| ১৭ মার্চ ২০২৬

পাহাড়ঘেঁষা পেকুয়ায় বিদেশি আমের বাণিজ্যিক বিপ্লব

পাহাড়ঘেঁষা পেকুয়ায় বিদেশি আমের বাণিজ্যিক বিপ্লব

পাহাড়ঘেঁষা পেকুয়ায় বিদেশি আমের বাণিজ্যিক বিপ্লব

রকিবুল হাসান

কক্সবাজারের পেকুয়া উপজেলার শিলখালী, টৈটং ও বারবাকিয়ার পাহাড়ঘেঁষা জনপদে বইছে বিদেশি আমের সুবাস। এক সময় যেসব দুর্লভ জাতের আম কেবল ইন্টারনেটে বা শৌখিন বাগানিদের ডায়েরিতে দেখা যেত, এখন তা পেকুয়ার দিগন্তজোড়া বাগানে দৃশ্যমান। জাপানের বিশ্বখ্যাত ‘মিয়াজাকি’ থেকে শুরু করে থাইল্যান্ডের ‘কিং অব চাকাপাত’—সবই এখন শোভা পাচ্ছে স্থানীয় চাষিদের বাণিজ্যিক বাগানে। ব্যক্তিগত শখের গণ্ডি ছাড়িয়ে এই অঞ্চলে এখন গড়ে উঠছে বিশাল সব আম বাগান, যা স্থানীয় গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা আমূল বদলে দিচ্ছে।

বৈচিত্র্যময় আমের সমারোহ ও পাকার মৌসুম
পেকুয়ায় এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে দামি আম হিসেবে পরিচিত জাপানের ‘মিয়াজাকি’ বা ‘সূর্য ডিম’। নজরকাড়া গাঢ় লালচে রঙের এই আমটি সাধারণত জুলাই-আগস্ট মাসে পূর্ণতা পায়। এর পাশাপাশি থাইল্যান্ডের জনপ্রিয় সোনালি রঙের ‘ন্যামডক মাই’ এবং বাঁকা আকৃতির স্বতন্ত্র স্বাদের ‘মহাচানক’ (ব্যানানা ম্যাংগো) আমগুলোও জুলাই-আগস্ট মাসেই বাজারে আসার অপেক্ষায় রয়েছে।
আগাম জাত হিসেবে পরিচিত ‘কিং অব চাকাপাত’ জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহ থেকে পাকতে শুরু করে। আর থাই সবুজ জাত ‘কিউজাই’ কাঁচা ও পাকা—উভয় অবস্থাতেই অত্যন্ত সুস্বাদু, যা পাকবে জুলাই-আগস্ট মাসে। তবে এখানকার কৃষকদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি সাড়া ফেলেছে বারোমাসি জাত ‘কাটিমন’ (চোকানন)। এটি বছরে একাধিকবার ফলন দেয় বলে সারা বছরই বাজারের চাহিদা মেটাতে সক্ষম হচ্ছে।

এক নজরে আমের ক্যালেন্ডার ও সময়সূচি:
কিং অব চাকাপাত জুলাইয়ের শেষ ভাগে পাকে।
মিয়াজাকি (সূর্য ডিম) জুলাই-আগস্ট মৌসুমে ফলন দেয়।
ন্যামডক মাই ও মহাচানক: বাজারে আসে জুলাই-আগস্ট মাসে।
কিউজাই: জুলাই-আগস্ট (কাঁচা-পাকা দুইভাবেই ভক্ষণযোগ্য)।
কাটিমন: বারোমাসি জাত, যা সারা বছর ফলন দেয়।

মাটির গুণাগুণ ও দেশি জাতের আধিপত্য
পেকুয়ার মাটি বিশেষ করে ‘আম্রপালি’ চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। গত এক দশক ধরে এখানে রাজশাহী ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের বিখ্যাত সব জাতের সফল চাষ হচ্ছে। স্থানীয় ‘মনে রেখো নার্সারি’র মালিক মনির উদ্দিন জানান, তারা সরাসরি উত্তরবঙ্গ থেকে ট্রাকযোগে উন্নত মানের চারা সংগ্রহ করে স্থানীয় পর্যায়ে ২৫০ থেকে ৩০০ টাকার মধ্যে সরবরাহ করছেন। আম্রপালি ছাড়াও হাড়িভাঙ্গা, হিমসাগর, ফজলি, মল্লিকা ও গৌরমতির মতো জনপ্রিয় জাতগুলো এখন পেকুয়ার মাটিতে নিয়মিত ফলছে।

বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে বন্যহাতির উপদ্রব
অমিত সম্ভাবনার মাঝেও চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে বন্যহাতির আক্রমণ। স্থানীয় শিলখালী এলাকার ভুক্তভোগী চাষি মোহাম্মদ আরিফ আক্ষেপ করে বলেন, “আমার বিশাল একটি আম বাগান হাতির আক্রমণে তছনছ হয়ে গেছে। বন বিভাগ বনাঞ্চলে আকাশমণি বা ইউক্যালিপটাসের মতো এমন সব গাছ লাগাচ্ছে যা হাতি খায় না। ফলে খাদ্যের সন্ধানে হাতিগুলো লোকালয়ে এসে আমাদের কষ্টার্জিত আম বাগান ধ্বংস করছে। বন বিভাগের উচিত বনাঞ্চলে হাতির পছন্দের দেশীয় ফলদ গাছ লাগানো, যাতে আমাদের এই দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগ রক্ষা পায়।

