| ১৭ মে ২০২৬

কক্সবাজার -৩ (মহেশখালী -কুতুবদিয়া)আসনে বিএনপির প্রার্থী কে

কক্সবাজার -৩ (মহেশখালী -কুতুবদিয়া)আসনে বিএনপির প্রার্থী কে

কক্সবাজার -৩ (মহেশখালী -কুতুবদিয়া)আসনে বিএনপির প্রার্থী কে? সালাহউদ্দিন আহমদ না ড. সলিমুল্লাহ এমন জল্পনা কল্পনা ঘুরে বেড়াচ্ছে কক্সবাজার জেলা জুড়ে. 

কক্সবাজারের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে তিনটিতে বিএনপি প্রার্থী চূড়ান্ত করা হলেও অর্থনৈতিকভাবে জেলার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আসন কক্সবাজার-২
(মহেশখালী–কুতুবদিয়া) এ কী ঘটতে যাচ্ছে এ নিয়ে রাজনৈতিক মহলে কৌতূহল দিন দিন বেড়েই চলছে

কক্সবাজার জেলা বিএনপির দফতর সম্পাদক ইউসূফ বদরীর ভাষ্য, প্রার্থী বাছাইয়ে চমক আসতে যাচ্ছে আসনটিতে। এজন্য সাধারণ জনগণকে তিনি ধৈর্য্য ধরতে অনুরোধ করেন।

এদিকে, বিএনপি তাদের প্রার্থীদের সাথে মনবিনিময় সভায় এই আসন থেকে তিনজন মনোনয়ন প্রত্যাশীকে ডেকেছিলেন।
তিনজন মনোনয়নপ্রত্যাশীর মধ্যে ছিলেন— সাবেক সাংসদ ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী, সাবেক এমপি আলমগীর মাহফুল্লাহ ফরিদ ও সাবেক মহেশখালী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু বক্কর ছিদ্দিক।
তবে দলটির গুরুত্বপূর্ণ সূত্র বলছে, মনোনয়ন পাওয়ার সম্ভাবনা থেকে ছিটকে পড়েছেন আলমগীর ফরিদ ও আবু বক্কর ছিদ্দিক।

দলীয় সূত্র কি বলছে?
বিএনপির নির্ভরযোগ্য সূত্র জানায়, আলমগীর ফরিদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দলের হাইকমান্ডে পৌঁছেছে। আওয়ামী লীগ আমলে ‘কার্যকর’ অর্থে সক্রিয় ছিলেন না তিনি, তার ভাতিজা আওয়ামী লীগের এমপি আশেকউল্লাহ রফিককে ম্যানেজ করে প্রোগ্রাম কারার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে । সে কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো মামলা না থাকার বিষয়টি বেশ আলোচনায় আসে কেন্দ্রের কাছে। ২০১৪ সালের উপজেলা নির্বাচনে ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে নিজের ভাতিজাকে প্রার্থী করে দল থেকে বহিষ্কার হন। পরে ২০২৪ সালেও ভাতিজাকে উপজেলা নির্বাচনে মাঠে নামায়, যখন বিএনপিসহ সকল আওয়ামী বিরোধী দল ভোট বর্জন করে।
বিএনপির দুর্দিনে (নব্বইয়ের দশক ও লীগের টানা ১৫ বছরের শাসন) তার পরিবারই মহেশখালী আওয়ামী লীগকে নেতৃত্ব দেয়া এবং আলোচিত শফি হত্যা মামলার বিষয়টি কেন্দ্রীয় পর্যায়ে নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।এছাড়া, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের সঙ্গে আলমগীর ফরিদের দূরত্ব তৈরি হওয়াও তার অবস্থান দুর্বল করেছে বলে মনে করছেন অনেকে।
অন্যদিকে, আবু বক্কর ছিদ্দিককেও খুব একটা গুরুত্ব দেয়নি দল। ভাই মকছুদ মিয়ার ‘আমলনামা’ নিয়ে বিতর্ক থাকায় তাকে নিয়েও শীর্ষ নেতৃত্বের মধ্যে দ্বিধা তৈরি হয়েছে।
হাইকমান্ডের নজর হেভিওয়েট প্রার্থীর দিকে
দলীয় সূত্র জানায়, এই আসনটি বিএনপির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই দলটি এখানে “হাই-প্রোফাইল” বা “হেভিওয়েট” প্রার্থী আনতে চায়। হাইকমান্ডের আলোচনায় উঠে এসেছে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের নাম। সেক্ষেত্রে কক্সবাজার-১ আসনে প্রার্থীর পরিবর্তন আসবে। অথবা দল যদি সিদ্ধান্ত দেন তাহলে তিনি চকরিয়া পেকুয়া সহ দুটি আসন থেকে নির্বাচন করতে পারেন।

পাশাপাশি, কোনও কারণে তিনি না আসলে বিকল্প হিসেবে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরীকেও ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

