প্রকাশের সময়: শনিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ । ৭:৫২ পিএম প্রিন্ট এর তারিখঃ মঙ্গলবার, ২৩ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩

পেকুয়ায় রাতের আধারে কুঁড়ে ঘর নির্মাণ করে জমি দখলের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক

পেকুয়ায় আদালতে বিচারাধীন জমিতে রাতের আধারে কুঁড়ে ঘর নির্মাণ করে জমি জবর দখলের অভিযোগ পাওয়াগেছে। জানাযায়, পেকুয়া মৌজার বি এস ৪৮৮ খতিয়ানে কবির আহাম্মদ চৌধুরীর জমি ছিল ১৬ একর ৫ শতক। তৎ মধ্যে নালিশি বি এস ৪৮৭০ দাগে ১৭৪ শতক জমি আছে। তিনি উক্ত ১৬ একর ৫ শতক জমি হইতে বিগত ১৯/১০/১৯৭৯ ইং তারিখের ১৫৭৫১ নং দানপত্র মুলে জনৈক ইউনুস কে দান করেন ৮ একর, ( যার মধ্যে নালিশী বি এস ৪৮৭০ দাগে ৯২ শতক।)
এবং একই তারিখে ১৫৭৫২ নং দানপত্র মুলে তাহার নাতি এম সোয়েল খান কে দান করেন ৮ একর ( যার মধ্যে নালিশী বি এস ৪৮৭০ দাগে ৮২ শতক) । কবির আহমদ চৌধুরী দুটি দানপত্রে ১৬ একর জমি হস্তান্তর করলে অবশিষ্ট জমি থাকল শুধু ৫ শতক। ( নালিশী দাগে দান ৯২+৮২ = ১৭৪ শতক। অবশিষ্ট নাই) ইউনুস নালিশী ৪৮৭০ দাগে ১৭৪ শতক জমিঅবৈধভাবে সম্পুর্ণ নিজ নামে ১৬৮৫ নং জমাভাগ খতিয়ান করে নেয়। যাহা ২৫ সালের দাখিলা মোতাবেক এখনো বলবৎ আছে। ইউনুসের উক্ত ১৬৮৫ খতিয়ানের বিরুদ্ধে কবির আহমদ চৌধুরীর নাতি এম সোয়েল খান নামজারি আপত্তি দায়ের করেন।
এদিকে জবর দখলকারী মইয়াদিয়ার জামলুদ্দিন, পশ্চিম বাইম্যাখালীর শাহ আলম, জাহাঙ্গীর, পুর্ব গোঁয়াখালীর আবু তালেব, ওয়ায়েজ উদ্দীন, ভোলাইয়া ঘোনার শাহ জাহান গং বিগত ২০২৪ সালে কবির আহমদ চৌধুরীর পুত্র হারুন রশিদ হইতে নালিশী ৪৮৭০ দাগে অবৈধ ভাবে ৪৮৮ খতিয়ানের দাখিলা নিয়ে ৮২ শতক জমি জবর দখলের কু মানষে স্বত্বশুন্য কবলা সৃজন করেন। এ বিষয়ে কক্সবাজার যুগ্ম জেলা জজ আদালত ২ এ ১৭৩/ ২৪ মামলা চলমান থাকা অবস্থায় আদালতের তোয়াক্ষা না করে জামালুদ্দিন গং গত১২/০৯ /২০২৫ দিবাগত রাত আনুমান ৩ টার পরে সংঘবদ্ধ সন্ত্রাসী জড়ো পুর্বক ভাড়াটিয়া লোকজন নিয়ে নালিশী জমির কিছু অংশে দুটি দুই চালা ঘর নির্মান করে এবং বাশের ট্যাংরা দিয়ে ঘিরে ফেলে।
সোহেল খান ইতোমধ্যে দানপত্র মুলে প্রাপ্ত অন্য দাগের যায়গায় খতিয়ান সৃজন পুর্বক খাজনা আদায় করে জমি বিক্রি করেন।
এবিষয়ে শাহ আলমের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন তার পক্ষে পেকুয়া ইউনিয়ন পরিষদের রায় রয়েছে। তাই তিনি জমিতে ঘর নির্মাণ করেন ও ঘেরা দেন। পেকুয়া সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান শাহনেওয়াজ আজাদ বলেন, গ্রাম আদালতের মামলাটি বর্তমানে স্থগিত রয়েছে। উচ্চ আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় না আসা পর্যন্ত শাহ আলম গং সহ দু’পক্ষকে জমিতে না যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

প্রিন্ট করুন