যাহতি আবেদন পত্র জমা দেন,যাহার ডকুমেন্ট তার হাতে আছে এবং কর্ণফুলি ফাউন্ডেশন থেকে তিনি এখনও ৩ লক্ষ টাকা পাওনা আছেন। প্রতিষ্ঠানের শুরু থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানের কোন কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন না এবং ২০২০ সাল থেকে এই পর্যন্ত কর্ণফুলি ফাউন্ডেশনের কোন কার্যক্রমেও নেই। কর্ণফুলি ফাউন্ডেশনের গ্রাহকের কোন লেনদেনও তিনি জড়িত নেই।
প্রতিষ্ঠানের ভুক্তভোগীরা চকরিয়া জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাকে বিবাদী করে দরখাস্ত করায় তিনি বিষয়টি জানতে পারেন।
তিনি মাননীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, কক্সবাজার জেলা প্রশাসন ও চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কাছে আকুল আবেদন জানান,তার মত নিরীহ ও নিরপরাধ ব্যক্তিকে জড়িয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ও বিভিন্ন মাধ্যমে অপপ্রচার ছড়ানো বন্ধ করার পদক্ষেপ নিয়ে আসল অপরাধীকে ধরে আইনের আওতায় এনে তিনি ও তার মত শত শত ভুক্তভোগীদের অর্থ- আত্মসাৎ এর টাকা ফেরত দেওয়ার দাবী জানান।

অনলাইন ডেস্ক