এই দুইজন ছাড়াও তাদের বিকল্প হিসেবে সালাহউদ্দিন আহমদ সমর্থিত হিসেবে আরেকটি নতুন মুখের আবির্ভাবের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।
যাইহোক, দলটির গুরুত্বপূর্ণ সূত্রটির ভাষায়— এই আসনে বিএনপি এবার বড় চমক দিতে যাচ্ছে। অপেক্ষা শুধু কেন্দ্রীয় ঘোষণার।

গত ৩ নভেম্বর কক্সবাজারের তিনটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা করা হলেও কক্সবাজার-৩ আসনটি ফাঁকা রাখা হয়। ফলে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা জল্পনা–কল্পনার তৈরি হয়েছে।

“ওয়েট অ্যান্ড সি, ফর সারপ্রাইজ!”
কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরি এক ফেসবুক পোস্টে লেখেন,“কক্সবাজার-২ কুতুবদিয়া–মহেশখালী জিওগ্রাফিক্যালি ইম্পোর্ট্যান্ট এরিয়া! সো, ওয়েট অ্যান্ড সি, ফর সারপ্রাইজ!” এই পোস্টের পর দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে, এই আসনে নতুন মুখ অথবা হাইপ্রোফাইল প্রার্থী আসতে পারেন।
তবে আসল চমক হিসেবে প্রখ্যাত শিক্ষাবিদ ড. সলিমুল্লাহ হতে পারে এমন আলোচনাও শুরু হয়েছে।

এবার দক্ষিণ থেকে প্রার্থী থাকছে না বড় দলে
মহেশখালীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে দীর্ঘদিন সময় ধরে বড় দলগুলোতে নেত্বত্ব বা জনপ্রতিনিধি হিসেবে মনোনয়ন পেতে দেখা গেছে। এবার ব্যতিক্রম ঘটতে দেখা যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে সেখানকার নেতাদের বিরুদ্ধে নানা অনিয়মের অভিযোগ করে আসছিল উত্তরের মানুষ।
সাধারণ মানুষ মনে করেন দেশের গভীর সমুদ্র বন্দর সহ বিশ্ব মানের অর্থনৈতিক জোন সমৃদ্ধ এ আসনে একজন উত্তম যোগ্যতা সম্পন্ন লোক প্রয়োজন। উন্নয়ন কর্মকান্ডে পারদর্শী ও পরীক্ষিত হিসেবে সচেতন মানুষ কেন্দ্রীয় হাই প্রোফাইল সালাহউদ্দিন আহমদকে আলোচনায় রাখছেন। অন্যতায় শিক্ষাবিদ সলিমুল্লাহকে নিয়ে আসলে সমৃদ্ধ প্রার্থী হবে এমনটাই মনে করছেন মহেশখালী কুতুবদিয়ার মানুষ।

মাতামুহুরি উপজেলা ঘোষিত হওয়ায় প্রেসকনফারেন্স ও গণমিছিল

কক্সবাজার -৩ (মহেশখালী -কুতুবদিয়া)আসনে বিএনপির প্রার্থী কে

নিজস্ব প্রতিবেদক
চকরিয়া উপজেলা থেকে ৭ ইউনিয়নকে পৃথক করে মাতামুহুরি উপজেলা ঘোষিত হওয়ায় ধন্যবাদ, কৃতজ্ঞতা জানিয়ে প্রেসকনফারেন্স ও গণমিছিলের
আয়োজন করা হয়েছে। ১৭ মে বিকাল ৫ টায় মাতামুহুরি উপজেলা বিএনপি অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রেসকনফারেন্সে সাহারবিল, পূর্ব বড় ভেওলা, ভেওলা মানিকচর, পশ্চিম বড় ভেওলা, কোনাখালী, ডেমুশিয়া, বদরখালী ইউনিয়ন নিয়ে মাতামুহুরি উপজেলার প্রজ্ঞাপন ঘোষণা করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও সাবেক সংসদ এডভোকেট হাসিনা আহমেদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানানো হয়। চকরিয়া পেকুয়া সংসদীয় আসন থেকে বারবার নির্বাচিত এমপি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও এ আসনের সাবেক এমপি হাসিনা আহমেদের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী নির্বাচনের দুই মাসের মাথায় মাতামুহুরি উপজেলার চুড়ান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করায় ৩ লাখ নারী পুরুষেরে বসবাসের ৭ ইউনিয়ন এখন স্বতন্ত্র মানচিত্রের উপজেলা হিসেবে প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করতে পারবে। পুর্নাঙ্গ উপজেলার নাগরিক সুবিধা লাভ করবে। এখানে একটি মডেল উপজেলা কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।
প্রেসকনফারেন্স শেষে
মাতামুহুরি উপজেলা বিএনপির পক্ষ থেকে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি বদরখালী ইউনিয়ন বিএনপি কার্যালয় থেকে শুরু হয়ে বদরখালী ফেরিঘাট ষ্টেশন সংলগ্ন পিউরিয়া শো-রুম এর সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এতে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, বক্তব্য শেষে শুকরিয়া আদায় মোনাজাত পরিচালনা করেন মাওলানা শামসুদ্দিন, আহ্বায়ক, জমিয়তে উলামায়ে পরিষদ কক্সবাজার জেলা শাখা।
প্রেস কনফারেন্সে বক্তব্য রাখেন মাতামুহুরি উপজেলা বিএনপির সভাপতি জামিল ইব্রাহিম চৌধুরী
এসময় উপস্থিত ছিলেন মাতামুহুরি উপজেলা
সিনিয়র সহ সভাপতি জেলা বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ বদরী, সাধারণ সম্পাদক হেফাজতুর রহমান চৌধুরী টিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক শোয়াইবুল ইসলাম সবুজ, এছাড়াও ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি সাধারণ সম্পাদক সহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চকরিয়া ছোঁয়ালিয়াপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের নতুন কমিটি গঠন 