বাজারে রাসায়নিকযুক্ত ফলের ভীতি দূর করতে সাধারণ মানুষের মধ্যে নিজ আঙিনায় আম চাষের প্রবণতা বেড়েছে। শিলখালী ইউনিয়নের আলিচান মাতবর পাড়ার উদ্যোক্তা রমিজ উদ্দিন অনলাইনে রাজশাহী ও বগুড়া থেকে চারা সংগ্রহ করে গড়ে তুলেছেন বৈচিত্র্যময় এক বাগান। তিনি বলেন, “বিগত কয়েক বছর ধরে আমি পরিবারের জন্য সম্পূর্ণ ফরমালিনমুক্ত আম নিশ্চিত করতে পারছি। মিয়াজাকি বা চাকাপাতের মতো বিদেশি আমের ফলন এখানে চমৎকার হচ্ছে। সঠিক পরিচর্যা ও সরকারি কারিগরি সহায়তা পেলে যে কেউ এই লাভজনক চাষে সফল হতে পারেন।”

পেকুয়া উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুজার সোহাগ বলেন, এ বছর উপজেলায় বাগান ও বাড়ির আঙিনা মিলিয়ে প্রায় ১২০ হেক্টর জমিতে আম চাষ হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হেক্টর প্রতি গড়ে ১২ মেট্রিক টন ফলন আশা করা যাচ্ছে। আমরা কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছি এবং বন্যহাতির উপদ্রব রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

বেলাভূমির পক্ষ থেকে জানতে চাইলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, যথাযথ সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বন্যহাতির উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ এবং আধুনিক বাজারজাতকরণ সুবিধা নিশ্চিত করা গেলে পেকুয়া জেলা ছাড়িয়ে সারা দেশের জন্য একটি সম্ভাবনাময় ম্যাঙ্গো হাব বা আম উৎপাদন কেন্দ্রে পরিণত হয়।

চকরিয়ায় অপহৃত দোকান কর্মচারী উদ্ধার, অপহরণকারী চক্রের প্রধান গ্রেফতার

পাহাড়ঘেঁষা পেকুয়ায় বিদেশি আমের বাণিজ্যিক বিপ্লব

ডেস্ক রিপোর্ট
কক্সবাজারের চকরিয়ার হারবাং থেকে অপহৃত দোকান কর্মচারী মোহাম্মদ পারভেজকে (১৭) অবশেষে উদ্ধার করেছে চকরিয়া থানা পুলিশ। দীর্ঘ ১৬ ঘন্টার বিরতিহীন অভিযানে রামু উপজেলার ঈদগড় এলাকা থেকে অপহরণের প্রধান হোতা নুরুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। তার স্বীকারোক্তি মতে অপহৃত পারভেজকে বুধবার (১১ মার্চ) রাত ১০ টার দিকে চকরিয়া উপজেলার ডুলাহাজারা ইউনিয়নের রিংভং ছাগীর শাহ কাটা এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়।

চকরিয়া থানার অপারেশন অফিসার (এসআই) ফরিদ হোসেন বলেন, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে লোহাগাড়ার আমিরাবাদ স্টেশন হতে বাড়িতে আসার পথে চকরিয়া উপজেলার উত্তর হারবাং এলাকা থেকে মো.পারভেজ নামের ছেলেটিকে অপহরণ করে নিয়ে যায় ৬-৭ জন দুবৃর্ত্ত। পরে একটি নাম্বার থেকে ভিকটিমের পরিবারের কাছ থেকে ১০ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। ওই মোবাইল নাম্বারের সুত্র ধরে রামু উপজেলার দূর্গম পাহাড়ি এলাকা ঈদগড়ে ১৬ ঘন্টার রুদ্ধদার অভিযান শেষে অপহরণের প্রধান হোতা
রামুর ইদগড়ের বাসিন্দা
নুরুল ইসলামকে আটক করা হয় ও পরে তার স্বীকারোক্তি মতে ভিকটিম পারভেজকে চকরিয়ার ডুলহাজারা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।
মোহাম্মদ পারভেজ চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়নের কোরবানিয়া ঘোনা এলাকার মনজুর আলমের ছেলে।
পারভেজের বাবা মঞ্জুর আলম জানান, তার ছেলে পারভেজ লোহাগাড়া উপজেলার আমিরাবাদ একটি দোকানে চাকরি করতেন। দোকান থেকে বাড়ি ফেরার পথে তাকে দুষ্কৃতিকারীরা অপহরণ করে নিয়ে যায়।
চকরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনির হোসেন বলেন, একটি সঙ্গবদ্ধ চক্র পারভেজ কে অপহরণ করে নিয়ে যায়। টানা ১৬ ঘন্টা অভিযান চালিয়ে রাত ১০ টার দিকে ডুলাহাজারার ইউনিয়নের গহীন পাহাড়ি এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করা হয়েছে এবং অপহরণকারী দলের একজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হই ।
তিনি আরও বলেন, এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অপহরণের সাথে জড়িত অন্যদের গ্রেফতার করতে অভিযানে রয়েছে পুলিশ।