কক্সবাজার -৩ (মহেশখালী -কুতুবদিয়া)আসনে বিএনপির প্রার্থী কে

 

মনিরুল আমিন চকরিয়া

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার কৈয়ারবিলস্থ ছোঁয়ালিয়াপাড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ পরিচালনার জন্য ১১ সদস্য বিশিষ্ট নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি ঘোষণা করেছেন মতোয়াল্লী মোঃ মিজানুর রহমান মিরু।

শুক্রবার (১৫ মে) পবিত্র জুমার নামাজ শেষে উপস্থিত সাধারণ মুসল্লীদের সর্বসম্মতিক্রমে এই কমিটি ঘোষণা করেন মসজিদের মোতোয়াল্লী মোঃ মিজানুর রহমান মিরু।

ঘোষিত কমিটিতে আনোয়ার হোসেন কে সভাপতি এবং এনাম হোছাইন কে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত করা হয়েছে। মসজিদ পরিচালনা ও উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে ১১ সদস্যের এই শক্তিশালী টিম গঠন করা হয়।

কমিটি ঘোষণার সময় মোতোয়াল্লী মোঃ মিজানুর রহমান মিরু বলেন,মসজিদের পবিত্রতা রক্ষা,উন্নয়ন কাজ ত্বরান্বিত করা এবং মুসল্লীদের সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করতেই সকলের মতামতের ভিত্তিতে এই স্বচ্ছ কমিটি গঠন করা হয়েছে। আশা করি,নবনির্বাচিত নেতৃবৃন্দ নিষ্ঠার সাথে তাদের দায়িত্ব পালন করবেন।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের প্রতিক্রিয়ায় জানান,মসজিদের আমানত রক্ষা এবং দ্বীনি কার্যক্রমের প্রসারে তারা সর্বোচ্চ শ্রম ও মেধা দিয়ে কাজ করে যাবেন। এ সময় তারা মসজিদের সার্বিক উন্নয়নে এলাকাবাসী ও মুসল্লীদের আন্তরিক সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করেন।

মহেশখালী থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেপ্তার- ১১

কক্সবাজার -৩ (মহেশখালী -কুতুবদিয়া)আসনে বিএনপির প্রার্থী কে

 

সরওয়ার কামাল মহেশখালী

মহেশখালী থানার পুলিশের বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন মামলার ১১ জন পরোয়ানাভুক্ত আসামীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ১৪ মে দিনব্যাপী মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় পৃথক অভিযান চালিয়ে মহেশখালী থানার পুলিশ তাদের কে গ্রেফতার করেছে ।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতরা দীর্ঘদিন ধরে জিআর (জেনারেল রেজিস্টার) ও সিআর (কমপ্লেইন্ট রেজিস্টার) মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী হিসেবে পলাতক ছিলেন। তাদের বিরুদ্ধে দ্রুত বিচার আইন, বন মামলা, মারামারি, চুরি ও অন্যান্য ফৌজদারি অপরাধে আদালতের পরোয়ানা ছিল।

গ্রেপ্তার হওয়া আসামীদের মধ্যে রয়েছেন আবু সুফিয়ান, জেয়াসমিন আকতার, মোজাফফর আহমদ, শফি আলম, আনছার মিয়া, আহমদ উল্লাহ, আশারফ আলী, রফিক আলম, নুর মোহাম্মদ ও মোঃ দানুল হকসহ মোট ১১ জন। পুলিশের একাধিক টিম উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করতে সক্ষম হয়।

মহেশখালী থানা পুলিশ জানায়, অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে নিয়মিতভাবে বিশেষ অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। বিশেষ করে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী, সন্ত্রাসী, মাদক কারবারি ও অস্ত্রধারীদের বিরুদ্ধে চলমান অভিযান আরও জোরদার করা হয়েছে।

অভিযান শেষে গ্রেপ্তারকৃতদের থানায় নিয়ে প্রয়োজনীয় আইনানুগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। পরে তাদের কক্সবাজার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ।

মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ আব্দুস সুলতান বলেন, “আইনের আওতায় সবাইকে আনতে মহেশখালী থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আদালতের পরোয়ানাভুক্ত আসামীদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না। সন্ত্রাস, অপরাধ ও আইনশৃঙ্খলা বিরোধী কর্মকাণ্ড দমনে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।