২ শতাধিক হাফেজকে পোশাক প্রদান

পেকুয়ায় মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল সম্পন্ন

পাহাড়ঘেঁষা পেকুয়ায় বিদেশি আমের বাণিজ্যিক বিপ্লব

রেজাউল করিম. স্টাফ রিপোর্টার

কক্সবাজারের পেকুয়ার বারবাকিয়া মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১০ মার্চ) বিকেলে উপজেলার বারবাকিয়া ফাঁশিয়াখালী ইসলামিক সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইফতার মাহফিলে উপজেলার বিভিন্ন মাদ্রাসার ২ শতাধিক এতিম শিক্ষার্থীর হাতে জোব্বা তুলে দেওয়া হয়। পরে তাদের সম্মানে ইফতারের আয়োজন করা হয়।
বারবাকিয়া মানব কল্যাণ ফাউন্ডেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে উজানটিয়া এএস আলিম মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আবুল কালামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রামের লালখান বাজার অফিসার্স কলোনি জামে মসজিদের ইমাম ও খতিব আলহাজ্ব মাওলানা জে. এম. মনছুর আলম কুতুবী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পেকুয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক নুরুজ্জামান মঞ্জু, ফাঁশিয়াখালী ইসলামিয়া কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আনছার উল্লাহ, মৌলভীবাজার ফারুকীয়া সিনিয়র মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক মাওলানা আমিনুর রশিদ এবং টইটং বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও পল্লী চিকিৎসক ডা. মোসলেম উদ্দিন। অনুষ্ঠানে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন টইটং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মাস্টার আমান উল্লাহ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন মাস্টার মো. নুরুন্নবী, মাস্টার মিজানুর রহমান, আনিছুর রহমান, আব্দুর রহিম ও রেজাউল করিমসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এদিকে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রমজান মাসের শুরুতে ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে প্রায় ৩ শতাধিক অসহায় ও দরিদ্র পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পবিত্র রমজান মাসে এতিম ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো অত্যন্ত মহৎ উদ্যোগ। ভবিষ্যতেও এ ধরনের মানবিক কার্যক্রম অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান তারা।

ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল – পার্বত্যমন্ত্রী দীপেন দেওয়ান

পাহাড়ঘেঁষা পেকুয়ায় বিদেশি আমের বাণিজ্যিক বিপ্লব

নিজস্ব প্রতিবেদক

পার্বত্য চট্টগ্রাম বান্দরবানের লামায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান বলেন, বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার “ব্যক্তি নয়, পরিবারই উন্নয়নের মূল। নারীর ক্ষমতায়ন, দারিদ্র্য নিরসন ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে বান্দরবানের লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি প্রতীকীভাবে পাঁচটি পরিবারের হাতে ফ্যামিলি কার্ড তুলে দেন।

মন্ত্রী বলেন, পার্বত্য জেলা বান্দরবানের বিভিন্ন পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে এই উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। জেলার ১১টি পাহাড়ি জনগোষ্ঠীসহ মোট ১২টি জাতিগোষ্ঠীর অনেক পরিবার দীর্ঘদিন ধরে দারিদ্র্য ও খাদ্য সংকটের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের জন্য নিয়মিত আর্থিক সহায়তা ও খাদ্যসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করা গেলে সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী, বান্দরবানের জেলা প্রশাসক শামীম আরা রিনি, পুলিশ সুপার আবদুর রহমান, জেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের উপপরিচালক মিলটন মুহুরী, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব মো. জাবেদ রেজা এবং জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সাবেক মেয়র আমির হোসেনসহ বিএনপির অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা।

উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, লামা উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ১ হাজার ২৭৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। যাচাই-বাছাইয়ের সময় ১৩৮টি পরিবারের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) না থাকায় সেগুলো তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে চূড়ান্তভাবে ১ হাজার ৯৭টি পরিবারকে এ কর্মসূচির আওতায় আনা হয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে প্রান্তিক পরিবারের সদস্যরা সরাসরি আর্থিক সহায়তা পাবেন। কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে, যা নারীর আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। পাশাপাশি এই সহায়তা দিয়ে বেকার ও আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো তাদের মৌলিক চাহিদা পূরণ করতে পারবে।

পরে দুপুরে মন্ত্রী লামা উপজেলা-পৌর বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে আয়োজিত
উপজেলা পরিষদ মাঠে বান্দরবান, লামা, আলীকদমসহ আশপাশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত লোকজনের মাঝে বক্তব্য দেন।